বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
জাহিলিয়্যাতের যুগে নারী জাতির কোন মূল্য ছিলনা; বরং একজন নারীকে তার পরিবার, সমাজ ও বংশের জন্য কলঙ্কজনক, অপমানকর এবং অভিশাপ মনে করা হতো। কিন্তু বিশ্বের বুকে মহানবী (সা.)-র আদর্শই নারী জাতিকে শুধু ধর্ম, কর্ম, শিা, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ে নয় বরং তাদের সার্বিক জীবনে প্রতিষ্ঠা করে দিয়েছে সম্মান, মর্যাদা ও অধিকার। নারীদের মানবিক অধিকার প্রদানকারী মহানবী পিতার মর্যাদা সম্পর্কে মহানবী (সা.) এরশাদ করেছেন-
"যে ব্যক্তির কন্যা সন্তান জন্মে আর সে তাকে জীবন্ত অবস্থায় প্রোথিত করে না, হেয় প্রতিপন্ন করে না এবং পুত্রদেরকে তার উপর প্রাধ্যন্যও দেয় না আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাতের অধিকারী বানিয়ে দিবেন।"
অন্যত্র বলেন- "যে ব্যক্তি তার কন্যা সন্তানকে আদর-সোহাগ ও যত্নসহ প্রতিপালন করবে সে বেহেশ্তের অধিকারী হয়ে যাবে।" নারী জাতির জন্য মাতৃত্বের যে মহান মর্যাদা রয়েছে তা একমাত্র রাসূল (সা.)-ই যথাযথ ভাবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। মাতৃত্বের মর্যাদা বর্ণনায় মহানবী (সা.) ঘোষণা করেছেন- "মায়ের পায়ের নিচে সন্তানের বেহেশ্ত।"
অন্য একখানা হাদীসে সন্তানের উপর মায়ের অধিকার তার পিতার তুলনায় তিন গুণ বেশী হওয়ারও প্রমাণ পাওয়া যায়। স্ত্রী হিসেবে নারীর অধিকার দিতে গিয়ে মহানবী (সা.) স্বামীকে নির্দেশ দিয়ে বলেছেন-
"তুমি যা খাবে তা তোমার স্ত্রীকে খেতে দিবে। তুমি যে রকম কাপড় পরবে সে রকম পোষাক পরতে দিবে, তার মুখে প্রহার করবে না। তার সাথে বিরক্তিকর ব্যবহার করবে না। তার দোষ খুঁজে বেড়াবে না। নারীর অর্থনৈতিক অধিকার রণের নিমিত্তেই মহানবী (সা.) পিতা, স্বামী, সন্তানাদি ও অন্যান্য নিকটাত্মীয়ের ত্যাজ্য সম্পদে নারীকে উত্তরাধিকারীও বানিয়েছেন। তার সম্পদে হস্তপে করার কারো অধিকার নেই। এমনকি স্বামীরও নেই। তদুপরিও তার ভরণ-পোষণের দায়িত্ব স্বামীর উপর ন্যস্ত করেছেন। এভাবে বিবাহ, তালাক, শিা, ব্যবসা-বাণিজ্য, লেনদেন প্রভৃতি বিষয়ে নারীকে তার যথার্থ অধিকার দিয়েছেন।
কিন্তু বড়ই দুঃখের বিষয় যে, এই নব্য যুগে নারী স্বাধীনতার মহান স্লোগান ও দোহাই দিয়ে নারীদের সঙ্গে বিভিন্ন দিক হতে প্রতারণামূলক ব্যবহার করা হচ্ছে। জাহেলী যুগের অনুকরণে তথাকথিত বর্তমান আধুনিক সভ্যতার নামধারী কিছু নারী লোভী মৌলবাদি বুদ্ধিজীবিরা বিভিন্ন প্রকারে রসালো স্লোগানের মাধ্যমে নারী জাতিকে ঘর থেকে বাইরে এনে নারী স্বাধীনতার নামে যা চালিয়ে যাচ্ছে মূলত: নারী স্বাধীনতা নয় বরং যৌন ব্যাপকতা ও তা আবাধ করণের প্রচেষ্টা।
আধুনিক সভ্যতা নারীকে যে স্বাধীনতা দিতে চায় বস্তুত একটি প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়। প্রকৃত রুপে এটা স্বাধীনতা নয় বরং এমন একটি প্রচেষ্টা যা প্রাচীন কালের দাসত্ব প্রথার নতুন রুপ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now