বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
প্রতিটি নারীর মনে বিবাহ সংক্রান্ত কিছু স্বপ্ন থাকে।একান্ত নিজের মতো করে গড়ে তোলা কিছু স্বপ্ন। কল্পনায় নিজের ভালো লাগা ছুয়ে দেখতে ভালবাসে নারী। নারীরা স্বভাবতই কোমল স্বভাবের হয়। বিয়ের আগে স্বপ্ন আর বাস্তবতার মাঝে বিদ্যমান ব্যাবধানের উপলব্ধি খুব কম নারীই করে থাকে। বিয়ের পর শুরু হয় তাদের স্বপ্ন ভাঙা-গড়ার চুড়ান্ত খেলা। সম্পুর্ন নতুন পরিবেশে নতুন মুখগুলোর সঙ্গে নিজেকে আজীবনের জন্য মানিয়ে নেয়া সহজ কথা নয়। একজন নারী যখন বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে স্বামীর ঘরে প্রথম পা রাখে ঠিক তখন থেকেই তার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু হয়। তাকে শুধু একজন ভালো স্ত্রী নয়, হতে হয় ঘরের লখ্যী বউ, ভালো ভাবি, ভালো মা পর্যায়ক্রমে ভালো দাদী, নানী আরও কত কিছু। বিয়ের পর নতুন দাম্পত্য জীবনে নারীরা বিভিন্ন মনস্তাত্বিক সমস্যার মুখোমুখি হয়।
নতুন পরিবেশ আর নতুন মুখগুলোর মাঝে নিজেকে অসহায় মনে হয়। বিশেষ করে কেউ যদি অন্তর্মুখি হয়।
আপনজনদের ছেড়ে আসার ধাক্কা সজ্য করা সময় সাপেখ্য হয়ে পড়ে। ফলে অনেক নারী মানষিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে।
শশুর-শাশুড়ি ঘরের বউকে মেয়ে না ভেবে কেবল বউ ভাবলে নারীর অসহায়বোধ আরও বৃদ্ধি পায়।
স্বামী যদি ভালো বন্ধু না হয়ে শুধুই স্বামী হয় তাহলে নারীরা মনের ছোট ছোট ভাবনা, মন্দলাগা কিংবা অভিমানের কথাগুলো শেয়ার করতে পারেনা। ফলে বিবাহিত জীবন নিয়ে নতুন জীবনের শুরুতেই নারীর মনে নেতীবাচক ধারনা তৈরি হতে থাকে। মনের ভিতর কথা জমতে জমতে সে অসুস্থ হয়ে যেতে পারে। দীর্ঘদিন এভাবে চলতে থাকলে তার প্রভাব বিবাহ বিচ্ছেদে রুপ নিতে পারে।
অনেক পুরুষ স্ত্রীর মতামতকে মূল্যায়ন করেনা। মতামতের অবমূল্যায়নের জন্য নারীর নিজস্ব চিন্তার জগত, আত্মপলব্ধীর জগত, আত্মসম্মানের জগত ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়ে আসে। নিজের মেধা মননের প্রতি আস্থা কমে আসে। এ বিষয়গুলো একজন নারীর সুখি জীবনের পিছনে অনেকটায় অন্তরায় হয়ে দাড়াই। অপমৃত্যু ঘটতে শুরু করে একজন নববধুর লালন করা স্বপ্নের।
সমস্যা সমাধানের জন্য পুরুষ সমাজকে শুধু শিখ্যিত হলেই হবেনা, তাদের ভিতর সঠিক গ্যান থাকতে হবে। স্ত্রীকে সর্বপ্রথম একজন মানুষ ভাবার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। দৃষ্টিভঙ্গিকে করতে হবে প্রসারিত। নিজের স্বপ্নের পাশাপাশি স্ত্রীর স্বপ্নকেও মর্যাদা দিতে হবে। স্ত্রীর মতামতকে শ্রদ্ধার সাথে গ্রহন করতে হবে। জোর করে নয় ভালোবাসা, মায়া, সহানভুতি দিয়ে স্ত্রীর হৃদয় জয় করুন। (সংখ্যিপ্ত-সংগৃহিত)
সকল পুরুষকে বলছি, "প্লিজ, একবার নিজেকে স্ত্রীর অবস্থানে বসিয়ে ভাবুন! আপনাকে আজীবনের জন্য নিজের পরিবার ছেড়ে চলে যেতে হবে। অন্য পরিবারে গিয়ে তাদেরকে আপন করতে হবে। সেই পরিবারের পরিবেশকে মানিয়ে নিতে হবে। তাছাড়া যদি সেখানকার সবাই আপনাকে সাপোর্ট না করে তাহলে কতটা কঠিন কষ্টকর হবে ভাবতে পারছেন? তাই প্লিজ! স্ত্রীকে শুধুই বউ না ভেবে তাকে অর্ধাঙ্গীনি ভাবুন। সে আপনার জীবনের অর্ধেক। তাই স্ত্রীর সাথে সহযোগিতাপুর্ন আচরন করুন, তার কষ্টগুলো অনুভব করুন, তাকে বুঝে তার সমস্যাগুলো সমাধান করার চেষ্টা করুন, তাকে ভালবাসুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now