বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মৎস্যরাণীর শরীরে বিষক্রিয়া শুরু হয়ে গেল । এরপর সে সুযোগ বুঝে কুশের রুমে ঢুকে পড়লো । রুমে ঢুকে সোফার নিচে লুকালো । তখন কুশ সোফার পাশে ড্যান্স করছিলো । তাই মৎস্য রাণী শরীরে বিষক্রিয়া নিয়েও তাকে মারার জন্য ছুরি বের করলো । কুশের পা মাপ করে ছুরি মারলো কয়েকবার । কিন্তু নাচের তালে কুশের পা সরে যাচ্ছে । ফলে তার ছুরি মারা হলো না । তাই এরপর মৎস্যকুমারীর হাত কুশের পায়ের নিচে চাপা পড়ল । তার হাতের চাপে খুব ব্যথা অনুভব করছে । তাই মৎস্যরাণী তার পা সই করে যেই ছুরি মারলো । অমণি কুশের পা সরে গেল । ফলে ছুরিটা মৎস্য কুমারীর হাতে বিধে গেল । মৎস্যকুমারী অনেক কষ্টে ছুরিটা ছাড়ালো । এরপর কুশ একটা লাঠি দিয়ে কুংফু ব্যয়াম করতে লাগলো । এদিকে মৎস্যকুমারী আর পারছে না তাই রাগের মাথায় এক লাফ দিয়ে যেই কুশকে ছুরি মারতে গেল । অমণি কুশের লাঠিটা জোরালো ভাবে মৎস্যকুমারীর মাথায় লাগলো । মৎস্য কুমারী চিৎকার করে উঠলো । এই চিৎকার সবাই শুনতে পেল । অবাক করা বিষয় কুশ কিছুই বুঝতে পারলো না । তাই কুশ নিজেকেই অপরাধী ভাবল আর মৎস্যরাণীর চিকিৎসার ব্যবস্থা ততক্ষণাৎ করল । এরপর চিকিৎসার সময় কুশ মৎস্য রাণীর পাশেই ছিল ।।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now