বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মনগড়া

"ছোট গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোঃ ছহিনুর রহমান বিন মনির (০ পয়েন্ট)

X ... দরজা খুলে ঘরের ভেতরে ঢোকার মুখে মেয়েটিকে কঠিনস্বরে কথা শোনাতে কার্পণ্য করি না এবার। কারণ আমি জানি সহজ কথাতে তাকে অযথায় প্রশ্রয় দেয়া হবে। আমি বলি, "দেখুন, ঘরে এবার আমি একা ঢুকব। আপনি ঢুকবেন না। কোথায় যাবেন সেটাও আমি জানতে চাই না।" . মেয়েটাকে কিছু বলবার সুযোগ না দিয়ে ভেতরে ঢুকে যাই আমি। তারপর তার মুখের ওপর ধড়াম করে দরজাটা লাগিয়ে দিই। কিন্তু ঘরে আসার পর থেকে নিজেকে একা মনে হতে থাকে, খুব খুব একা মনে হয় নিজেকে। অচেনা মেয়েটির সান্নিধ্য পেতে মনটা খুব বেশি তরল হয়ে যায়। যদিও পাত্তা দিলাম না। তরুণী মেয়ে, ঠিক যাবার জায়গা খুঁজে নেবে। ভাবতে ভাবতে শয়নকক্ষে এলাম। রাত খুব বেশি হয়নি। তবু সকালে জগিং করি বলে শুয়ে পড়লাম। তারপর ঘুম এসে স্বার্থপরের মত মেয়েটির সব ভাবনা কেড়ে নিলো। খুব সকালে যখন অভ্যাসমত ঘুমটা ভেঙে যায় তখনই মনের মধ্যে অপরাধবোধ জেগে ওঠে। মেয়েটি তরুণী হলেও বাচ্চাদের মত ছিল তার আচরণ, এরকম ইমম্যাচুইর একটা মেয়ে বিপদাপন্ন হয়েই তো ছুটে এসেছিল আমার কাছে.. আশ্রয়ের খোঁজে। আর আমি? না না, ওকে আবার খুঁজে বের করতে হবে। কোথায় সে? যাবে আর কোথায়? নিশ্চয় দরজার বাইরেই আছে। খুব ভরসা নিয়ে বাইরে বেরুবার দরজাটা খুললাম, কিন্তু আফসোস কাউকে দেখতে পেলাম না। হতাশা নিয়ে যখন ফিরছি আচমকা নিচের দিকে চোখ যেতেই দেখি মেঝেতে সে দেয়ালে হেলান দিয়ে ঘুমিয়ে আছে। সারারাত এখানেই ছিল নাকি? কী সর্বনাশ! . আমি মেঝেতে বসে ডাকলাম, "এই যে শুনছেন... শুনছেন? তাকান একবার।" . কোনো রেসপন্স না পেয়ে গায়ে হাত দিই, আর তখনই তার মাথাটা হেলে পড়ে। খুবই শকড হই আমি। ভাবলাম, নিশ্চয় অজ্ঞান হয়ে গেছে। বিপদের ওপর আরও বিপদ হল ওপরের ফ্ল্যাটের ছেলেটাও সিঁড়িতে করে আমার ফ্ল্যাটের কাছে চলে এসেছে। ড্যাবড্যাব করে আমার কান্ড দেখছে। আমিও নিরুপায় হয়ে অভিনয়ের মঞ্চ করে নিলাম পরিস্থিতিটাকে। খুব হেয়ালীর সাথে মেয়েটিকে বললাম, "জান, চোখ খোলো। এরকম আর হবে না। আই প্রমিস। তোমার ওপর আর রাগ করব না..।" . ছেলেটা দেখি তখনও আছে। এবার ওর ওপরই রাগটা ঝাড়লাম, "এই ব্যাটা, কী দেখছিস এখানে? যা এখান থেকে!" . ছেলেটি তড়িঘড়ি করে যেন পালিয়ে বাঁচলো। আর আমি অচেনা মেয়েটিকে আবার কাঁধে তুলে নিলাম, ঠিক যেমনি সেদিন সন্ধ্যায় তাকে কাঁধে করে অজ্ঞান অবস্থায় ঘরে নিয়ে এসেছিলাম। মনে পড়ে যায় সন্ধ্যাটাকে আবারও... . . . সেদিন ঘর থেকে জাস্ট বেরিয়েছিলাম বাইরে কয়েক কদম হাঁটার জন্য। কিছুদূর যেতেই মুঠোফোনটা বেজে ওঠে। কিন্তু পকেট থেকে বার করে দেখি ফোনটা প্রকৃতপক্ষে বাজছে না। আশেপাশে তাকাতেই চোখে পড়ল অন্য একটি মোবাইল। হাতে তুলে নিই সেটা, রিসিভও করি। রিসিভার কানে নিতেই খুব বাজেভাবে কেউ কথা বলে ওঠে। বিরক্ত হয়ে লাইন কেটে দিই। ফোনটা যথাস্থানে রেখে দু'পা এগুতেই দেখি এক পিস মেয়েদের স্যান্ডেল পড়ে আছে। সেটাও হাতে নিই। তারপর ছুড়ে ফেলি। আরও কয়েক পা এগুতেই সাক্ষাৎ একটা মেয়েকেই চোখের সামনে অজ্ঞান হয়ে পড়ে থাকতে দেখি। কয়েকবার ডাকি তাকে। উপায়ন্তর না দেখে আশেপাশে তাকাই। কিন্তু খুবই নির্জন জায়গা এটা, কোথাও কেউ নেই। তবু ডাকি স্বভাবতই, "কেউ আছেন?" . কেউই সাড়া দেয় না। কী করব ভাবতে ভাবতে এড়িয়ে যাই ব্যাপারটা। কিন্তু ভাগ্য বলে হয়তো কিছু আছে, যার স্পর্শে বিবেকের কাছে ছোট হতে থাকি। অতঃপর মেয়েটিকে কাঁধে করে সারা রাস্তা হেঁটে বাড়িতে পৌঁছাই। তারপর ফ্লোরের বিছানায় তাকে শুইয়ে দিয়ে ক্লান্ত হয়ে ফ্যানের নিচে বসে পড়ি। . পরদিন সকালে ফ্লোরে বসেই নাস্তা খাবার সময় দেখি মেয়েটি ঘুম থেকে উঠে বাচ্চাদের মত হামাগুড়ি দিয়ে আমার সামনে এসে বসলো, তারপর আমার হাতের পিরিচ থেকে মুরগীর একটা আস্ত রান নিয়ে হারহামেশায় খেতে শুরু করে দিলো। আমি বললাম, "মুখ না ধুয়েই খেতে শুরু করেছেন?" "মুখ ধুতে গেলে ততক্ষণে তুমি সব খেয়ে শেষ করে ফেলবে।" মেয়েটির উত্তর। "শুনুন, বিপদ রাতে ছিল। বিপদ থেকে উদ্ধার করেছি। এবার আপনি আসুন।" "কোথায় যাব?" "নিজের বাসায়, আবার কোথায়?" "ঠিকানা জানি না তো।" "বাসার ঠিকানা জানেন না.... আচ্ছা ঠিক আছে। নিজের নাম বলুন।" "জানি না তো।" আমি ধৈর্য্য ধরে বলি, "বাবার নাম।" "জানি না। নিজের নাম জানি না বাবার নাম কীভাবে বলব?" "এবার কিন্তু সত্যি সত্যি রাগ হয়ে যাচ্ছে, আমি পুলিশে ইনফর্ম করতে বাধ্য হবো।" মেয়েটি এবার শব্দ করে 'উমম' স্বরে কাঁদতে শুরু করলো। আমি অপ্রস্তুত হয়ে বলি, "আপনি কাঁদছেন কেন?" "ছোট বাচ্চারা পুলিশ ভয় পায় তুমি জানো না?" "ওরে আল্লা, আপনি বাচ্চা! আপনি যদি বাচ্চা হন তাহলে আমি এখনও পৃথিবীতেও আসি নাই।" মেয়েটি কিছু না বলে খাওয়ায় মনোযোগ দেয়। আমি বলি, "আপনাকে আমি দশ মিনিট সময় দিলাম, এরমধ্যে ঘরটা পরিষ্কার করে দেবেন।" মেয়েটি এদিক-সেদিক তাকিয়ে বলল, "ঘর পরিষ্কার করে দিতে কোনো অসুবিধা নেই।" "ঘর পরিষ্কার বলতে আমি আপনাকে বুঝিয়েছি মানে দশ মিনিটের মধ্যে আপনি বেরিয়ে যাবেন নয়তো আমি আপনাকে পুলিশের কাছে নিয়ে যাব।" মেয়েটি আবার কাঁদতে থাকে। "আবার কী হল?" "পুলিশের কাছে নিলে আমি এভাবেই কাঁদতে থাকব।" আমি বিড়বিড় করে বলি, "তাহলে তো আমি নিজেই ফেঁসে যাব।" অতঃপর তাকে শান্ত রাখতে বলি, "ঠিক আছে, আপনি এখানে থাকেন। যতদিন ইচ্ছা থাকেন, নো প্রবলেম।" বিড়বিড় করে সেইসাথে বললাম, "কাঁধে করে ঝামেলা নিয়ে এলাম।" "আমাকে তুমি কাঁধে করে এনেছো বুঝি?" আমি কিছু না বলে দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। . মেয়েটির দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে বাসা থেকে বের হই সামনের দোকান থেকে কিছু কিনে আনতে। কিনে আনার পর দেখি মেয়েটা বেসিনের সামনে আমার একটি টি-শার্ট পরে দাঁড়িয়ে দাঁতব্রাশ করছে। আমি বলি, "এটা কী হল?" . মেয়েটি তাকালো, কিছু বলল না। আমি অবাক হয়ে বলি, "আপনি আমার ব্রাশ দিয়ে দাঁতব্রাশ করছেন? ছিঃ ছিঃ, সামান্য শুচিবায়ুও যদি থাকে কারও।" অতঃপর শুরু হল আবারও জ্বালাময়ী ক্রন্দন। আমি বলে উঠি, "করেন, আপনি আমার ব্রাশ দিয়েই দাঁতব্রাশ করেন। নো প্রবলেম।" . দুপুরে মুখোমুখি টেবিলে খেতে বসে বললাম, "আপনি নির্দ্বিধায় আপনার বাসার ঠিকানা বলতে পারেন। আমি খুব নিরাপদে আপনাকে পৌঁছে দেব, ট্রাস্ট মী!" "ট্রাস্ট মী, আমি যদি জানতাম তো আমি নিজেই চলে যেতাম।" "আপনি কেন বুঝছেন না, সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাপারটা খুবই বিব্রতকর। একটা ছেলে একটা মেয়ে এভাবে থাকতে পারে না। আপনি যদি ছেলে হতেন তো প্রবলেম ছিল না।" মেয়েটি কিছু না বোঝার চেষ্টা করেই বলল, "ছেলে হলে কি ওভাবে কাঁধে করে আনতে?" "উহ, এটা তো খুবই ভালো বোঝেন। আপনি আসলে মিচকে শয়তান। আপনি সব জানেন, শয়তানি করে কিছু বলছেন না।" "ঠিক আছে, আমি সব বলব এবার। নিজের নাম, বাবার নাম, ঠিকানা, ফোন নাম্বার।" "হ্যা দ্রুত বলেন।" "আমার নাম..." আমি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করতে থাকি। সে বলে, "জানি না।" আমি বিরক্ত হয়ে উঠি। "ঠিকানা.. ঐ নীল আকাশ। বাবার নাম জানি না।" "উফ!" "ফোন নাম্বার লিখুন..।" আমি ব্যস্ত হয়ে মোবাইল বার করে বলি, "প্লীজ বলুন।" "জিরো..." "জিরো!" "জিরো।" "কী?" "জিরো, জিরো, জিরো, জিরো.... এগারোটা জিরো।" অতঃপর আবারও দীর্ঘশ্বাস ফেলতে বাধ্য হই আমি। . . . এভাবেই তিনদিন পার হয়ে যাবার পর আজ এই সকালে অচেনা মেয়েটিকে অজ্ঞান অবস্থায় দরজার সামনে পেলাম। গতকাল সন্ধ্যায় ওকে নিয়ে একটু শপে গিয়েছিলাম। ফিরে এসে দরজার সামনে দাঁড় করিয়ে স্বার্থপরের মত ভেতরে ঢুকে যাই আমি। . ওকে ফ্লোরের বিছানায় শুইয়ে দিয়ে খুব যত্নের সাথে চাদর বিছিয়ে দিই গায়ের ওপর। তারপর মাথায় হাত বুলিয়ে বলি, "আই অ্যাম স্যরি... তোমাকে আর এভাবে কষ্ট দেব না। বিলিভ মী।" মেয়েটি নড়েচড়ে উঠে বলে, "ইটস ওকে। সকাল হয়ে গেছে না? এককাপ চা বানিয়ে দাও না।" অতঃপর আমি আবারও শকড। . দুপুরে ঘরে ঢুকতে গিয়ে দেখি মেয়েটি আমার জামাকাপড় পরার চেষ্টা করছে আর বিরক্ত হয়ে বলছে, "এত মোটা কেন তুমি?" বুঝলাম, মেয়েটার জন্য কাপড়-চোপড়ও কেনা লাগবে। বিকালে গোছগাছ করে শপিংমলে যাবার সময় ওকে বললাম, "বাড়িতে আমি একা খাই না... তাই রান্নার দায়িত্বটা তোমার ওপর দিয়ে গেলাম।" . শপিংমল থেকে ফিরে দেখি দরজায় লাগানো যে কাগজে লেখা ছিল 'এটা মুহিবের ঘর' সেখানে লেখা 'এটা মুহিব ও হৃদিতার ঘর'। আমি স্মিত হেসে ভেতরে ঢুকে খুব হেয়ালী করে ডাকি, "হৃদি..." . হৃদিতা সবজি কাটার ছুরি নিয়ে রান্নাঘর থেকে বের হয়। আমার হাতের শপিংব্যাগ দেখে বলে, "কী এগুলা?" "এইসব তোমার জন্য।" হৃদিতা নিজের পোশাকগুলি দেখে খুশিতে আপ্লুত হয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরে, যার জন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম না। আমি বলি, "তুমি যে বলেছিলে তোমার কোনো নাম নেই?" "নেই তো। বাট তুমি বলেছিলে যে, একটা নামের খুব প্রয়োজন। তাই এই নামটি সাজেস্ট করলাম।" "ও আচ্ছা।" . দেখতে দেখতে আমাদের সম্পর্কটা খুব কাছের হয়ে গেল, একেবারে বন্ধুর মত। কিন্তু আমি তাকে বন্ধুর চেয়েও বেশি কিছু ভেবে ফেলেছিলাম, সেটা নিজেও জানতাম না। তখনই জানলাম যখন হৃদিতা আর আমার সাথে রইলো না। . একদিন বেলা করে বাইরে থেকে ঘরে ফিরে দেখি ঘরদোর সবই এলোমেলো। আমি বিপদ দেখে হৃদিতাকে খুঁজতে থাকি, কয়েকবার ওর নাম ধরে ডাকি। কিন্তু ওর কোনো হদিস পাই না। একসময় ছুটে চলে যাই ছাদে। গিয়ে দেখি একজন বলশালী তরুণ তার মুখটি চেপে ধরে রেখেছে। হৃদিতা প্রাণপণ চেষ্টা করছে নিস্তার পাওয়ার। আমি নির্বাক দর্শক মাত্র। ঠিক এমনই সময় কেউ আমার মাথায় সজোরে কিছু একটা দিয়ে আঘাত করে। জ্ঞান হারাবার আগে বুঝতে পারি হৃদিতাকে ঐ বলশালীটি নিয়ে যাচ্ছে... দূরে.. অনেক দূরে নিয়ে যাচ্ছে। . . . "আপনি কি বরপক্ষের লোক? আপনার মাথায় ব্যান্ডেজ কেন?" আমি লোকটির দিকে ভাল করে তাকাই। বুঝতে পারি ইনি হৃদিতার বাবা। হৃদিতা, সে তো নববধূ সাজে বসে আছে আমারই সামনে। চোখে তার অশ্রু টলমল। আজ জানতে পেরেছি এই অশ্রু আমারই জন্য। . আমি হৃদিতার বাবার সামনে হাঁটুগেড়ে বসে পড়ি। হাতে থাকা কাগজটি তাকে দিয়ে বলি, "ঐ বাচ্চা মেয়েটিকে আপনি প্লীজ বিয়ে দেবেন না। কারণ ওকে আমি ভালবাসি। আর যার সাথে আপনি তার বিয়েটি ঠিক করেছেন সে ভাল নয়। এর আগেও অনেক মেয়ের জীবন নিয়ে সে খেলেছে। এটা হৃদিতা জানতো বলে সেদিন পালিয়ে আমার বাড়িতে এসেছিল। এই কাগজে লেখা চিঠিটা পড়ুন, তাহলেই বুঝবেন। আমি আপনার মেয়েকে ফিরিয়ে দেবার অনেক চেষ্টা করেছিলাম, অনেক খুঁজেছি আপনাকে। কিন্তু পাইনি। আপনার মেয়েও আমাকে আজ ভালবাসে, এই চিঠিই তার প্রমাণ।" . লোকটি সবই শুনলেন। তারপর অমায়িকতার সাথে আমাকে দাঁড় করালেন, অমায়িকভঙ্গিতে আমার দিকে তাকালেন। তারপর কষে আমার গালে থাপ্পড় মারলেন। . পরিশিষ্টঃ হৃদিতাকে কোলে করে রাস্তার বুকে নেমেছি। তার বাবা আমাদেরকে মেনে নিয়েছেন। নিজেই পাত্রপক্ষকে ফোন দিয়েছিলেন। আমার সামনেই ফোনে বললেন, "হ্যালো... দুঃখিত এ বিয়েটা হচ্ছে না। কারণটা বিব্রতকর। তা হল.. আমার মেয়ে আবার পালিয়েছে। আপনারা প্লীজ কিছু মনে করবেন না।" . হৃদিতা বলল, "আমি যদি চিঠিতে বাসার ঠিকানা না দিতাম তাহলে কী হতো?" "তুমি চিঠিটা লিখেছিলে কখন সেটা বলো।" "তোমার বাড়িতে যেদিন আসি ঠিক তার তিনদিন পর। এবার আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।" "কিছুই করতাম না.. তোমার চিঠির পাশে সযত্নে লিখে রাখতাম---গল্পটা মনগড়া।"


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯৩ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মনগড়া

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now