বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৮

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Ruhul Amin Raj (০ পয়েন্ট)

X আশ্চর্যের ব্যাপার খারাপ হচ্ছে না। বরং মজা লাগছে। অঞ্জলি ঘোষের গানের পুরোটা শোনা হলো না এইজন্যে একটু আফসোস হচ্ছে। ‘হায় মদিনাবাসী’ বলে চমৎকার টান দিচ্ছিল। থানার ওসি সাহেবের চেহারা খুব ভালো। মেজাজও বেশ ভালো। চেইন স্মোকার। ক্রমাগত বেনসন অ্যান্ড হেসেজ টেনে যাচ্ছে। বাজারে এখন সত্তর টাকা করে প্যাকেট যাচ্ছে। দিনে তিন প্যাকেট করে হলে মাসে কত হয়? দুশো দশ গুণন তিরিশ। ছ হাজার ত্রিশ। একজন ওসি সাহেব বেতন পান কত, একফাঁকে জেনে নিতে হবে। ওসি সাহেব শুরুতে প্রশ্ন করেন ভাববাচ্যে। শুরুর কয়েকটি প্রশ্নে জেনে নিতে চেষ্টা করেন আসামি কোন্‌ সামাজিক অবস্থায় আছে। তার ওপর নির্ভর করে আপনি, তুমি বা তুই ব্যবহৃত হয়। ওসি সাহেব বললেন, কী নাম? চৌধুরী খালেকুজ্জামান। ডাকনাম টুটুল। কী করা হয়? সাংবাদিকতা করি। কোন্‌ পত্রিকায়? বিশেষ কোন পত্রিকার সঙ্গে জড়িত নই। ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতা। যেখানে সুযোগ পাই ঢুকে পড়ি। টুটুল চৌধুরী এই নামে লেখা ছাপা হয়। হয়তো আপনার চোখে পড়েছে। পুলিশের উপর একটা ফিচার করেছিলাম। কী ফিচার? ফিচারের শিরোনাম হচ্ছে–একজন পুলিশ-সার্জেন্টের দিন-রাত্রি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে কী করতে হয় তাই ছিল বিষয়। অবশ্যি একফাঁকে খুব ড্যামেজিং কয়েকটা লাইন ঢুকিয়ে দিয়েছিলাম। যেমন? বলেছিলাম এই পুলিশ-সার্জেন্ট তাঁর একটি কর্মমুখর দিনে তিন প্যাকেট বেনসন অ্যান্ড হেসেজ পান করেন। তিনি জানিয়েছেন টেনশন দূর করতে এটা তাঁর প্রয়োজন। অবশ্যই তিনি খুব টেনশনের জীবনযাপন করেন। এই বাজারে দিনে তিন প্যাকেট করে বেনসন খেলে মাসে দুই হাজার তিনশো টাকা প্রয়োজন। আমাদের জিজ্ঞাস্য তাঁর বেতন কত? ওসি সাহেব ভুরু কুঁচকে আমার দিকে তাকালেন। আমি হাসিমুখে বললাম, তবে শেষের লাইন তিনটা ছাপা হয় নি। এডিটর সাহেব কেটে দিয়েছেন। পুলিশের বিরুদ্ধে কেউ কিছু ছাপাতে চায় না। ওসি সাহেব শুকনো গলায় বললেন, আপনার বিরুদ্ধে অভিযোগ কী? আমি স্বস্তির নিশ্বাস ফেললাম। যাক আপনি করে বলছে। সামাজিক স্বীকৃতি পাওয়া গেল। এখন চাইলে এক কাপ চাও চলে আসতে পারে। পুলিশেরা উঁচুদরের আসামিদের ভালো খাতির করে। চা সিগারেট খাওয়ায়।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৪০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৬ শেষ পাতা
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৫
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫৩
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫২
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৫০
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৯
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৮
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৭
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৬
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৫
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৪
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪৩
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪২
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪১
→ ময়ূরাক্ষী পৃষ্টা ৪০

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now