বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এরপর যখন মৎস্যরাণী সুস্থ হলো । তখন কুশ তার কাছে ক্ষমা চাইল । বললো আমি তোমাকে না দেখে আঘাত করেছি । মৎস্য রাণী বলল,ঠিক আছে । এরপর কুশ তাকে বাড়ি নিয়ে গেল । কুশ তার প্রতি খুব যত্নশিল হয়ে পড়লো । প্রতিদিন কুশ বিকেলে মৎস্যরাণীকে নিয়ে ঘুরতে যায় । নানা ধরনের খাবার আর বিলাসিতা দেয় । এক কথায় সে মৎস্যরাণীকে ভালবেসে ফেলে । আর মৎস্যরাণীও কুশের প্রতি দুর্বল হয়ে পড়ে । দুর্বল বলতে সত্যি সত্যি তাকে ভালবেসে ফেলে । এদিকে অক্টোপাস তাকে বার্তা পাঠালো । তাই সে ৩ঘন্টার জন্য অক্টোপাসের কাছে গেল । অক্টোপাস তাকে জিজ্ঞেস করলো কাজ হয়েছে কি?
মৎস্যরাণী মাথা নেড়ে না করলো । এরপর অক্টোপাস তাদের সব ঘটনা শুনলো । অক্টোপাস মনে মনে খুব কষ্ট পেল । কারণ সেও মৎস্যরাণীকে খুব ভালবাসে । সে জন্য কিছুই বললো না । মৎস্যরাণী কুশের কাছে চলে গেল । এরপর অক্টোপাস কুশকে মারার জন্য নিজেই কুশের আস্থানায় গেল । কিন্তু ওখানে গিয়ে সে ধরা পড়ে গেল । তখন অক্টোপাস বলল তার লেজ গুলো আসল না । আগলা লাগানো হয়েছে । কিন্তু কেউ তার কথা বিশ্বাস করলো না । তাই তাকে ধরা হলো যন্ত্রপাতির ব্যবস্থা করল তাকে পরীক্ষা করার জন্য ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now