বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার শৈশবের অদ্ভুত স্বপ্নময় কিছুদিন কেটেছে জগদলে । জগদলের দিন আনন্দময় হবার অনেকগুলো কারণের প্রধান কারণ স্কুলের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি । সেখানে কোনো স্কুল নেই । কাজেই পড়াশোনার যন্ত্রণা নেই । মুক্তির মহানন্দ ।
আমরা থাকি এক মহারাজার বসতবাড়িতে,যে বাড়ির মালিক অল্প কিছুদিন আগেই দেশ ছেড়ে ইন্ডয়াতে চলে গেছেন । বাড়ি চলে এসেছে পাকিস্তান সরকারের হাতে । মহারাজার বিশাল এবং প্রাচীন বাড়ির একতলায় আমাদের থাকার ব্যবস্থা। দুতলাটা তালাবদ্ধ।শুধু দুতলা নয়,কয়েকটা ঘর ছাড়া বাকি সবটা তালাবদ্ধ কারণ মহারাজা জিনিসপত্র কিছুই নিয়ে যাননি ।ঐসব ঘরে তার জিনিসপত্র রাখা।ঐ মহারাজার নাম আমার জানা নেই । মাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম,তিনিও বলতে পারলেন না।তবে তিনি যে অত্যন্ত ক্ষমতাশালী ছিলেন তার অসংখ্য প্রমাণ এই বাড়িতে ছড়ানো।জঙ্গলের ভেতর বাড়ি।সেই বাড়িতে ইলে২কট্রিসিটির ব্যবস্থা করার জন্য তার ছিল নিজস্ব জেনারেটর। দাওয়াতের চিঠি ছেপে পাঠানোর জন্যে মিনি সাইজের একটা ছাপাখানা ।
বাবাকে অসংখ্যবার বলতে শুনেছি-মহারাজার রুচি দেখে মুগ্ধ হতে হয় । আহা,কত বই!কত বিচিত্র ধরনের বই।
বিকেলগুলিও কম রোমাঞ্চকর ছিল না । প্রতিদিনই বাবা কাধে গুলিভরা বন্দুক নিয়ে বলতেন-চল বনে বেড়াতে যাই ।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now