বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মর্মান্তিক ভালোবাসা

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Forhad Ali (০ পয়েন্ট)

X মেয়েটার নাম হলো প্রান্তি। দেখতে খুবই সুন্দরী পরীর মতোন। বড়লোক বাবা-মায়ের এক মাত্র মেয়ে। মেয়েটাকে একটা ছেলে খুব ভালোবাসত। ওরা দুই জন একই স্কুলে পড়তো। বলতে পারেন, ছেলেটা জীবনের থেকেও বেশি ভালবাসত মেয়েটাকে। ছেলেটা মেয়েটাকে অনেক বার প্রস্তাব করে। কিন্তু, মেয়েটা রাজি হয় না, বরং মেয়েটা ছেলেটাকে নানা ভাবে অপমান করতো। কারণ ছেলেটা দেখতে ভালো ছিল না, তার উপর আবার গরিব ছিল। মেয়েটা কোন দিন ছেলেটার মন বুঝার চেষ্টা করে নি। তারপর মেয়েটা ওই স্কুল থেকে চলে আসে। . . ছয় বছর পর... মেয়েটার বিয়েতে মেয়েটা ছেলেটাকে নিমন্ত্রন করে। তারপর মেয়েটা ছেলেটাকে ডেকে বলে, "তোমাকে ভালো না বেসে সব চেয়ে ঠিক কাজটা করেছি। তোমাকে ভালোবাসলে, আজকে ওর মতন একটা স্বামী পেতাম না" ওর আমাকে দেওয়ার মতন সবই আছে, ওই আমাকে বিয়ে করার যোগ্য। তুমার কি আছে?" এই বলে মেয়েটা বিয়ের পিড়িতে বসতে চলে যাচ্ছিল। তখন ছেলেটা, মেয়েটার পিছন থেকে অশ্রু চোখে ডাক দিয়ে বললো: "সত্যিইতো তুমাকে ভালবাসার মতো আমার কিছুই নেই..... তুমি ওকে বিয়ে করলে তুমি সত্যিই সুখী হবে, এই বলতে- বলতে চোখের জল মুছে-নিল। তার পর মেয়েটার বিয়ে হয়ে যায়। দুই বছর পর "ছেলেটা তখনও বিয়ে করেনি। ছেলেটার কাছে হঠাৎ করে খবর আসে মেয়েটা অসুস্থ। তখন রাত ১২.৩০, তক্ষণই ছেলেটা চলে যায় হাসপাতালে। আর শোনে মেয়েটার দুইটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে। খুব দ্রুত মেয়েটার জন্য কিডনি প্রয়োজন। কোনো জায়গায়ই কিডনি পাওয়া যাচ্ছে না॥ তখন ছেলেটা বললো আমিই ওকে কিডনি দিবো! ডাক্তার বললেন, আপনি তো একটা কিডনি দিতে পারবেন, কিন্তু মেয়েটার তো দুইটা কিডনির প্রয়োজন। ছেলেটা বললো আমি ওকে দুইটা কিডনিই দেব। ডাক্তার বললো দুটো কিডনি দিলেতো, আপনি নিজেই মারা যাবেন। ছেলেটা তখন বলে, আমি মারা গেলেও কোনো সমসসা নেই, ওকে বাচাতেই হবে। কারণ আমি ওকে ভালোবাসি। আমি ওকে ছাড়া বাচঁতে পারবো না। তার থেকে এই ভালো যে, আমি ওর মাঝেই বেচেঁ থাকব। ছেলেটা তার দুটো কিডনিই দান করে দেয়। তারপর ছেলেটা মারা যায়। কিছু দিন পর মেয়েটা সুস্থ হয়ে ওঠে। বেশ কিছু দিন পর মেয়েটা তার স্বামীকে জিজ্ঞাসা করে, আচ্ছা আমাকে কিডনি কে দিয়েছে.....? তক্ষণ তার স্বামী মাথা নিচু করে বলল- "যে ছেলেটি তোমাকে ভালোবাসত,। সেই ছেলেটিই তোমাকে কিডনি দিয়েছে" এই কথা শূনে মেয়েটার চোখ দিয়ে ঝর-ঝর করে জল পড়তে লাগল। আর তখন মেয়েটা বুঝতে পারে, ছেলেটা তাকে কতটা ভালোবাসত। কিন্তু তখন বুঝে কি লাভ? ছেলেটাই তো আর নেই! সে তো এখন দূরে, অনেক দূরে।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৪ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মর্মান্তিক ভালোবাসা

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now