বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
#পাগল_বউটা_আমার_থুক্কু_পাগলি
মিথিলাঃ ওই ফইন্নির বাচ্চা আমার রুমে আসবি না
মিহিরঃ কেনো?
মিথিলাঃ কোন কারণ নাই , তোকে বলেছি তাই আসবি না
মিহিরঃ আমার লক্ষি বউটা রাগ করে না প্লিজ!
মিথিলাঃ তোর বউ কে রে? (রেগে নাক কাল লাল)
মিহিরঃ কেনো তুমি আমার বউ। আমার লক্ষী কিউট বউ!
মিথিলাঃ তোর বউ হতে আমার বয়ে গেছে। যা ভাগ এখন থেকে।
মিহিরঃ প্লিজ (হাত তুলে)
মিথিলঃ ওই ফইন্নির বাচ্ছা বললাম না যা এখন থেকে। কুত্তা একটা যাবি এখন থেকে নাকি মার খাবি (মিথিলা রেগে গেলে কাকে কি বলছে কিছুই মনে থাকে না তার)
মিহিরঃ আমার বকছো কেনো বাবু?
মিথিলাঃ দাড়া আয়তাছি তোর বাবু বলা বের করতাছি। আর তুই আমার রুম ডুকার সাহস কোথায় পেলি রে কুত্তা।
মিহিরঃ এইটা তো তোমার আমার দুই(২) জনের ঘর। তা হলে আমি বাহিরে থাকবো কেনো (ভয়ে ভয়ে আস্তে আস্তে বলতাছে)
মিথিলাঃ কি বললি এইটা তোর ঘর? কুত্তা তুই আর কোন দিন এই ঘরে আসবি না।
মিহিরঃ তা হলে আমি কোথায় থাকবো?
মিথিলাঃ কোথায় থাকবি তা জানি না কিন্তু এই ঘরে তুই আর আস্তে পারবি না এইটা বলে দিলাম।
মিহিরঃ ওকে (মন খারাপ করে বললো কথাটা)
মিথিলাঃ হুম তুই এখন থেকে আগে যা।
মিহিরঃ শালার এর জন্য প্রেম করে বিয়ে করতে নেই। বাবা মা বলেছিলো প্রেম করে বিয়ে করিস না কিন্তু আমি শুনলাম না এখন বুঝতাছি মজা প্রেম করে বিয়ে করার (মনে মনে বির বির করে বলতাছে মিহির)
মিথিলঃ ওই কি বললি তুই হা?
মিহিরঃ কয় কিছু না তো!
মিথিলাঃ মিথ্যা বলবি না বলতাছি। আমি শুনেছি তুই কিছু একটা বলেছিস
মিহিরঃ সত্যি বলতাছি কিছু বলি নাই। (আমার বউ কান না আর কিছু মনে মনে মনে বললাম তা শুনে ফেলেছে এই কথা টা নিজের মনে মনে ভাবতাছে)
মিথিলাঃ ওকে কিছু না বললি এখন এখন থেকে যা তুই। তোকে একটুও দেখতে ইচ্ছা করছে না।
মিহিরঃ সত্যি চলে যাবো? এখন কতো বাজে জানো?
মিথিলাঃ হুম জানি। রাত ১০:৫০বাজে। এতো কথা বলিস না তো যা এখন থেকে
মিহিরঃ এতো রাতে, বাহিরে কেমন করে থাকবো?
মিথিলাঃ জানি না। আমি শুধু জানি যে তুই এখন এই রুম আসবি না।
মিহিরঃ ---------(চুপ করে দরজার সামনে অসহায়দের মতো দারিয়ে আছে
আসলে মিথিলার রাগ করার কারন হলো আজকে মিথিলার জন্মদিন। মিথিলা মিহিরকে বলেছিলো যে আজকে অফিস থেকে তাড়াতাড়ি আসতে কিন্তু আজকে আরও দেরি করে আসেছে। দেরি করে আসেছে তাতে কিছুনা কিন্তু মনে হয় এখনও মিহির জানে না আজকে পাগলিটার (মিথিলা) জন্মদিন। এতে মিথিলা এতো রাগ করে বসে আছে আর মিহির এর উপর এত্তো রাগ উঠেছে।
কিন্তু মিথিলা মিহির কে খুব ভালোবাসে আর মিহিত মিথিলাকেও খুব খুব ভালোবাসে। ওদের মাঝে প্রায় ঝগড়া হয় কিন্তু তা বেশি সময়ের জন্য না। আর তাদের ঝগড়াটা ভালোবাসার ঝগড়া।
মিথিলাঃ আজকে আমার জন্মদিন আর কুত্তাটার কিছুই মনে নাই। মনে থাকবেই কেনো আমি তো আর তার বউ লাগি না তার বউ তো অন্যরা। তাই আমার জন্মদিনেরর কথা তার মনে থাকবে কেনো? (কান্না কান্না কণ্ঠের বলতাছে একা একাই বলতাছে)
মিহিরঃ তোমাকে একটা কথা বলবো যদি -----( ভয়ে ভয়ে বলতাছে)
মিথিলাঃ তোমার কোন কথাই আমার শুনতে ইচ্ছা করতাছে না যাও তো এখন থেকে (কথাটা বলে কান্না শুরু করে দিলো,)
মিহিরঃ আর চুপ থাকো প্লিজ, বাবা মা উঠে শুনে ফেলবে পরে আমাকে ধুলাই দিবে(মিহির দৌড়ে মিথিলার মুখটা চেপে ধরে বলতাছে কথা গুলো)
মিথিলাঃ শুনলে শুনুক তাতে আমার কি তুমি মার খাবে আমি কি করবো (হাতটা মুখ থেকে সরিয়ে দিয়ে)
মিহিরঃ আমাকে যে মা বাবা বকবে তোমার খারাপ লাগবে না।
মিথিলাঃ না। আমার যে কষ্ট হচ্ছে তুমি যেমন বুঝতাছো না, তা হলে আমার কেনো কষ্টে হবে। (অভিমান কণ্ঠে)
মিহিরঃ তোমার আবার কিসের জন্য কষ্ট হচ্ছে বলতো?
মিথিলাঃ আজকে আমারর জন্মদিন আর তোমার একটুও মনে নাই, আমার বুঝি কষ্ট হয় না?
মিহিরঃ ওরে পাগলি এর জন্য আমাকে এত্তো বকলি। তোমার জন্মদিন আর আমি কেমন করে ভুলতে পারি বলো তো। তুমি আমার পাগলি বউ একটা মাত্ররো বউ তাও এই বউটার জন্মদিনটা আমি কেমন করে ভুলে যেতে পারি বলো তো।
মিথিলাঃ তা হলে আজকে তোমাকে আগে আসতে বললাম কিন্তু তুমি আজকে কেনো আগে আসলে না আর এতো দেরি কেনো করলে।
মিহিরঃ তোমাকে সারপ্রাইজ দেবো তার জন্য দেই হয়ে গেলো।
মিথিলাঃ ও এইটা তোর সারপ্রাইজ যে আজকে দেরি করে আসবি, তুই তাড়াতাড়ি আমার ঘর থেকে বের হয়।
মিহিরঃ ও দেখো আবার রেগে গেছে।
ওকে আমি চলে গেলাম। ভাবলাম আজকে সারপ্রাইজ দেবো। কিন্তু তুমি যখন আমাকে বের করেই দিতেছো তার হলে আর কিছু বলবো না। যাই ছাদে গিয়ে বাবা মা কে বলি তোমার বউমা আসলো না আমার উপর রাগ করেছে ( এই বলে মিহির ছাদের দিকে হাটা দিলো)
মিথিলাঃ কি বললো কুত্তাটা ছাদে গিয়ে বাবা মাকে বলবে (মনে মনে ভাবতাছে)
তার পর মিথিলাও আস্তে আস্তে ছাদের দিকে হাটা দিলো। ছাদে গিয়েতো মিথিলা পুরাই অবাক হয়ে গেলো। এ তো সত্যি বিশাল বড় একটা সারপ্রাইজ।
ছাদে একেবারে সম্পূর্ণটা অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছে আর তার সাথে মিথিলার বাবা মা এবং মিথিলার সব চেয়ে প্রিয় ছোট্ট আপুটাও আসেছে। মিথিলা এই সব দেখে কান্না চলে আসেছে কিন্তু এই কান্নাটা আনন্দের কান্না।
মিহিরঃ কিরকম সারপ্রাইজ দিলাম?
মিথিলাঃ তুমি আগে বলো নাই কেনো?
মিহিরঃ তুমি বলার টাইম কোথায় দিলে। রুম যাবার সাথে সাথে ঝগড়া শুরু করে দিলে।
মিথিলাঃ তাও ঠিক। আর বাবা মা কে কোন সময় আনলে বললে না তো।
মিহিরঃ তাদের আনতে গিয়েই তো দেরি হয়ে গেলো। তাতে তুমি রেগে গেলে। তার উপর কেকটা আনতে দেরি হলো
মিথিলাঃ ও নো সরি মিহির আমি বুঝতেই পারি নাই তাই। আর খুব রাগ হয়েছিলো তাই বলে ফেলেছি
মিহিরঃ ওকে এখন তোমার বাবা মার কাছে যাও।
মিথিলা ওর বাবা মার কাছে গেলো ওর বাবা মা কেকের টেবিলের সামনে দারিয়ে ছিলো। সাথে মিহিরের ফ্যামিলির সবাই আছে ওখানে।
মিথিলা ওর মার কাছে গেলো আর মিথিলার মা বললো ----
মিথিলার মাঃ কিরে মিহিরের উপর এতো রাগ করিস কেনো। আর ওরে এতো বকলি কেনো মিহির তো তোকে খুব ভালোবাসে যার জন্য তোকে কিছুই বলে নাই। ওরে কষ্ট দিস না
মিথিলাঃ না মানে
মিথিলার মাঃ হয়েছে আর তোর বলতে হবে না। যা কেকটা কাট মিহিরের সাথে।
মিথিলা চুপ করে মিহিরের মা এর কাছে গেলো। সেখানেই মিহির চিলো।
মিহিরের মাঃ আম্মু কেমন সারপ্রাইজ দিলাম আমরা সবাই মিলি (মিথিলাকে বললো)
মিথিলাঃ এর জন্যি আজকে আপনি আমাকে ছাদে আসতে দেন নাই
মিহিরের মাঃ হুম। চলো কেকটা সবাই মিলে
তার পরে মিথিলা আর মিহির মিলে কেকটা কাটলো। মিথিলা মিহিরকে অল্প একটু কেক খাওয়ে দিলো আর মিহির মিথিলাকে।
মিহিরঃ কেমন লাগলো সারপ্রাইজ টা(কানে কানে বললো)
মিথিলাঃ তুমি আগে আমাকে এই সব বলো নাই কেনো
মিহিরঃ বললাম তো সারপ্রাইজ দেবো তাই
মিথিলাঃ ধন্যবাদ মিহির
মিহিরঃ আই লাভ উই
মিথিলাঃ আই লাভ উই টু
ওদিকে সবাই মিহির আর মিথিলার কাণ্ড দেখতাছে আর মিটিমিটি হাসতাছে।
সত্যি দুইজন দুই জনকে খুব ভালোবাসে
#লেখকঃবুদ্ধু_পাগল
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now