বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এখনো সকাল হয় নি। তবুও হাঁটতে শুরু করেছি।
প্রিয়তম কে শুপ্রভাতও বলে ফেললাম। আমরা হাঁটছি তো হাঁটছি। মাঝে মাঝে মরা পাতার উপর পা পরছে। মচ মচ করে সুর তুলছে। রেহানা আমাকে কি যেন বলতে যাচ্ছিল আর আমার মাথাটা ঘুরে গেল। তখন আমরা বনটার মাঝামাঝি। আমি আস্তে করে বসে পরলাম। রেহানার কথা আমার কানে আর যাচ্ছে না। হঠাৎ আমি যেন উঠে দাড়ালাম। দেখলাম চারদিক মানুষের চিৎকার চেচামেচি।
তার মধ্যেই সে আমায় নির্লজ্জের মত চুমু খাচ্ছে। আমি প্রান পনে বলছি আমি তোমাকে ভালবাসি না। ও আরোও জোরে গাল, ঠোট, কপাল, সব খানে তার চুমু একে যাচ্ছে। আমি একবার জোরে তাকে ধাক্কা দিলাম। দেখলাম সে মনোরমা। আমি সত্যিই তাকে ভালোবাসি। কিন্তু রেহানা? সে যে আমার সদ্য বিবাহিত স্ত্রী।
অামি তাকে বললাম মনোরমা শোন,
আমার কথাটা শোন,
আমি তোমাকে পাবার যোগ্য না বলেই
সেদিন ছেরে চলে এসেছিলাম।
প্লিজ আমিকে ক্ষমা করে দাও।
আমি বিবাহিত।
মনোরমা কোন কথা বলে না।
মাটিতে পরে আমার দিকে একমনে তাকিয়ে
দুনয়নের জল ছরাচ্ছে।
আমি বারবার তার চোখের জল মুছতে যাচ্ছি।
সে আরোও দুরে হারিয়ে যাচ্ছে।
পিছন থেকে কে যেন আমায় ধাক্কা দিল আমি মনোরমার কোলে গিয়ে পরলাম।
এবার আমি তাকে জরিয়ে ধরে আদর করলাম।
তারপর বলে উঠলো
তোমার কি হয়েছে?
কণ্ঠ টা রেহানার।
এবার আমি নিস্তব্ধ,
যেন সারা বনের সমস্ত নিরবতা
আমার মাঝে থমকে আছে।
আমি কোন জগতে ছিলাম?
আমি আর কথা বলতে পারিনি সেদিন।
সেই রাতটা ছিল মনোরমার জন্মদিন।
মাঝরাতে আমি প্রত্যেক জন্মদিনে তাকে জাগিয়ে দিতাম।
রাত তখনো অনেক বাকি।
আমরা আবার হাঁটতে শুরু করলাম।
তবে পার্থক্য শুধু
আমার নতুন সঙী
শুন্য হাহাকার বুক, আর অশ্রুশিক্ত দু নয়ন।
হাটছি আর ভাবছি
আমি নিভৃত নিকুঞ্জে আবহমান প্রতারক।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now