বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মন বুঝা দায় ২

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Dreamless Sakib (০ পয়েন্ট)

X গল্প:- #মন_বুঝা_দায় পর্বgj০২) লেখা:-অপদার্থ !! বোনের প্রতিশোধের জন্য তোমার সাথে প্রেমের অভিনয় করছি মানে? আমার তো কোনো বোন নেই। তখনি এতিহা মুচকি হেসে বলে। তোমার বোন নেই আল আমাকে তুমি হাসালে। তোমার পরিবারের সবাইকে খুব ভালো করেই আমি চিনি। এতিহার কথা শোনে আল অবাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে। এতিহা:- আল তুমি ভুল যায়গা ট্রাই করেছো। আমি যানি তোমাকে আমার নাম্বার আর নাম এমন কি আমাকে দেখিয়ে দিয়েছে তোমার আম্মু। আল:- এতিহা তুমি জানলে কি করে? এতিহা:- আমি যানবো না তো কে জানবে? আল যা হবার হয়ে গেছে আমি চাইনা অতীত আবার সামনে আসুক। এমনিতেই আমাদের পরিবার অনেক সমস্যা হইছে তোমার পরিবারের জন্য। আল:- এতিহা তোমার কোথাও ভুল হচ্ছে। সত্যই আমার কোনো বোন নেই। এতিহা:- তোমার বোন আছে তুমি ঠিক করে যেনে নিও আর হাঁ তোমার বড় ভাইয়ার নাম আসাদ। তোমার বড় ভাই বিয়ে করেছে নিছে। তোমার বাবার ব্যবসা আছে। তোমার নানি তোমাদের সাথে থাকে। আর কিছু জানতে চাও? আল:- এতিহা আমি তোমাকে ভালোবাসি। আমি কথা দিতেছি সত বাধার মাঝেও তোমাকে ছেড়ে যাবো না। আমি জানি না তুমি কে আর তোমার সাথে আমার মায়ের চেনা জানা কি করে? তবে আমি তোমাকে সত্যই খুব ভালোবেসে ফেলেছি। এতিহা:- আফসোস আল তোমার মা তোমার অভিনয়টা দেখতে পেলো না। তবে সত্যিই তোমার মা তোমাকে খুব ভালো করে অভিনয় করতে বলে দিছে। সত্যিই তোমার অভিনয় অনেক সুন্দর যদি তোমার মা অভিনয় গুলি দেখতো তাহলে অনেক খুশি হতেন। আজকের পর যদি আর কোনো সময় আমার সাথে যোগাযোগ করেছো তাহলে তোমার বোনের মত তোমার পরিস্থিতি হবে। আল:- বার বার বলছি আমার বোন নেই তাও কেনো একিই কথা বলছো? এতিহা:- তোমার বোন আছে কি নেই সেটা তোমার মায়ের কাছ থেকে যেনে নিও। আল এতিহার দিকে তাকিয়ে আছে। এতিহা রিক্সায় উঠে চলে গেছে। আল এতিহার চলে যাওয়ার দৃশ্য দেখছে। আল ভেঙ্গে পড়ছে কি হচ্ছে ওর সাথে! আলের বোন আছে সেটা আল যানে না আলের মনে হাজারো প্রশ্ন নিয়ে বাড়িতে এসেছে। আলকে দেখে আলের নানি বলে। নানি:- আল কি হইছে তো! তোকে এমন দেখাচ্ছে কেনো? আল:- নানি আম্মা কোথায়? নানি:- তোর মা তো স্কুলে গেছে। এখনো আসেনি। তবে সময় হইছে আসার মনে হই এখুনি চলে আসবে। আল:- নানি তোমাকে একটা কথা জিজ্ঞেস করবো তার সঠিক উত্তরটা তুমি দিবে! নানি:- কি কথা! আল:- আমার কোনো বোন আছে আর কোনো সময় ছিলো? নানি বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছে। যখনি নানি কিছু বলতে যাবে তখনি আম্মা এসেছে। নানি তখনি চুপ করে গেছে। আম্মা:- আরে আল আজকে তুই এত তাড়াতাড়ি বাড়িতে চলে এসেছিস! আজকে না তোর এতিহার সাথে ফাইনাল কথা বলার ছিলো! তা এতিহা তোর সাথে প্রেম করতে রাজি হয়ে গেছে? আল:- আম্মা আমার বোন লিলি সে কোথায়? তখন আম্মা হাতের ব্যাগটা রাখছে আর হাসি দিছে। আম্মার হাসির পেছনে লুকিয়ে আছে হাজারো রহস্যময় গঠনা। কিন্তু তখনি মুচকি হেসে বলে। আম্মা:- আল তোদের বোন কোথা থেকে আসবে? তোদের তো কোনো বোন নেই। আর লিলি মিলি নামের কোনো মেয়ে তো আমি জীবনেও দেখিনি। আল:- মিথ্যাকথা কেনো বলছো তখনি আম্মা আমার দিকে তাকিয়ে আছে। কি হলো বলো লিলি নামে আমার কোনো বোন আছে বা ছিলো? তখনি আম্মা আমাকে ঠাসস করে থাপ্পড় দিয়ে বলে। আম্মা:- আমার কথায় তোর বিশ্বাস হচ্ছে না। আমার সাথে এমন ভাবে কথা বলার সাহোস কে দিছে তোকে? এত দিন ধরে তোকে ভালোবাসার প্রতিদান এমন ভাবে দিলি? ভাবি:- আল কি হইছে আম্মার সাথে এমন ব্যবহার করছো কেনো? আল:- বাহ সবাই শুধু আমাকে দুষারূপ করছেন! অথচ আমি যা বলছি তার কোনো উত্তর দিচ্ছেন না! যদি আমার কোনো বোন নাই বা থাকতো তাহলে এতিহা কেনো আমাকে বলবে আমার বোনের প্রতিশোধের জন্য এতিহার সাথে প্রেমের অভিনয় করে যাচ্ছি। আম্মা কিছু বলেনি চুপচাপ চলে গেছে এক এক করে সবাই চলে গেছে। নিজের প্রতি নিজের রাগ হচ্ছে। আম্মাকে কষ্ট দিয়ে কথা বলাটা ঠিক হইনি। আমি রুমে এসে ফ্রেশ হয়ে এতিহাকে ফোন করছি। প্রায় পঞ্চাশটা কল করেছি কিন্তু রিসিভ হইনি বরং একটু পর দেখি আর ফোন ঢোকে না। মানে ব্লক করে দিছে। মাথায় কোনো কাজ করছে না কি করবো ভেবে পাচ্ছি না। দরজা বন্ধ করে শুয়ে রইলাম আর কখন যে চোখে ঘুম চলে আসছে বলতে পারবো না। ঘুম থেকে উঠেছি দরজায় শব্দ শুনে। চোখ ডলতে ডলতে গিয়ে দরজা খুলেছি চেয়ে দেখি আম্মা দাঁড়িয়ে আছে। আম্মার চোখ গুলি লাল হয়ে আছে তার মানে আম্মা অনেক কান্না করছে। আম্মা:- ভাত খাবি আয়। আমি কিছু বলিনি আম্মার সাথে গেলাম। বেসিনে গিয়ে হাত মুখ ধুয়ে এসেছি। সবাই রাতের খাবার খেতে বসেছে। আমিও খাচ্ছি তখনি আব্বা বলে। আব্বা:- আজকে সবাইকে একটা সত্য কথা বলতে যাচ্ছি। যদিও দুইজন ছাড়া সবাই যানে সেই সত্যিটা কি। আল কিছু বলছে না তবে দুই জন হলো ভাবি আর আল এমনটাই ধারনা করছে আল আর হলো তাই আম্মা:- হ্যা আল আর বউ মা তোমরা শোনো কথাটা। আমি আর ভাবি দুজনে মায়ের দিকে তাকিয়ে আছি। আমার একটা মেয়ে ছিলো না লিলি। আসাদের চাইতে বড় যে আমাকে প্রথম মা বলে ডাকছে। আল:- তাহলে আপু কোথায়? আম্মা:- আমাকে কথাটা শেষ করতে দে! আল চুপ করে গেছে। আমার মেয়ের নাম ছিলো লিলি ইসলাম। দেখতে শোনতে বেশ সুন্দর কিন্তু এখন সে নেই। তোর যখন তিন বছর তখনি লিলি মারা গেছে। দয়া করে এই ব্যপারে আমাকে আর কোনো কিছু জিজ্ঞেসা যেনো না করা হয়। আর হাঁ আল তোকে বলি তোর বোনটা মারা গেছে এতিহার পরিবারের জন্য। সুতুরাং তার জন্য আমি চেয়েছিলাম এতিহার সাথেও এমনটা করে ওদের বুঝিয়ে দিবো সবচেয়ে কাছের মানুষের ক্ষতি হলে কতটা কষ্ট লাগে। আমি তো আমার প্রথম সন্তানকে কখনো ভুলতে পারবো না কিন্তু সবার সামনে ভুলে থাকার অভিনয় করি। আল:- এতিহার পরিবারের জন্য আপু কেনো মারা যাবে? তখনি ভাইয়া বসা থেকে উঠে গিয়ে বলে। ভাইয়া:- তোর সব জানতে হবে তাইনা! তাহলে শোন। এতিহার ভাইয়া রাজের সাথে লিলি আপুর সম্পর্ক ছিলো। এবং সম্পর্ক এতটা গবির ছিলো যে একজন আরেকজনকে ছাড়া বেচে থাকটাই কষ্ট কর। এদিকে বাবা আপুর বিয়ে ঠিক করে আর আপুর দুই তিনটা বিয়ে নিজের ইচ্ছে ভেঙ্গে দিতো। কিন্তু একদিন আপুর বমি শুরু হতে থাকে তারপর বাবা মা দুজনে আপুকে ডাক্তার দেখায় তখন ডাক্তার বলে। ডাক্তার:- মিষ্টি মুখ করান আপনারা নানা নানি হতে যাচ্ছেন। এই কথা শোনার পর বাড়ির সবাই ভাকরুদ্ধ হয়ে গেছে। কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলে। তারপর আপুকে চাপ দেওয়ার ফলে জানতে পারে এতিহার ভাইয়ার সাথে ফিজিক্যাল রিলেশনের কারণে আপু গর্ভবতী হয়ে যায়। বাবা মা সবাই মিলে রাজের বাবা মায়ের কাছে আর রাজের কাছে যাই। তখন রাজ সবার সামনে অস্বিকার করে। আর আপুকে চিনে না বলে। তারপর অনেক মামলা করা হবে এসব। মিথ্যাকথা বলে আমাদের হুমকি দেয়। এভাবে কিছুদিন যাবার পর রাজ তার বাবা মায়ের পছন্দের মেয়েকে বিয়ে করে নেই। কিন্তু আমরা আমাদের বড় বোনটা হারিয়ে ফেলি কারণ আমার বোনটা আত্মহত্যা করে ফেলে। আমরা সবাই প্লান করেছি এতিহার সাথে তোর সম্পর্ক করাবো। আর যখন সম্পর্ক গভির হবে তখন ঠিক আপুর মতই করতাম এতিহার সাথে। আল:- রাজের শাস্তি এতিহাকে কেনো দিতে চাইছেন? বরং রাজকে তার পাপ্য শাস্তিটা দিলেই হয়। ভাইয়া:- আল তুই কি বলছিস? আল:- হ্যা ঠিকই বলছি বলেই উঠে গেছে। কারো সাথে কেউ কোনো কথা বলেনি। আল রুমে এসে দরজা বন্ধ করে দিছে। আজকের দিনটা এভাবেই কেটে গেলো। আল তার সিমটা বন্ধ করে তার মায়ের কাছে মোবাইলটা দিয়ে দেয়। দিন দিন আল খুব অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। সবার এখন একটা চিন্তা তৈরি হয়ে গেলো। আল বাড়ীতে বসে থাকে সারাদিন করো সাথে কোনো কথা বলে না। এভাবে দুই মাস কেটে গেছে। আম্মা:- আল যা হবার হয়ে গেছে এতে করে নিজের ক্ষতী করে কি হবে বল? সব কিছু ভুলে আবার আগের মত হাসি খুশি ভাবে থাক। আল:- ঠিক আছে তাই হবে। আল তার মায়ের দিকে তাকিয়ে সব কিছু ভুলে গেছে। এতিহার কথা এখন মনে পড়ে না বললেই চলে। আল দিন দিন আগের মত স্বাভাবিক হতে আরম্ভ করছে। এখন একদম ঠিক ঠাক হয়ে গেছে। আল আজ অনেকদিন পরে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে। জুয়েল:- দোস্ত বিয়ে করে নিবো ভাবছি এভাবে আর মেয়েদের পেছনে ঘুরে কি হবে? আল:- মানে এত তাড়াতাড়ি বিয়ে আগে তো চাকরি টাকরি কিছু একটা কর। রাফি:- আরে বোকা ওর বিয়ে আগামী সাপ্তাহ ওর বাবার বন্ধুর মেয়ের সাথে। আর মেয়ের বাবার অনেক টাকা সেই লোভে বলছে বিয়ে করবে। জুয়েল:- আরে দুর বোকা আমি কি সম্পত্তির জন্য বিয়ে করবো নাকী! আমি তো সাথীকে অনেক পছন্দ করি। তাই রাজি হয়ে গেলাম। আল:- তাহলে ঠিক আছে সাদী মুবারক বলেই সবাই মিলে হাসা হাসি যার যার বাড়ীতে চলে এসেছি। দেখতে দেখতে জুয়েলের বিয়ের দিন চলে এসেছে। আজ গায়ের হুলুদ। আল অনেক দেরি করে গেছে জুয়েলের বাড়ীতে। রাফি:- আল এত দেরি করে এসেছিস। কত সুন্দর সুন্দর পরী এসেছে। আল:- তোরা আর ঠিক হলি না। চল জুয়েলের সাথে দেখা করে আসি। রাফি:- তুই যা আমি পরীদের মন ভরে দেখে নেই। আল:- ঠিক আছে দেখ। আল সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠছে তখনি একটা মেয়ে নিচে নামছে আর আলের সাথে ধাক্কা লেগে হাতের থালা পড়ে গেছে। আল চেয়ে দেখে আরে এটা তো এতিহা। তখনি এতিহা তাকিয়ে দেখে আল। আল সরি বলতে যাবে এমনি এতিহা আলকে থাপ্পড় দিতে চাইছে আর আল হাত ধরে নিছে। আল হাতটা ছেড়েই ঠাসস করে এতিহার গালে থাপ্পড় বসিয়ে দেয়। এতিহা গালে হাত দিয়ে অবাক চোখে তাকিয়ে আছে। এতিহা:- আমাকে থাপ্পড় দিয়েছিস তবেরে বলেই গলা টিপে ধরতে গেছে আর আল সরে গেছে। বাছ সিঁড়ি গ্রিলের সাথে ধাক্কা লেগে পড়ে যাচ্ছে তখনি আল হাত বাড়িয়ে ধরে নিছে। আল:- এখন কি করবে যদি ছেড়ে দেয় তাহলে সব অহংকার তো শেষ। চেহারা কোমর সব এক সাথে পিচিং হয়ে যাবে। এতিহা:- প্লিজ আমার হাতটা ছাড়বে না। আল:- আমি তো আগেই বলেছি হাত ছাড়বো না কিন্তু তুমি তো বিশ্বাস করোনি। ঠিক আছে হাত ছাড়বো না বলেই টান মেরে এতিহাকে বুকের মাঝে নিয়ে গেছে। এতিহা:- কি করছো আমি চেচাবো। ছাড়ো আমাকে এতিহা নিজেকে ছাড়াতে চাচ্ছে কিন্তু আল আরো কাছে টেনে নিছে। আল:- এতিহা তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে। তোমার কাছ থেকে কি সুন্দর গন্ধ আসছে কি পারফিউম ব্যবহার করো? তখনি এতিহা কুনি দিয়ে ধাক্কা মেরে নিজেকে ছাড়িয়ে নিছে। এতিহা:- আবার নতুন কোনো ধান্ধা নিয়ে এসেছো? আমি যানি এখন তুমি সব যেনে গেছো আর এখন আমাকে নিজের ফাদে আটকাতে চাচ্ছো? আল:- তোমার মত মেয়ের সাথে প্রেম করবো আমি আরে দুর তোমার থেকে সুন্দর আর ভালো মেয়ে যদি বিয়ে না করি তাহলে আমার নাম আল নয়। এতিহা:- আর তোমার থেকে ভালো ছেলেকে বিয়ে না করি তাহলে আমার নাম এতিহা নয়। দুজনে দুই দিকে চলে গেছে উপর যাচ্ছে এমনি জুয়েলের সাথে দেখা হইছে। যার কারণে আল নিচে চলে আসছে। এতিহা সবার সাথে বসে গল্প করছে তখনি আল জুয়েলকে বলে। আল:- জুয়েল ঐ মেয়েটা কে তোদের বাড়ীতে আগে দেখিনি তো? জুয়েল:- আরে ও হচ্ছে আমাদের খালাম্মার শ্বশুর বাড়ির আত্বীয় লাগে। খালাম্মার সাথে এসেছে। কেনো তোর পছন্দ হইছে? আল:- আরে নাহ। জুয়েলকে নিয়ে আমরা বসে গল্প করছি। সবাই গান বাজনা দিয়ে নিজেদের মত করে নাঁচতেছে। রাফি গিয়ে মেয়েদের সাথে আড্ডায় মেতে গেছে। সবাই ড্রিংক্স করছে যার যার মত কিন্তু আল কিছু খাচ্ছে না। দেখতে দেখতে রাত তিনটা বেজে গেছে। সবাই সবার মত করে চলে গেছে। আল আজকে জুয়েলের সাথে ওর রুমে থাকবে। রুমে ঢোকে দরজা বন্ধ করবে এমন সময় খেয়াল করে দেখে এতিহাকে দুইটা ছেলে ধরাধরি করে একটা রুমে নিয়ে যাচ্ছে আর মোবাইলে বলছে। দোস্ত টেবলেট কাজ হইছে ক্যামারা নিয়ে আয় ভিডিও করে রাখবো। হেব্বি একটা চিজ্ ওদের কথা শোনে আল আর দরজা বন্ধ করেনি। আল তাড়াহুরা করে ওদের পিছু পিছু যেতে আরম্ভ করছে। যেই ওরা রুমে ঢোকে দরজা বন্ধ করবে তখনি আল গিয়ে সামনে হাজির। আলকে দেখে ছেলে দুইটা যার যার মত করে বেড়িয়ে গেছে আল গিয়ে দেখে এতিহা শুয়ে আছে। যেই আল এতিহার পাশে বসেছে তখনি এতিহা চোখ মেলে আলকে দেখেই জড়িয়ে ধরে জুড়ে চিৎকার দিয়ে বলে। তোমরা কেউ কি আছো আমাকে বাচাও। এতিহার চিৎকার শোনে সবাই দৌরা দৌরী করে রুমের ভিতরে এসে হাজির। যেই লাইট অন করছে তখনি দেখে এতিহার জামাটার অনেক দিকে ছিড়া ফাটা। !! চলবে,,,,


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১২৪৬ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মন বুঝা দায় ৬
→ মন বুঝা দায় ৫
→ মন বুঝা দায় ৪
→ মন বুঝা দায় ৩
→ মন বুঝা দায় ২
→ মন বুঝা দায় ১

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now