বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আজ অনেক দিন পর ঘুড়তে বের হয়েছিলাম। , জার্নিটা ও ছিলো অনেক টা লম্বা সময়,,।।
সকাল ১০টা থেকে সন্ধাঁ ৬টা পর্যন্ত,,,।
,
এর মধ্যে চিড়িয়াখানা,, বোটানিক্যাল গার্ডেন আরো অনেক জাগাতে ই ঘুড়াঘুড়ি হলো,,,যদিও আমাদের পাশের এলাকায় দোনোটা,,, মাত্র পাঁচ মিনিটের দুরত্ত্ব,,,।
,
তো ঘুড়তে ঘুড়তে একটা জিনিস ভাবলাম যে মানুষ ধর্ষক হিসেবে অনেকে ই পুরুষদের দায়ী করেন, আবার অনেকে পোষাক কে ও দায়ী করেন,,,
ব্যাপার টা ভেবে দেখলাম যে যে পুরুষ গুলো নাবালিকা মানে ছোট্ট বাচ্চা (মেয়ে) তাকে ও ধর্ষনের স্বীকার হতে হয় পুরুষের কাছে সেখানে একজন পুরুষের কারনে সব পুরুষের ই বদনাম হয় + নিজে কে পুরুষ ভাবতে ও খুব খারাপ লাগে যে অসহায় ছোট্ট মেয়েটা কে ও পর্যন্ত রেহাই দে না জানোয়ারর বাচ্চা গুলো,,,,।
,
নোয়াখালি এমনি একটা ঘটনা ঘটেছে যা মিডিঢা + ফেসবুক + অনেক খবর কাগজে পড়রলাম যে হাফেজী মাদ্রাসার শিক্ষিকা কে ধর্ষন করেছে,,,।।
যারা ধর্ষন করেছে আল্লাহ ঐ জানোয়ার গুলোদের শাস্তি দিক,,, আমিন,,।
,
আজ বোটানিক্যাল গার্ডেনে যখন আমরা বন্ধু রা ডুকলাম,, অনেকক্ষন হাটাঁহাটিঁ করলাম,, মজা করলাম ছবি তুললাম, তারপর একটা জাগাতে গিয়ে বসলাম,,,।
হঠাৎ দেখলাম চার টা মেয়ে এবং একটা ছেলে যাচ্ছে আমাদের পাশ কাটিয়ে,,, আমরা ছিলাম ছ'জন,,,
এক বন্ধু তাদের কে দেখে কমেন্ট'স করে বললো যে→→
,
"""শালার ভাবতেছি প্যান্ট আর কিনমুনা লুঙ্গী পরে ই ঘুরমু,, আমি বললাম কেন??
তখন ও বললো যে দেখ দোস্ত প্যান্টের দাম যে হাড়ে বাড়তেছে আর ওড়নার দাম যে হাড়ে কমতেছে সেই জন্য ভাবতেছি যে প্যান্ট না কিনে ওড়না টা লুঙ্গীর মত করে ব্যাবহার করবো,,,।।
আমি বললাম ধ্যাত এটা আবার হয় না কি??
ও বললো হবেনা কেন?? দেখ মেয়েদের কারনে ইদানিং আমাদের প্যান্ট পাচ্ছিনা মেয়েরা ই সব কিনে নিয়ে যায়,,, ডার দরুন প্যান্টের দাম টা ও সীমাছারা,, আর ওড়নার দাম কম,,
,
আমি বললাম তুই কি ওদের দেখে কমেন্ট'স টা করেেছিস???
সানি বললো হ্যাঁ,,, কারন যে চার টা মেয়ে একটা ছেলের সাথে এসেছে তার ভিতর মেয়েদের পোষাক টা ছিলো ""একটা শর্ট জামা এবং টাইট প্যান্ট। , বুকে ওড়না নেই, ফিগার গুলো পাঞ্চিং হচ্ছে,, মানে লাফাচ্ছে হাঁটার কারনে,, (দুঃখিত খারাপ কথাটা বলার জন্য),,
আর সেদিকে সবাই হা করে তাকিয়ে মজা নিচ্ছে,,,
সানি বললো ওদের কারনে ই প্যান্টের দাম আজ বেশি,,,,।। কথাটা কিন্তুু আসলেই বাস্তব,,,।
,
তারা বেশ কিছুদূর যাবার পর বেড়ীবাঁধ এর ওখানে গ্রী-পথ মানে দেয়ালের সাথে মিশানো যে চিপা রাস্তা সেখানে আড্ডা মারতেছে,,, সেখানে আবার আমার একটা ফ্রেন্ড প্রাইভেট গাড়ী নিয়ে আমরা আসছি জেনে , যাক ভালো ই ও গাড়ী নিয়ে আসছে,,
তো কিছুক্ষন পর দেখলাম সেই মেয়ে গুলো ইভটিজিং এর স্বীকার হলো,,মানে ১০-১৫ জন ছেলে হবে।
সম্ভবত তারা বেড়ীবাধঁ এর স্থানীয় বা ওদিকের ই,, তারা মেয়ে চার টা আর ছেলেটা কে ঘিড়ে ফেললো এবং বলতে লাগলো অনেক খারাপ ধরনের কথা যা মুখে আনতে ও লজ্জ্বা লাগে,,
জাস্ট একটা শুনুন→ মাইন্ড খাইয়েন না,,, ঐ ছেমরী এখন যদি তোর বুকের উপরের জামাটা ছিড়ে ফেলি তাহলে তোর দুধ এখানে বেঁচে অনেক টাকা কামানো যাইবো,, আরো অনেক বাজে কথা,,,
,
আশে পাশে অনেক প্রেমিক প্রেমিকা এই ব্যাপার টা উপভোগ করতেছে কিন্তুু কেউ কিছু বলার সাহস পাচ্ছে না,।।
অনেকক্ষুন পর আমরা ৮জন গেলাম এবং গার্ডেনের দু'জন অফিসার সহ,,,,
গিয়ে সব মিটিয়ে ফেললাম,,, এবং মেয়েটা কে বললাম যে আপনার কি ঘড়ে →ভাই বা আব্বু নেই?? মানে কোন পুরুষ আছে????
সে বললো হ্যাঁ,,, কেন??
আমি তখন বললাম এই যে দেখুন যে ১০জন ছেলে আপনাদের আটকালো তাদের আটকানোর কারন হলো আপনাদের পোষাক যতটা সম্ভব,,, আপনার পেষাকের নিচ দিয়ে নাভী + ফিগার দেখা যাচ্ছে তাতে তাদের উত্তেজনা বেড়ে যাওয়াতে এই ঘটনা ঘটলো,, তো আপনি যদি এই সেম পোষাক পরে যদি বড় ভাই বা ছোট ভাই বা কাজিন বা আব্বু তার সামনে ঘোড়ের তাহলে তাদের ও কিন্তুু একটু হলে ও উত্তেজনা আসবে যার কারনে কবিরা গুনাহ হবে,,
,
তাই এসব পোষাক ছেরে দিয়ে একটু পর্দাশীল হোন কারন পর্দাশীল নারীর অনেক সম্মান,,
কথা গুলো বোধোয় মেয়েগুলো বুঝতে পারছে যার কারনে যাওয়ার সময় ""সরি"" বলে গেলো,,
,
বিদ্রঃ এটা বললাম কারন সত্যি ই আজ যদি ঐ মেয়ে গুলো পর্দাশীল হতো বা বোরকা পরা হিজাবশীল হতো তাহলে অন্তত এইরকম ঘটতোনা তাদের সাথে,,,।।
তাই মনে করি যে ধর্ষন হবার দায়ী কিন্তুু তাদের পোষাক ও বটে,,,।।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now