বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ভয়ানক চমকে উঠল । লায়লার গাড়ি । লায়লা কোথায়? রাগীব দৌড়ে যায়। গাড়ির পাশে শিশির ভেজা ঘাসের ওপর পড়ে আছে লায়লা। পরনে জিন্স। সোয়েটার। দেখেই মনে হল ডেড। ফ্যাকাশে মুখে চাঁদের আলো সরাসরি এসে পড়েছে। শরীরে আঘাতের চিহ্ন নেই। শ্বাসরোধ করে। জিভ বেরিয়ে আছে। কিন্তু কে ওকে খুন করল? রাগীব, পুলিসে ফোন কর । প্লিজ। কাঁপা কাঁপা কন্ঠে মোহনা বলে। না। কেন? মোহনা অবাক। পুলিস এলে ঝামেলা হবে। রাগীব বলল। রাগীবকে কেমন অস্থির আর উদ্ভ্রান্ত লাগছে ।
হঠাৎ রাগীব মেয়েটির নিষ্প্রাণ দেহের ওপর পড়ে কাঁদতে থাকে। বারবার বলে, আমায় ক্ষমা কর লায়লা। আমায় ক্ষমা কর । মোহনা স্তব্দ হয়ে যায় । মনে হল পায়ের তলার মাটি থরথর করে কাঁপছে।তীক্ষ্ম কন্ঠে প্রশ্ন করে, তুমি ওকে চেন? হ্যাঁ। চিনতাম বলে দ্রুত উঠে দাঁড়ায় রাগীব। তারপর চোখের পলকে টয়োটা আভানজায় উঠে স্টার্ট নেয়। দেখতে দেখতে গাড়িটা কুয়াশায় মিলিয়ে যায়। মোহনা দীর্ঘশ্বাস ফেলে। ওর আর এ জীবনে আমার সামনে এসে দাঁড়ানোর সাহস হবে না। হঠাৎ মুক্তি পেয়ে গাঢ় ক্লান্তি বোধ করে মোহনা। রউফ মিঞার দিকে তাকালো।
তারপর লায়লার মৃতদেহের দিকে তাকিয়ে মোহনা বলল, আপনি খালি খালি ঝামেলায় পড়লেন। রউফ মিঞা মাথা নেড়ে বলে, না আফা, কুনও ঝামেলা হইব না। লাশ টাস এইহানে বেশিক্ষণ থাকব না। কেন? মোহনা অবাক। মহিলারে যে মারছে লাশ হেই সরাই ফেলব। আপনি তাকে কখনও দেখেছেন? রউফ মিঞা বলে, হ মাঝে মাঝে ত দেখি। অনেক দিন ধইরা এই বাড়িত আছি। না দেইখা পারি? আপনার কোনও ক্ষতি করে না? না।আমার ক্ষতি করব ক্যান? যাগো মন পরিস্কার তাগো তারা ক্ষতি করে না। এ বাড়িতে কে থাকে ? প্রশ্নটি না-করে পারল না মোহনা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now