বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

নাগরদোলা

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ফেরদৌস ইবনে আবু বকর (০ পয়েন্ট)

X বছরখানেক আগের কথা। আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের এক ঘটনা। সেখানে এক নির্জন এলাকার মাঠে জমিদার বাড়ির পাশে নববর্ষ উপলক্ষে এক বিশাল মেলার আয়োজন করা হয়েছিল। সপ্তাহ ব্যাপী মেলা চললো। বহু দূর হতে মানুষ এ মেলায় এসেছিল। মেলাটি এক জমিদার বাড়ির পাশে হওয়ায় মেলায় অনেক লোক হয়েছিল। মেলা যেদিন শেষ হয়ে যায় সেদিন শুধু ১টা নাগরদোলা ছাড়া দোকানপাট সব তুলে যায়গাটা পরিষ্কার করা হয়েছিল। নাগরদোলাটা বেশ বড় আর কারেন্ট দিয়ে চলে। মেলার শেষ দিন নাগরদোলাটার কিছু সমস্যা দেখা যায়। তাই সেটা সেদিন বন্ধ ছিল। মেলা শেষ হয়ার পরের দিন রাতে সেখানকার গার্ড মিস্ত্রী ডেকে সেটা ঠিক করে। ঠিক করতে করতে প্রায় রাত আড়াইটা বেজে যায়। কাজ শেষে মিস্ত্রিরা সেখান থেকে চলে যায়। তারপর সেই গার্ড সব সুইচ বন্ধ করে রুম তালা দিয়ে বের হয়ে দেখল নাগরদোলাটা চলছে। তাই সে ভাবলো নাগরদোলাটার সুইচ বন্ধ করা হয়নি। তাই আবার তালা খুলে সুইচ বন্ধ করে বের হয়ে এসে দেখলো আবারো নাগরদোলাটা চলছে। এবার তিনি বেশ ভয় পেলেন। এদিক-ওদিক টর্চের আলো দিয়ে কাউকে দেখতে পেলেন না। তাই তিনি মেইন সুইচ অফ করে দিলেন তারপর নাগরদোলাটা বন্ধ হয়ে গেল। তখন তিনি রুমে তালা দিতে সে জমিদার বাড়িতে ঢুকল কিন্তু বেরিয়ে আসার সময়..... হঠাৎ.....দরজা বন্ধ হয়ে যায়। সে তো ভয়ে মারা যাওয়ার মত অবস্থা। মেইন সুইচ অফ করায় কোনো বাতি জালানো যাচ্ছিল না। তাই সে তার টর্চ জালিয়ে দরজা ভাংগার চেষ্টা করল। কিন্তু কোনো লাভ হলো না। তখন তিনি ভাঙা জালানা দিয়ে দেখলো। নাগরদোলাটা আবার চলছে। কিন্তু এবার সেই নাগরদলায় ১টা সাদা কাপড় পড়া মহিলা আর তার পাশে এক বাচ্চাকে দেখতে পেল। তখন সেই মহিলাটা ১টা ছুড়ি বের কর বাচ্চাটাকে মেরে ফেলল। তারপর সেই মহিলা নাইটগার্ডটার দকে তাকিয়ে হাসতে থাকল। আর তখনি নাগরদোলাটা অনেক জোরে ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ থেমে গেল আর মহিলাটাও উধাও! কিছুক্ষণ পর সে দেখল, পেছনের দেয়ালটা রক্ত দিয়ে ভিজা। হঠাৎ.... একটা বাচ্চার কান্নার আওয়াজ। আওয়াজটা পাশেরর রুম থাজে আসছে। কিছুক্ষণ পর আওয়াজটা থেমে গেল। তখন হঠাৎ তার মনে হচ্ছে কিছু একটা তার ঘারের উপর দারিয়ে আছে। উপরে তাকিয়ে দেখলো সেই মহিলাটা গলায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছে আর তারদিকে চোখ বড়বড় করে তাকিয়ে আছে। সেটা দেখে সে নাইটগার্ডটা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরদিন সকালে তার মাথাহিন লাশ পাওয়া যায়। কিন্তু তার মাথা পাওয়া যায়নি। শোনা যায় ওই এলাকায় এক মহিলা তার ৪বছর বয়সী মায়েকে হত্যা করে নিজেও গলায়দড়ি দিয়ে মারা যায়।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ নাগরদোলা
→ নাগরদোলা!!
→ নাগরদোলা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now