বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মৃত্যু কামনা
#SaY£D CHy
কতটা অদ্ভুত লাগে কেউ তার মৃত্যু কামনা বিছানায় করে।গল্পটা শুরু করার আগে বলি বোন প্লিজ নিরাপদে থাইকো।তোমার সাথে আরও দুইজনের স্বপ্ন আছে।
দুইবছর আগে....
০৯/০৫/২০১৮
কিরে দুইদিন ধরে দেখছি মোবাইলটা হাত থেকে ছাড়ার কোনো নাম গন্ধ নাই!!(মা)
আরে মা টেক এ চিলপিল!!(মিশু)
একদিন এ মোবাইলই তোর বিপদ টানবে!!(মা)
মায়ের কথাটা হয়তো মানলে আজ এ দিন দেখতে হতো না।চোখে হালকা পানি চলে আসলো।
মিশু ঘরে এ কয়দিন কারও সাথে ফোনে বেশি সময় ব্যয় করে।মধ্যবিত্তের মেয়ে হলেও মা -বাবা পড়ালেখায় কমতি রাখেননি।টেনে সবে উঠেছে।
অনেক জিদ করে মা-বাবা থেকে মোবাইলটা নিয়েছে।মোবাইল নেওয়ার পর ফেসবুক হতে সব সোসাইল মিডিয়ায় নিজের নামটাও লিখিয়েছে।
রিফাত নামের একটা ছেলের সাথে প্রতিদিন কথা বলে। সারাদিন ছেলেটার সাথে কথা চলে।
আজ তাদের দেখা হবে।
কি জানি কি হল তাদের দেখা ডিলে হয়ে গেল।রিফাতের সমস্যার জন্য।
--আজ আসো নাই কেন??(মিশু)
--আজ আমার একটা কাজ ছিল তাই!!(রিফাত)
--ওও(মিশু)
--আচ্ছা দেখি কবে দেখা করতে পারি নাকি!(রিফাত)
মিশুর সারাদিন মোবাইলে দেখে তার মায়ের বিরক্ত লাগছে। সামনে পরীক্ষা কিন্তু মোবাইল পাওয়ার তো তার কোনো চিন্তা নাই।
আগে মিশু তার পরিবার গ্রামে থাকতো।গ্রামের মানুষের চিন্তাধারণা ছিল মেয়ে সামান্য বিয়ে হলে তাদের বিয়ে দিয়ে দেওয়া।
তার মাকে বহু কথা শুনতে হয়েছে। তাই তো মেয়েকে পড়া লেখা ভালো ভাবে করানোর জন্য গ্রাম ছেড়ে এসেছেন।
মায়ের অজোরে কান্না মেয়ের বুক একবারও ফাটলো না।মায়ের চিন্তাটা তার যাই আসে।
মায়ের জায়গায় এখন মোবাইলটা দখল করেছে।
ছোট ছোট কথায় রাগ করে আর রুমে নিজেকে বন্ধ করে রাখে।কিছুক্ষণ পর মাকে ধমকের সুরে খাবার চাই।
শেষ পর্যন্ত তাদের মিট করার সময় এল।সকাল থেকে খুশি মিশু। মাকে বলে রেখেছে আজ সে আসতে লেইট হবে তাই চিন্তাটা কম করতে।
অনেক লেট...
মায়ের ঘুমটা চলে গেছে।বাবাকে বলেছে পড়ার জন্য বন্ধুর বাসায় গিয়েছে আর আজ আসবে না হলে এতক্ষণে দুইটা মার্ডার হত। প্রথমে মিশুকে মেরে ফেলতেন আর নিজেকে।
মা অনেক টেনশনে আছেন।মায়ের ভিপির প্রবলেম আছে।তাই ডাক্তারের দেওয়া ওষুধ খান।
মেয়ে এখনও ফিরেনি।
সকাল সকাল...
হ্যালো!!(বাবা)
স্যার আপনি কি মিশু চৌধুরীর বাবা??
জ্বি!!(বাবা)
আপনার মেয়ে হসপিটালে!!!
বাবা জান আটকে গেল।দৌড়াতে লাগলেন!! মেয়ের কিছু হয়নি তো।হসপিটালে আধা জলা অবস্হায় মিশু।
পুরো মুখ জ্বালিয়ে দিয়েছে।আর মিশুকে ধর্ষণ করা হয়েছে।
এটা শুনার পর বাবার মাথায় বাঝ ভেঙ্গে পড়লো।নিজে না খেয়ে মেয়েকে খাইয়েছেন।যত্ন টা ভালো ভাবে নিয়েছে। কিন্তু স্বপ্ন ভাঙতে দুই মিনিট লাগলো না।
মোবাইলটা হয়তো ছোট জিনিস।কিন্তু বড় একটা স্বপ্নকে ধ্বংস করতে মিনিট খানেক লাগাই না।
-stay normal
-stay safely
-stay careful
-be serious
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now