বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মিসরীয় সভ্যতা ও ইসলাম ধর্ম-01

"ভিন্ন খবর" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X মুসলিম জাতির দাবি তারা পৃথিবীতে বিজ্ঞানের দিক দিয়ে সব চেয়ে এগিয়ে থাকা এবং জ্ঞান গর্ভ এক জাতি। কারন তাদের ধারনা তাদের প্রধান ঐশরিক কিতাব বলে প্রচলিত পবিত্র গ্রন্থ কোরান হচ্ছে সকল বিজ্ঞান জ্ঞানে পরিপুর্ন এমন এক কিতাব যেখানে বিগত ১৪০০ বছর ধরে বিজ্ঞান যত আবিষ্কার করেছে তা এবং আগামীতেও যত আবিষ্কার হবে তার সকল কথা সেখানে লেখা আছে বলে মুসলিম জাতির ধারনা। অর্থাৎ কোরান হচ্ছে সকল বিজ্ঞানের মূল। কিন্তু ইতিহাস দেখলে আমরা পাই অন্য আরেক নমুনা। এই ইসলাম ধর্ম তৈরি হবার হাজার হাজার বছর আগে মিশরীয় সভ্যতার মানুষ যা আবিষ্কার করে গিয়েছে তার কোন কিছুই মুসলিম বা আরব সভ্যতার মানুষের দ্বারা এই ১৪০০ বছরে করে দেখানো সম্ভব হয় নাই। শুধু তাই না মিশরের বুকে দাঁড়িয়ে থাকা এক একটা স্থপনা আজ পর্যন্ত পৃথিবীর মানুষের কাছে আশর্যের বিষয় হয়ে আছে। ইতিহাসবিদেরা যখন মিশরীয় সভ্যতার দিকে তাকান তখন তাদের চোখে থাকে রোমাঞ্চ, কৌতুহল, আর এডভেঞ্চার। তাদের দাবী এমন যে, পার্শবর্তী আরব্য সভ্যতা কোন আবিষ্কার তো দূর বরং যদি দাবি করা হয় মিশরীয় সভ্যতা থেকে তাদের গনিত বিদ্যা, জোতির্বিদ্যা, ও লেখার কৌশল কপি করে তারা বিজ্ঞানী হয়েছে তাহলে মুসলিম জাতির জবাব দেবার যায়গা থাকে না। দেখুন ইতিহাস কি বলে। মিশরীয় সভ্যতার ফারাও রাজত্ব শুরু হয়েছিলো আনুমানিক আজ থেকে প্রায় ৫৫০০ বছর আগে অর্থাৎ খৃষ্টপুর্বাব্দ ৩৫০০ সালের দিকে। সে সময়ে মিশরে অনেক নতুন নতুন আবিষ্কার হয়েছিলো পাশাপাশি ধর্মীয় কুসংস্কারও ছিলো। এ পর্যন্ত মিশরে কয়েকশত দেব দেবীর আগমন ঘটেছিল তখনকার মন্দিরের পুরোহিতদের হাত ধরে। একসময় মিশরে ফারাও মামোস রাজাদের রাজত্ব শেষ হয়। শুরু হয় রামেসিস যাদেরকেও এই ফারাওদের বংশধর বলা হতো কিন্তু আসলে তারা মূল ফারাও ছিলো না। এই রামেসিস এর দ্বিতীয় ফারাও রাজা বা ইংরেজি রামেসিস ২ বলে যে রাজা ছিলো তাকে মুসলিম জাতি তাদের ধর্মীয় জ্ঞানের সাথে মিশিয়ে ফেলেছেন। এই ফারাও রাজা দ্বিতীয় রামেসিসকে মুসলমানেরা চেনে ফেরাউন নামে। আরবী ফৌরান, মিশরিয়া ফারাও আর ইংরেজিতে যা রামেসিস। মমি বিজ্ঞান ছিলো মিশরীয় সভ্যতার একটি সামান্য আবিষ্কার। তারা ধারনা করতো মানুষ মৃত্যুর পরে আবার নতুন করে আরেকটি জীবন পায় যেখানে গিয়ে সে আবার তার নতুন জীবন শুরু করে। ভবিষৎ এ কোনোদিন সে আবার পৃথিবীতে ফিরেও আসতে পারে তাই তার মৃত দেহ তারা মমি করতে শুরু করে। ধারনা করা হয় সেসময় মিশরে বিভিন্ন প্রানীর মাংশ আচার করে দীর্ঘদিন রেখে খাবার প্রচলন চালু ছিলো আর সেই ধারনা থেকে তারা মানুষের মৃত দেহকে মমি করার বিজ্ঞান আবিষ্কার করে। আশ্চর্যের ব্যাপারে হচ্ছে আজ পর্যন্ত বিজ্ঞানীরা মমিতে ব্যবহার করা তাদের মূল উপাদান কি ছিলো তা আবিষ্কার করতে পারেনি। এরকম নানা রহস্য দিয়ে পরিপুর্ন আছে মিশরীয় সভ্যতা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৩৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মিসরীয় সভ্যতা ও ইসলাম ধর্ম-01

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now