বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

*অচেনা থেকে চেনা!! পর্ব-১

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান ☫☤Ꮶℳ ЅᎯᎫU Ꭿℋℳℰⅅ ℛᎾᏦℐℬ ☢☣ (০ পয়েন্ট)

X Writer: KM Saju Ahmed Rokib আমার বয়স সবেমাত্র ২৮ হল। নতুন একটা প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকুরী করি। আমি খুবই স্বাভাবিক জীবন যাপন করি। আমি বাল্য কাল থেকেই ইসলামের মৌলিক দিকগুলো মেনে চলার চেষ্টা করি।। আমার পরিবারের খুবই আদর্শ পরিবার। আদর্শ এ কারণে বলছি কারণ আমার পরিবারের প্রায় সবাই ইসলামিক জীবন যাপন করে। আমার পরিবারের সদস্যদের মাঝে আমি আর আমার মা-বাবা আমার দুইবোন বোন। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে প্রায় বছর খানেক হল। আমার বাবা মার ইচ্ছে যে আমার ছোট বোনকে বিয়ে দেওয়া আগেই তারা আমাকে বিয়ে করাবেন। তো ইতিমধ্যে অনেক জায়গায় পাত্রী দেখাও শুরু হল। তো মা আমাকে জিগ্যেস করলেন অনেক জায়গায় তো পাত্রী দেখা হচ্ছে, তোর কি রকমের মেয়ে পছন্দ? আমি একটু লাজুক টাইপের ছেলে, বিয়ের কথা শুনেই লজ্জায় আমার মুখ লাল হয়ে গেল, তো আমি মা কে উত্তর দিলাম তোমরা যাকে পছন্দ করবে তাকেই আমি বিয়ে করতে রাজি আর বেশি কিছু বলতে পারলাম না। অনেক মেয়ে দেখা হল কিন্তু আমার মায়ের চাহিদামত হয়নি।।। এরকম দেখতে দেখতে শেষ পর্যন্ত আমাদের পাশের জেলার এক মেয়েকে পছন্দ করলেন আমার মা। মেয়েটির নাম হচ্ছে "জান্নাত" মনে বিয়ের আগে সেই মেয়েটিকে দেখার খুব ইচ্ছে করছিল কিন্তু মেয়ে নাকি অনেক পর্দা করে পর পুরুষের সামনে কখনো বেয় হয় না। কথাটা শুনে আমিও খুশি হলাম। যাই হোক বিয়ের দিনক্ষণ ঠিক হয়ে আসল। ওদিকে বিয়ের সব আয়োজন, আমার তো কোন ভাই নেই তাই নিজের বিয়ের সবকিছু দেখা শুনা নিজেকেই করতে হল। বাবা-মা ওনার সকল আত্মীয়স্বজনদের দাওয়াত করতে লাগলেন, আমিও আমার বন্ধুবান্ধদের দাওয়াত করতে লাগলাম। বিয়ের মাত্র একদিন আমার মনে কেমন জানি অন্যরকমের একটা অনুভূতি জাগছে। বিয়ের কেনাকাটা ও তার মাঝে আরও নানান কাজ সামলিয়ে মাগরিব সময় হয়ে আসল নামাজ আদায় নিজের রুমে বসে রইলাম। হঠাৎ মা এসে বললেন কীরে কি করিস? আমি বললাম এই তো বসে আছি। মা হয়তো আমার চেহারা দেখে বুঝে গেছেন যে মেয়েকে নিয়ে আমার কৌতূহল রয়েছে। মা বললেন মেয়ে দেখতে মাশাআল্লাহ আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে মেয়ে অনেক পরহেজগার এবং ভদ্র।।। আমি বললাম তোমাদের যেহুতু মনে ধরেছে আমারও ইনশাল্লাহ মন ধরবে।।। বাবা কোথায়? আমি মাকে জিগ্যেস করলাম। মা বললেন বাড়ির মেহমাদের জন্য বাজার করতে গেছেন,এই বলে মা চলে গেলেন। ওদিকে আমার বোনরা এবং তাদের বান্ধবী মিলে আসল আমার ঘর সাজাতে।। তাই আমাকে আর রুমের ভেতর থাকা হলনা। রাতে আমার বান্ধুরা আসবে, আমি বাহিরের কাজগুলোত দেখাশুনা করতে লাগলাম। মনে মনে আবার খারাপ লাগছিল এই বিয়ের করতে যেয়ে আমার এত ঝামেলায় পড়তে হল। যাইহোক রাতে আমার বন্ধুদের নিয়ে অনেক সময় ধরে আড্ডা গল্পগুজব করতে করতে রাত ২ টা বেজে গেল তারপর সবাই মিলে ঘুমাতে গেলাম। কিন্তু আমি বিছানায় যাওয়ার পরও ঘুম আসছিল না কেমন জানি জান্নাতের কথা মন পড়ছে,,, কাল সে অচেনা মেয়েটির সাথে আমায় থাকতে হবে যাকে আমি কোনদিন দেখিনি এবং চিনিও না,,,( চলবে)!!!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২২৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ *অচেনা থেকে চেনা!! পর্ব-১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now