বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
নামাজ কে বলো না আমার কাজ আছে কাজ কে বলো আমার নামাজ আছে
X
...লেখক:মো:রাকিবুল ইসলাম,,,,,,
ইরাকের রাজধানি বাগদাদে আলিশা নামে একটি মেয়ে ছিল। আলিশা ছোট বেলা থেকে নামাজ,রোজা.কোরআন তেলওয়াত সবকিছু নিয়মিত করতে । মেয়েটি একেবারে ধার্মিক ছিল। দিন গেলো বছর যায় মেয়ে বড় হয়ে গেলো। তো আলিশার মা বাবা আলিশার বিয়ে দিতে চাইলেন । আলিশা রাজি হয়ে । আলিশার বিয়ে ঠিক হলো একটা ধার্মিক ছেলের সাথে। আজকে আলিশার বিয়ে সবকিছু সাজানো হয়েছে। তাকেও বধু সাজানো হয়েছে। তখন যোহরের আজান দিলো। মেয়েটি ।নামাজ পড়তে যেতে চাইলো। তখন তার মা তাকে বললো একটু পর ছেলে পক্ষ এসে যাবে এখন নামাজ পড়ার দরকার নেই পরে পড়ে নিও। মেয়েটি বললো আমাকে আল্লাহ তাহালা পাঠিয়েছেন তার এবাদত করার জন্য। সুতারাং আমি এখন নামাজ পড়তে যাবো। মেয়েটা তার কথামতো নামাজ পড়তে চলে গেলো এই দিকে ছেলে পক্ষ এসে গেছে। তখন। মেয়েটির মা ভাবতে লাগলেন এখনো আসতেছে না কেন। তাই তিনি ঘরে গেলেন গেয়ে দেখেন মেয়ে সিজদা অবস্থায় আছেন। যখন তাকে একটু তার মা ধাক্কা দিলো। মেয়েটি মাঠিতে পড়ে গেলো। আর বোজার বাকি রইলো না সে মারা গেছে। ....যে ব্যাক্তি নামাজ পড়া অবস্থায় মারা যাবে সে ব্যাক্তি শহিদের মৃত্য বরণ করে। তাই মেয়েটি যদি ।তখন নামাজ পড়তে না যেতো। তবে মেয়েটি। শহিদের মৃত্য বরণ করতে পারতো না। ....তাই আমরা সবাই আজান দেওয়ার সাথে সাথে নামাজ পড়ার চেষ্টা করবো। আমরা জানি না ।যে আমারদের কার মৃত্য কখন হবে। তাই নামাজ কে কখনো বলবো না আমার কাজ আছে,,,,,,,,,কেমন লাগলো প্লিজ কমেন্ট করে বলবেন,....
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now