বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মঙ্গলগ্রহ অভিযান ও একটি থিওরি...(কল্প বিজ্ঞান,২য় &শেষ পর্ব)

"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Opu Ahasan (০ পয়েন্ট)

X ১ম পর্বের পর... . মহাশূণ্যে উঠে মহাকাশযান আলাদা হয়ে গেল রকেট থেকে। তারপর মঙ্গল গ্রহ এর দিকে লক্ষ স্থির করলো মহাকাশ যান এর নিয়ন্ত্রক রোবট। সবই দেখলো ক্রুশন বড় পর্দায়। আসলে যানটায় কোনো রোবট নেই। পুরো যানটা ধরলে একটা রোবট। যেটা প্রোগ্রাম করা হয়েছে। এখন সে হিসেবে চলবে। ক্রুশনের আপাতত কোনো কাজ নেই। মাস দুয়েক খেয়ে দেয়ে ঘুমিয়ে কাটাতে হবে। তাছাড়া বিনোদনের জন্য আলাদা বিশেষ কক্ষ আছে। সেখানেও সময় কাটানো যাবে। এভাবেই প্রায় মাস দুয়েক চলল। এর মাঝে প্রতিনিয়ত রোবট টি বলা যায় যান টি পৃথিবীর নাসার কন্ট্রোল প্যানেলের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। এক দিন সকালে রোবট কণ্ঠে বলে উঠলো, . -- শুভ সকাল মহামান্য ক্রুশন। জলদি তৈরি হয়ে নিন। আমরা প্রায় কাছেই চলে আসছি। . যদিও এখন সকাল কী না যথেষ্ট সন্দেহ আছে। এই ধরনের রোবটের কথা শুনে যানে সময় কাটানোর সময়। প্রথম প্রথম চমকে গেছিল। পরে বুঝলো স্পিকারের কারসাজি। সারা মহাকাশ স্পিকারের এমন উন্নত কারসাজি করেছে যে মনে হবে যেন তার সামনে বায়ে পিছে দাড়িয়েই কেউ কথা বলছে। যাই হোক উঠে সে প্রস্তুত হয়ে কিছু ড্রাই ক্যাপসুল নিল। যা শরীরে খাবার অনুপস্থিতিতে শক্তি জোগাবে। এখন থেকে কাজ করতে হবে। তাই সময় নষ্ট না করে এই ক্যাপসুল দিয়েই কাজ করতে হবে। . খানিক পরেই ইমার্জেন্সি এলার্ম বাজতে শুরু করলো। যান নিয়ন্ত্রণকারী রোবট জরুরী কন্ট্রোল রুমে আসতে বলল। ক্রুশন দৌড়ে কন্ট্রোল রুমে গেল। সেখানে গিয়ে বুঝলো কোনো বিরাট গণ্ডগোল হয়েছে। রোবট তার যান্ত্রিক গলায় বলে উঠলো, . -- আমাদের যে কক্ষপথ এ ১৬৮ ঘণ্টা থাকার কথা সেই কক্ষপথ প্রচণ্ড শক্তিশালী মঙ্গলের টান উপেক্ষা করতে হচ্ছে। যার কারণে আমাদের প্রচণ্ড জোরে ছুতে চলতে হচ্ছে। আরও বড় কথা এই গতিতে পড়ার সাথে সাথে কন্ট্রোল প্যানেলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়েছে। আমাদের নতুন ট্রান্সমিটার সেট করতে হবে। . ক্রুশন উত্তর না দিয়ে দ্রুত ট্রন্সমিটার সেট করতে লেগে গেল। সেট হলোও। কিন্তু পৃথিবীর সাথে সংযোগ দেয়া যাচ্ছে না। এখন কি হবে। যান টা নিয়ন্ত্রণ হারাচ্ছে অনুমতির অভাবে কিছু করতে পারছে না যান টির রোবট। ক্রুশনের মনে পড়লো এখন তাকে নিয়ন্ত্রণ করা উচিৎ। ক্রুশন রোবট কে মঙ্গলগ্রহের ভূপৃষ্ঠে নামাতে আদেশ দিল। কিন্তু রোবটি বলল, . -- আমাকে প্রোগ্রাম করা হয়েছে ১৬৮ ঘণ্টা এই কক্ষপথে থাকার জন্য। আমি প্রোগ্রাম এর বহির্ভূত হতে পারবো না মহামান্য ক্রুশন। আমি দুঃখীত। . ক্রুশন কিছু বলল না। রোবটের আবার ইমোশন আছে নাকি। যে দুঃখীত হবে। সে যাই হোক। এখন ৭ দিন কোনো রকমে নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে হবে যান টা। . ক্রুশন রোবট কে জিজ্ঞাসা করলো, . -- এখন কত গতিতে কক্ষপথে ছুটছে যান? . রোবট টি উত্তর দিল, . -- ০.৯৯৯ ৯৯৯ ৯৯৯ ৯৯৯c বা ১ লক্ষ ৮৫ হাজার মাইল পার সেকেণ্ড অর্থাৎ প্রায় আলোর গতিতে। . শুনেই ক্রুশন চমকে উঠলো। এতো গতিতে মঙ্গল গ্রহ কে প্রদক্ষিণ করছে। অথচ মনে হচ্ছে যান থেমে আছে। রোবট কে বলল,, . -- এই গতিতে লক্ষ রাখতে সমস্যা হবে না। আর এত গতিতে ছুটছে কেন? . রোবট উত্তর দিল, . -- প্রচণ্ড গতিতেও যেন লক্ষ রাখতে পারি এমন ভাবেই প্রোগ্রাম করা হয়েছে আমাকে মহামান্য ক্রুশন। মঙ্গল গ্রহ এর আকর্ষণ রোধ করতে আমাকে আরও শক্তি খরচ করতে হচ্ছে। যার বিপরীত শক্তি হিসেবে আমাদের মহাকাশ যান এতো জোরে কক্ষপথ বরাবর ছুটে চলছে। . ক্রুশনের মাথায় একটা অতঙ্ক উকি দিচ্ছিলো। আচ্ছা 'থিওরি অফ রিলিটিভিটি' সত্য হচ্ছে না তো। কিন্তু দূর করে দিল। কারণ ২১ শতকেই বিজ্ঞানীরা এই থিওরিকে ভুল প্রমাণ করেছেন। যাই হোক এগুলো কু ভাবনা মাথায় হতে দূর করে দেয়াই ভালো বলে মনে করলো ক্রুশন। সে ভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে লাগলো পুরো যান। এভাবেই কেটে গেল ৭ টা দিন। ৭ম দিনেই যান রেডি হয়ে গেল ল্যাণ্ডিং এর জন্য। খানিক বাদেই কন্ট্রোল নিল ক্রুশন নিজ হাতে। রোবট আর ক্রুশন নিয়ন্ত্রণ করতে লাগলো। . গতি ক্রমে ক্রমে বাড়ছে। আলোর গতি উঠে গেল। শেষ মুহুর্তে মহাকাশ যানের গতি কাজে লাগালো গ্রুশন। তাও একটা ঝাঁকুনি দিয়ে আছড়ে পড়লো মঙ্গলগ্রহ এর পৃষ্ঠে। যাক কোনো ক্ষতি ছাড়াই ল্যাণ্ড করেছে এখানে। তাদের মিশিন সাক্সেস ফুল। কিন্তু কন্ট্রোল প্যানেলের সাথে যোগাযোগ ছাড়া কীভাবে পৃথিবীতে পৌঁছাবে। ক্রুশন জলদি ট্রান্সমিটার টি আবার সেট করলো। . কিন্তু সিগনাল পাচ্ছে না। মনে হচ্ছে সিগনাল ডেড হয়ে গেছে। কিন্তু এ কীভাবে সম্ভব। সিগনাল ডেড হবে কেন। যন্ত্রটাও তো ঠিক মত সেট হয়েছে। অপর আরেকটা ট্রান্সমিটারও সেট করল ক্রুশন। কিন্তু ফলাফল একই। এখন উপায়? . যোগাযোগ ছাড়া তো আর পৃথিবীতে পৌঁছাবে কীভাবে? এভাবে কেটে গেল একদিন। ক্রুশন সারাদিন বসে বসে যোগাযোগের চেষ্টা করলো কোন ফল আসলো না। পরের দিন রোদে যান টি শক্তি বাড়াতে থাকলো। আর দুদিন থাকলে যান টি তার পুরো শক্তি ফিরে পাবে। অর্থাৎ দুদিন পরেই পৃথিবীর উদ্দেশ্যে রওনা দিতে হবে। যেভাবেই হোক তাকে পৃথিবীতে পৌঁছাতেই হবে। এভাবে আরও দুটো দিন গেল। এর মাঝে বেশ কয়েকবার নভোচারী পোশাক পড়ে বাহির গিয়ে বিস্তৃত লাল ভূমি দেখে এসেছে সে। নানা খাদ ও দেখেছে সে। এভাবেই ২ দিন পার করেছে সে। মোটামুটি ভেঙ্গে পড়ছিল ক্রুশন। কিন্তু সে তো শক্ত মনের অধিকারী। মন কে বুঝিয়ে রেখেছে সে পৃথিবীতে ফিরবে, তাই ভেঙ্গে পড়েও পড়লো না। তার মন ক্ষিপ্ত হয়ে হয়ে উঠলো। এটা নিশ্চয় নাসা এর ষড়যন্ত্র ছিল। নাহলে কাজ হাসিলের সময় কেন কন্ট্রোল প্যানেলের ফ্রিকুয়েন্সি অফ করে দিল। গতকালই মজমহাকাশ যান টি তার পূর্ণ শক্তি ফিরে পেয়েছিল। . খানিক পরে রওনা দিবে ক্রুশন। তার আগে সে তার মনটা শক্ত করে নিচ্ছে। তারপর কন্ট্রোল প্যানেলের দিকে গেল। গিয়েই এক প্রকার আতঙ্ক অনুভব করলো ক্রুশন। কারণ কন্ট্রোল প্যানেলে বসে আছে একজন বৃদ্ধ। কিন্তু কেন যেন বৃদ্ধের মুখ আর তার মুখের আদলে মিল খুঁজে পাচ্ছে ক্রুশন। কিন্তু কেন? ক্রুশন নিশ্চিত ভাবে বলতে পারে এই যানে কোনো মানুষ ছিল না সে ছাড়া। তাহলে এ বৃদ্ধ কীভাবে আসলো। এ কী এলিয়েন। নাহ এ তো সাধারণ মানুষ। তার মতোই। ক্রুশন আতঙ্ক অনুভব করছে, এমন আতঙ্ক আগে কখনো অনুভব করে নি। সে আতঙ্ক গ্রস্থ কণ্ঠে তার কোমরে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র বৃদ্ধের দিকে ধরে বলে উঠলো, . -- কে আপনি? এই মহাকাশ যানে আমি ছাড়া আর কেউ ছিল না! আপনি এলেন কীভাবে? . বৃদ্ধ উত্তর দিল, . -- ভয় পেয় না, ক্রুশন! অস্ত্র নামাও। আমি তোমার কোনো ক্ষতি করবো না। . ক্রুশনের মনে হলো সেই যেন কথা বলছে। তবে একটু চাপা গলায়। ক্রুশন আরও ভীত গলায় বলল, . -- আপনি আমার নাম জানলেন কীভাবে? কে আপনি? . বৃদ্ধ বলল, . -- সব ধীরেধীরে জানতে পারবে। ভয় পেয় না। . ক্রুশন বিশ্বাস করলো বৃদ্ধকে। ভয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে লাগলো সে। শান্ত করে ফেলল সে তার মন কে। বৃদ্ধকে একটা চেয়ারে বসতে বলল। বৃদ্ধ বৃদ্ধ কেন করছে সে। খালি বড় দাড়ি গজিয়েছে আর চুল পেকেছে এই যা। তাছাড়া শক্ত সামর্থ্য আছে এই লোকটার। লোকটিকে তার নাম জিজ্ঞেস করলো ক্রুশন। কিন্তু লোকটি সেই পরে বলব উত্তর দিল। বৃদ্ধ ক্রুশন কে যান উড়াতে বলল আর সাথে একটা কাগজে কো-ওর্ডিনেট দিল। আর বলল এটাই নাকি পৃথিবীর কো-ওর্ডিনেট। ক্রুশন রহস্যের গন্ধ পেল। এই লোক কীভাবে আসলো। পৃথিবীর কো-ওর্ডিনেট জানলো কীভাবে সে। অনেক প্রশ্ন ঘুড়পাক খাচ্ছে ক্রুশনের মাথায়। ভাবনা মাথায় রেখেই মহাকাশ যানটা উড়ালো ক্রুশন। এখন রকেট নেই। সেজন্য হাই ড্রাইভ দিল। এক লাফে মহা শূণ্যে চলে এল যান টা কোনো বাধা ছাড়াই। . বৃদ্ধ তাকে হাইপার ড্রাইভ নিতে বলল। কিন্তু ক্রুশন তাকে জানালো সে হাইপার ড্রাইভ নিতে জানে না। বৃদ্ধা ক্রুশনকে সরিয়ে নিজে ডাইভের ব্যবস্থা করতে লাগলো। এক সময় ক্রুশন ৩য় বারের মত মহাকাশ যানে ঝাঁকুনি অনুভব করলো। কয়েকটা মুহুর্ত গেল। হঠাৎ বৃদ্ধ বলল, . -- পৌছে গেছি। তবে চাঁদ হতেও বহুদূরে আছি। . ক্রুশনের মনে হল মাত্র কয়েকটা মিনিট গিয়েছে। এতো তাড়াতাড়ি পৌছে গেল কীভাবে। লোকটি বলল, . -- কী বিশ্বাস হচ্ছে না তো? এই দেখ। . লোকটি যানের রোবটকে পৃথিবীর দিকে লক্ষ করে ফোকাস করতে বলল এবং তা পর্দায় দেখাতে বলল। পর্দায় একটা গ্রহ এর ছবি দেখা গেল। কিন্তু এটাকে কোনো ক্রমেই পৃথিবী বলা চলে না। না এটা কোনো ক্রমেই পৃথিবী হতে পারে না জানালো ক্রুশন সেটা লোকটিকে। কারণ এ সবুজ পৃথিবী না। এটা অন্য কোনো গ্রহ। এই গ্রহে যেন গাছ পালা নেই। লোকটি বলল, . -- হয়তো তাই। কিন্তু এটা পৃথিবীই। অনেক বদলে গেছে, অনেক কিছু ঘটে গেছে। . ক্রুশন আতঙ্ক গ্রস্থের গলায় বলল, . -- কিন্তু মাত্র কয়েক মাসে কী এমন হলো যে পৃথিবীর চেহার বদলে গেল? . লোকটি বলল, . -- তোমার কাছে হয়তো কয়েকটা মাস। কিন্তু পৃথিবীতে কেটে গেছে ১ শতাব্দী। . হতবাক হয়ে গেল ক্রুশন। বলে কী এই লোক? পাগল না তো? লোকটি বলল, . -- জানি পাগল ভাবছো। কিন্তু কী জানো, বিজ্ঞানী একটা থিওরিকে ভুলে প্রমাণ করেছিল। সেই থিওরি আসলে সত্যি। থিওরিটি হলো 'থিওরি অফ রিলিটিভিটি' ১৯ শতকে আইনস্টাইন নামক এক পদার্থ বিজ্ঞানীর। তুমি যে ৭ দিন আলোর গতিতে কাটিয়েছ পৃথিবী তখন কেটে গেছে ৭০-৮০ টা বছর। তার পর মঙ্গল অবতরণ ও উরে হাইওয়ার ড্রাইভে এখানে পৌছানো। এতে পৃথিবীতে কেটে গেছে প্রায় ১ শতাব্দী। . ক্রুশন জানে থিওরিটি। কিন্তু সে ভাবে নি এমন কিছু হয়ে যাবে। হ্যা ভেবেছিল একবার। কিন্ত কু ভাবনা ভেবে উড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু এ যে দেখছি অতি কাকতালীয়। ক্রুশনের মন খারাপ হয়ে গেল। কিন্তু কী এমন হলো পৃথিবীর এ অবস্থা। লোকটি বলতে শুরু করলো, . -- যান মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথে পড়লে তখনই তোমার সিগলান হারিয়ে ফেলে নাসা। অনেক দিন চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দেয় নাসা। তার পর বছর খানেক যায়। তোমার বন্ধু তোমার বাহিনীকে ঠিক করে কন্ট্রোল করতে পারছিল না। এর ফলে প্রায় পৃথিবীতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে নিউক্লিয়ার ওয়ার শুরু হয়। সারা পৃথিবীর পৃষ্ঠ ধ্বংস হয়ে যায়। ধ্বংস হয়ে যায় এর বায়ু মণ্ডল। বসবাসের একেবারে অযোগ্য হয়ে যায় এ পৃথিবী। প্রচণ্ড রেডিয়েশন ছড়িয়ে পড়ে সবখানে। প্রায় সবমানুষ মারা যায়। কিছু সংখ্যক মানুষ মাটির মিচে শহর গড়ে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বসবাস করছে। সেখানে শহর গড়ার চেষ্টা করছে। আমাদের এই পৃথিবী পৃষ্টে নেমে বাহির হওয়া অত্যান্ত ক্ষতিকর। সাথে সাথে মৃত্যু। আমি তোমাকে আমার পৃথিবীতে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। . ক্রুশন জিজ্ঞাসা করলো, . -- আপনার পৃথিবী মানে? আপনি কে? আপনাকে এখন অবশ্যই পরিচয় দিতে হবেম আপনি এতোসব জানলেন কীভাবে? . -- হুম আমাদের পৃথিবী। আজ থেকে ঠিক ১০০০ বছর পরের পৃথিবী। যেখানে মাটির নিচে আমাদের শহর। আমি টাইম ট্রাভেল করে অতীতে এসেছি। তোমাকে এই অবস্থায় রেখে যেতে মন চাইছে না। তোমাকে সাথে নিয়ে যেতে চাইছি। . ক্রুশন একবার পৃথিবীর ছবি দেখে বলল, . -- আচ্ছা আমি যাব আপনার সাথে। আমাকে কী করতে হবে। . লোকটি বলল, . -- তুমি আমার মাঝে প্রবেশ করো। . ক্রুশন বলল, . -- আপনার মাঝে প্রবেশ করবো মানে? আপনার মাঝে আবার কীভাবে প্রবেশ করবো? পাগল হয়েছেন? . লোকটি বলল, . -- নাহ ক্রুশন। আমিও ক্রুশন। তোমার ভবিষ্যৎ আমি ক্রুশন। তুমি আমি আমি তুমি। একই ব্যাক্তি। আমি ভবিষ্যৎ থেকে এসেছি। একবার ভেবেই দেখ আমি সরাসরি কন্ট্রোল প্যানেলে ছিলাম কেন? আর কোথাও আমাকে দেখ নি কেন? কারণ তখন তুমি কন্ট্রোল প্যানেলে আসছিলে। বুঝেছ আশা করি। ওহ হ্যাঁ আমি এভাবেই পৃথিবী দেখে আবার মঙ্গল এ ফিরে গিয়ে গতি শক্তি কাজে লাগিয়ে বা বলায় যায় থিওরিকে কাজে লাগিয়ে ১০০০ বছর পর পৃথিবীতে ফিরেছিলাম। তার পর টাইম ট্রভেল মেশিন আবিষ্কার করি। সেটা ব্যবহার করে কী হয়েছিল পৃথিবীতে সব জেনেছি। এখন আমার সাথে আসবে বলে মনে করি। . ক্রুশন কিছু ভাবলো যেন একটা। আবার পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে কী ভাবলো। . লোকটি বলল, . -- চলে এসো ক্রুশন। সময় নষ্ট করো না। . ক্রুশন পৃথিবীর ছবির দিকে তাকিয়ে আছে। হঠাৎ সে পা বাড়ালো লোকটির দিকে। তার লক্ষ এখন নতুন পৃথিবী.... . ...................সমাপ্ত.............. . বি.দ্রঃ- এখানে আকর্ষণ গতি গল্পের সুবিধার্থে আমার ইচ্ছে মত নেয়া হয়েছে। 'থিওরি অফ রিলিটিভিটি' এর আবিষ্কারক আলনার্ট আইনস্টাইন। এই থিওরি আরও ভালো ভাবে বুঝতে মুহাম্মদ জাফর ইকবাল এর- 'থিওরি অফ রিলিটিভিটি' বইটা পড়তে পাড়েন। তবে পড়ে যদি কিছু বুঝেন আর পাগল না হন আমাকেও একটু বলিয়েন????????। বিভিন্ন তথ্য সাহায্যে- wikipedia.


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মঙ্গলগ্রহ অভিযান ও একটি থিওরি...(কল্প বিজ্ঞান,২য় &শেষ পর্ব)

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now