বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভিসপ্ত আয়না

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Takiyan (০ পয়েন্ট)

X আবিরের মা অনেক আগেই মরে গেছে। তখন আবির অনেক ছোট ছিল। তাই কোথায় বেরানোর বেপার হলে বাবার সাথেই যাই। সামনে গ্রীষ্ম ছুটি। আবির তার ফ্রেন্ডের সাথে বসে গল্প করছি কে কোথায় বেরাতে যাবে। আবির বল্লো সেলেটের এক পাহাড়ি এলাকায় এবারে বেরাতে যাবে। ফ্রেন্ড:তুই তোর বাবার সাথেই যাবি তাই না? আবির: হ্যা। কেন? ফ্রেন্ড: তুই তোর বাবার সাথে সারাদিন কি নিয়ে কথা বলস? আবির: কেন তদের সাথে যা নিয়ে বলি বাবার সাথেও তাই নেয়ে..... বাসায় গিয়ে ফ্রেশ হয়ে খাবার জন্য বসার পর বাবা বলল: রেডি হয়ে থাকিস কাল সকাল সকাল বেরোব। আবির: কালই। হোটেল বকিং করেছ? বাবা: আমার এক বন্ধু কে বলেছি। কাল সকালে বাসে করে আমরা আমাদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রউনা হলাম। হোটেলে পৌছে দেখলাম বাবার বন্ধু আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে। আমাদেরকে দেখে এগিয়ে এসে বাবাকে বলল : এত দেরি করলি কেন? বাবা বললো রাস্তায় যে য্যাম ছিল। তাই আস্তে একটু দেরি হয়ে গেল।( আরে এটাইতো বলা হয়নি বাবার বন্ধুর নাম রফিক)। রফিক তারপর আমেদের কে হোটেলে নিয়ে গেল। আবির বললো অনেক সুন্দর হটেল। আমার কথা শুনে রফিক বললো এতো কিছুই না ভেতরে গেলে বুঝবে। আসলেই ভেতর তা আরো সুন্দর।এখানকার মালিক নাকি এক আক্সিডেন্টে মারা যান। তো ঠিক হলো আমি পশ্চিমের একটি রুমে থাকবো। আমার পাশের রুমেই বাবা থাকবে। তো রাতে খাওয়া দাওয়া শেষ করে আমি আমার রুমে চলে আসলাম। এসে দেখি এখানে একটা বড় আয়না আছে আমি বললাম আয়নাটা অনেক সুন্দর এতে আমাকে দেখতেও ভালো লাগছে। রফিক বলল এটি ব্যালজিয়াম থেকে আনা।আমি আয়নাটা একবার ভালো করে দেখে।ঘুমোতে চলে গেলাম। এখানে দেখলাম টেবিলের উপর কয়েকটি বই ছিল।আমি সেগুলো নিয়া দেখলাম একটা বই ছিল ভৌতিক বিষয় নিয়ে। তখন রাত ছিল বলে আমি তা পরতে সাহস পেলাম না। তাই বাতি বন্ধ করে খাটে এসে ঘুমিয়ে পরলাম। মাঝরাত কেন জেন আমার মনে হচ্ছে কেও একজন অনেক জরে জরে নিশ্বাস নিচ্ছে। আমি ভয়ে ভয়ে সে রাত তা কোন মতে পার করে দিলাম। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমি তারাতারি নিচে চলে গেলাম। দেখলাম বাবা আর রফিক মাছ ধরতে যাচ্ছে। আমি কাল রাতের ঘটনা আর বাবাকে বললাম না। তারা দুজন মাছ ধরতে চলে গেল। আমি আবার আমার রুমে চলে গেললাম। আমার চোখ পড়লো কালকে রাতের সেই গল্পের বই গুলোর উপর। আমি ভাবলাম কালকে রাত ছিল বলে পরতে সাহস পাই নাই এখন সকাল তাই পরতে অসুবিধা হবে না। সেখানে একটা ডাইরিও আছে রাত ছিল বলে খেয়াল করি নি। সেটি পড়তে পড়তে আমার একটি পেজের উপর চোখ আটকে পরলো। সেখানে লেখা আছে কেও যদি ওই আয়নারের সামনে গিয়ে তিনবার মৃত ব্যাক্তির নাম নে তাহলে তাকে দেখা যাবে। আমি তাই আয়নার সামনে গিয়ে বলতে লাগলাম এ বাড়ির চলবে......


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিসপ্ত আয়না

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now