বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

অভি

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X গাড়িতে উঠলাম। মেয়েটি ফোন করে বলল এখনি যাতে তার বাসাই আসি। ওর ফ্যামিলি সব জেনে গেছে। আমার সাথে কথা বলতে চাইছে। অনেক কষ্টে মানিয়েছে তাঁদের। কি আর করা, যেতে হচ্ছে। বন্ধুরা মিলে শপিং করছিলাম, ওদের থেকেই একটা শার্ট পরে বেরিয়ে পড়লাম। ঋতুর বাসা দেয়ানহাট। তাই যেতে হলে নিউমার্কেটে আগে যেতে হবে, সেখান থেকে রিক্সা নিয়ে বা বাসে করে দেয়ানহাট। আমি নতুন ব্রিজ দাঁড়িয়ে, সি এন জি খুঁজছি নিউমার্কেট যাবো। একটা পেয়েও গেলাম। যাত্রী তে ঠাসা। সামনে বসলাম। মার্কেট পোঁছে, গাড়ি ভাড়া দিলাম, কিন্তু ৫০০ টাকার খুচরা ছিল না বলে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছি। ড্রাইভারকে সবাই একেক করে টাকা দিয়ে চলে গেলেও দেখি মধ্যবয়স্ক একজন ভাড়া দিতে পারছে না। শুধু এই পকেট ঐ পকেট চেক করছে। ড্রাইভার জিজ্ঞেস করল, --- ভাই টেকা দেন, উনারে দিতে হয়বো, --- (মানুষটার মুখটা অসহায় হয়ে গেল) --- এতক্ষণ ক্যান? তাড়াতাড়ি দেন, --- আমার মানিব্যাগ পাচ্ছি না,(করুণ সুরে) --- মানে কি? আমারে টেকা না দিয়া যাইতে দিমু না, প্যাঁচাল পাইরেন না, আমারে শিখান? আগে চেক কইরা, গাড়িতে উঠেন নাই ক্যান? টেকা আমার লাগব। বেচারার অবিস্থা দেখে কেমন যেন মায়া হল। বললাম, --- কি হয়েছে আংকেল? --- মানিব্যাগ টা কোথাও পরে গেছে, আসলে টেনশনে আছি একটু। --- (ড্রাইভারকে বললাম) মামা, আমার থেকে উনার ভাড়াটাও নিয়েন, এবার তাড়াতাড়ি ফেরত দেন, মানুষটি আমার দিকে এমনভাবে তাকাল যেন এখনি কেঁদে দিবে। আমি বললাম, --- কিছু মনে করবেন না, আপনার টাকাটা আমি দিয়ে দিলাম, আপনার ছেলে হইলেও কিন্তু এটা করত। আচ্ছা এটাও নিন, গাড়ি ভাড়ার কাজে আসবে, বেচারা কোন কথাই বলতে পারল না, শুধু চোখে বিস্ময় নিয়ে তাকিয়ে আছে। আর চোখে পানি টলমল করছে। বললাম, --- একটা শুভ কাজে যাচ্ছি, একটু দোয়া করবেন যাতে সব ঠিক হয়। --- (আমার মাথাই হাত বুলাইতে বুলাইতে বললেন) দোয়া করি, তুমি যাতে সফল হও বাবা, আমার ফোন নাম্বার উনি নিলেন। দিলাম। তারপরই ঋতু ফোন দিল, --- কই তুমি? (তাড়াতাড়ি বলল) --- এইতো প্রায় চলে এসেছি, তুমি দেয়ানহাট এ দাঁড়াও, --- না, আমি বাসাই আছি, তোমাই ঠিকানাটা টেক্স করছি, বরাবর চলে আসো, একটু পরেই এস এম এস এলো, আমি সেই বরাবর যাওয়া শুরু করলাম। প্রায় ত্রিশ মিনিট পর আমি খুঁজে পেলাম বাসা। ঋতু বেলখনিতে ভাগ্যিস দাঁড়িয়ে ছিল। দরজাই দাঁড়িয়ে কলিং বেল টিপব কি টিপব না চিন্তা করছি, দেখি ঋতু দরজা খুলে দিল। ভিতরে নিয়ে সোফাই বসিয়ে দিল, বলল, --- আমি মা আর বাবাকে ডেকে নিয়ে আসছি, তুমি বস, আই লাভ ইউ, --- হুম, --- আই লাভ ইউ বল, --- আই লাভ ইউ টু, গিয়ে বসলাম। প্রায় ১৫ মিনিট পর ঋতু ঋতুর মাকে নিয়ে এল, সোফাই বসার আগে প্রনাম করলাম। তারপর আরেকজন ভিতর থেকে এল, আর আমি উনাকে দেখে হতবাক, ঋতু বলল, --- বাবা, ও হচ্ছে অভি, উনি আমার দিকে হা করে তাকিয়ে আছেন, আর আমি উনার দিকে। ঐ যে যাকে হেল্প করেছিলাম টাকা দিয়ে, ইনি তিনি। যাক এতক্ষণে বুঝলাম, উনার কি নিয়ে টেনশন ছিল। তবুও, উনি তো দোয়া করেছিলেন, যাতে সব সফল হয়। এবার উনার দায়িত্ব আমাকে সফল করা। আর বাকিটা উপরওয়ালার ইচ্ছে। আপনারাও দোয়া করবেন। লিখাঃ একটি উপসর্গ


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৫ জন


এ জাতীয় গল্প

→ অভিমান
→ অভিমান ভাঙার আলো
→ রঙিন মাছের অভিশাপ
→ জাদুর থালা ও অভিশপ্ত গুপ্তধন
→ কালো ছায়ার অভিশাপ
→ অভিমানী স্যারের চিঠি
→ একটি অভিজ্ঞতার কথা
→ অভিমানে আছো তুমি
→ "রাগ-অভিমান"
→ অভিমান
→ অভিশপ্ত লালদীঘি"
→ ❤️রাগ-অভিমান❤️
→ |জিজেসদের দুঃসাহসিক ভূতুরে অভিযান| পর্ব-২
→ |জিজেসদের দুঃসাহসিক ভূতুরে অভিযান| পর্ব-১
→ এক টুকরো অভিমান

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now