বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
**নেতৃত্বের জবাবদিহিতা**
আবদুল্লাহ বিন আবদুল আযীয আমরী মক্কার চত্বরে বসে
আছেন। এর মধ্যে এক ব্যক্তি এসে বললোঃ ওহে আল-
আমরী, আমি দেখলাম একজন খলীফা উমরার অংশ
হিসেবে সাফা আর মারওয়ায় সায়ী করছেন আর তার জন্য
লোক সরিয়ে জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে। আল-আমরী উঠে
বললেনঃ আমার আশা ছিল কেউ আমাকে এরকম কাজের
বোঝা চাপাবে না- অর্থাৎ তুমি যেহেতু আমাকে এই
কথাটা বলেছ- আমার কর্তব্য হল খলীফাকে উপদেশ
দেওয়া যে এমন কাজ ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়।
আল-আমরী তখন ধীর গতিতে খলীফার নিকট গেলেন।
খলীফা ছিলেন হারুন আল্ রশীদ।সাফা পাহাড়ে উঠার পর
আল আমরী খলীফাকে বললেন- আমীরুল মুমিনিন
(বিশ্বাসীদের নেতা), কাবার দিকে লক্ষ্য করুন, কতো
লোক সেখানে দেখতে পাচ্ছেন? আপনি কি তা গুণে শেষ
করতে পারবেন?
হারুন আল্ রশীদ বললেনঃ সত্যি, আল্লাহ ব্যতীত কেউ
বলতে পারবে না কতো লোক কাবার চত্বরে তাওয়াফ
করছে। আল-আমরী বললেনঃ তাহলে মনে করুন, কতো লোক
আপনার খেলাফতের অধীনে রয়েছে। ওহে খলীফা! এটা
জেনে রাখুন যে প্রত্যেক ব্যক্তিকে জবাব দিতে হবে
তার নিজের জন্য। কিন্তু (কেয়ামতের দিন) আপনাকে
জবাবদিহি করা হবে ওদের সকলের জন্য। যেহেতু আপনি
দেশের খলীফা। তাই চিন্তা করুন বিচারের দিনে আপনার
উপর কতোটা বোঝা দেওয়া হবে।
শুনে খলীফা কাঁদতে শুরু করলেন। আল-আমরী বললেনঃ
আরো একটি কথা আপনাকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই।
হারুন রশীদ বললেনঃ ও আমার প্রিয় চাচা , বলে যাও-
যারা নিজেদের সম্পদ অপচয় করে তাদের জন্যই ইসলামে
শাস্তির বিধান আছে। তাহলে চিন্তা করুন যারা তাদের
সমাজের তথা দেশের সম্পদ বিনষ্ট করে, সেখান থেকে
অতিরিক্ত পরিমাণ ব্যয় করে, তারা শাস্তিস্বরূপ কী
পেতে পারে?
এইসব কথা শুনে হারূন আল্ রশীদের ক্রন্দন আরো বেড়ে
গেলো।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now