বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মিশরীয় গুপ্তধন-০৬

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X স্পাই থ্রিলার, মিশরীয় গুপ্তধন আবুল ফাতাহ মুন্না --------------- (পর্ব-৬) ------------ তিন প্রায় দশ হাজার বছর আগের কথা।স্থান,উত্তর আফ্রিকা।বিশাল এলাকা জুড়ে নয়নাভিরাম হ্রদ। ছোট ছোট নদী বয়ে চলেছে কুলকুল করে।চরে বেড়াচ্ছে লম্বা গলার জিরাফ এবং আরো অনেক প্রাণী। পাঁচ হাজার বছর আগে একদিন হঠাৎ করেই শুরু হল পরিবর্তন।আফ্রিকা থেকে বাতাস বয়ে নিয়ে আসতে শুরু করল বিপুল পরিমাণে ধুলো।বাতাসের আদ্রতা কমতে শুরু করল।আরো ধুলো এল,জমা হল।বিশাল সব হ্রদ ভরে উঠল বালিতে।হাজার বছরের পরিক্রমায় এক সময় জন্ম নিল এক ধূসর আতঙ্ক। সাহারা! সাহারা,পৃথিবীর সবচাইতে বড় মরুভূমি। মিশর,মরক্কো,আলজেরিয়া,তিউনিশিয়া,লিবিয়া,চাদ,সুদান,নাইজার পর্যন্ত যার বিস্তৃতি।আয়তন নব্বই লক্ষ বর্গকিলোমিটার। আকাশের তপ্ত সূর্যটা ইচ্ছেমত গনগনে আগুন ঢেলে যাচ্ছে সাহারাতে।রোদের প্রখরতায় দূর দিগন্ত কেঁপে কেঁপে উঠছে থেকে থেকে।ঢেউ খেলানো বালিয়ারির ভাঁজে ভাঁজে কখনো সখনো ঝিক করে উঠছে কী যেন।মনে হয় যেন পানি,আসলে মরীচিকা। বেশিক্ষন তাকিয়ে থাকা যায় না খালি চোখে। টপটপ করে পানি পড়তে শুরু করে।খালি মাথায় অনভ্যস্ত কেউ আধঘন্টার বেশি এই জ্বলন্ত তন্দুরের মধ্যে দাঁড়িয়ে থাকলে নিশ্চিতভাবেই ডিহাইড্রেশনের শিকার হবে। প্রথমে কিছুক্ষন গরমে পুড়ে যাবার অনুভূতি,এরপরই শুরু হবে কাঁপুনি। আশ্চর্য হলেও সত্যি,কাঁপুনিটা হবে তীব্র শীতে! সারা শরীর হি হি করে কাপতে থাকবে ওই দূর দিগন্তের মত।প্রখর রোদকে মনে হবে হিম তুষার।একটা কম্বলের জন্য হাহাকার করে উঠবে মন! এরপর তীব্র মাথাব্যাথা,সেই সাথে বমি।ঠোট ফাঁটতে শুরু করবে। এবং এক সময় তাঁকে ঘিরে ফেলবে হিমশীতল মৃত্যু! বিশাল এই সাহারার বুকে তিনজন আরোহী নিয়ে ছুটে চলেছে একটা সাদা রঙের ল্যান্ড রোভার। যদিও এই মুহুর্তে ওটাকে সাদা বলার উপায় নেই।তপ্ত মরুর ধুসর বালিতে ঢাকা পড়ে ওটাও ধুসর রঙ ধারণ করেছে।ঠিক ধুসর বললে রঙটাকে ঠিকমত বোঝা যাবে না।হাজার বছর রোদে পুড়ে কেমন তামাটে বর্ণে পরিণত হয়েছে বালিকণাগুলো। ল্যান্ড রোভারের তিন যাত্রী হল,সাইফ হাসান,শেইখ সালাহউদ্দিন আর ড্রাইভিং সীটে মোবারক সিদ্দিকি।মোবারক সাইফের কথামত কাটায় কাটায় ঠিক সাড়ে সাতটায় নীল হিলটনে উপস্থিত হয়।তৈরিই ছিল সাইফ।দেরী না করে তক্ষুনি বেরিয়ে পড়ে ওরা।শেইখ সালাহউদ্দিনকেও বলা ছিল।তাকে তার বাড়ি থেকে পিকআপ করেই রওনা দেয় মরুভূমির উদ্দেশ্যে।কায়রো ছাড়ার পর পরই শেইখ সালাহউদ্দিন ম্যাপ বের করে নাসের বিন ইউসুফের নির্দেশিত এরিয়াটা চিনিয়ে দেয় মোবারককে।সেখানে পৌঁছতে প্রায় দুঘন্টা লেগে গেছে ওদের। মোবারক এরিয়াটা দেখে ধারণা করেছে এটার ব্যাপ্তি হবে প্রায় ১১৫ বর্গমাইল। শুনে সাইফ সিদ্ধান্ত নিয়েছে পুরো এরিয়াটা তিনভাগ করে করে তিনদিনে খোঁজাখুঁজি চালানো হবে।একদিনে ৪০ বর্গমাইল করে।মরুভূমির জন্য এটা নেহায়েত কম না।তাছাড়া দুপুরের দিকে রোদটা একেবারে অসহ্য হয়ে ওঠে।ওই সময় খোঁজাখুঁজি বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছে মোবারক।সাইফও মেনে নিয়েছে।শেইখ সালাহউদ্দিন হয়ত সহ্য করতে পারবেন না এতটা ধকল। মরুভূমিতে ঢোকার পর মোবারক আবারও সেই প্রশ্নটা করেছিল,‘আমাদের ঠিক কী খুঁজতে হবে।’ এবারও সাইফ সেই আগের জবাবটাই দিয়েছে। সাইফের কথামত মোবারকও আর মাথা ঘামায়নি এ নিয়ে। সাইফ নিজেও জানে না,আসলে ঠিক কী খুঁজছে ওরা।এখানে,মরুভূমিতে মাঝে মধ্যেই নাসের বিন ইউসুফের বর্ণিত পাথরের স্তুপের মত দেখা যাচ্ছে।সব একই রকম লাগে দেখতে।এরমধ্যে কোনো পিরামিডের ধ্বংসস্তুপ আলাদা করে চিহ্নিত করা একটা দুঃসাধ্য কাজ মনে হচ্ছে সাইফের কাছে।আর চলন্ত অবস্থায় সেটা স্রেফ অসম্ভব।একেবারে কাছ থেকে না দেখলে বোঝা খুবই মুশকিল।নাসের বিন ইউসুফ ভাগ্যক্রমে সেই ভগ্ন পিরামিডের খুব কাছে চলে গিয়েছিলেন বলেই বুঝতে পেরেছিলেন সেটা একটা পিরামিড।সুগম জায়গায় ওটার অবস্থান হলে চার পাঁচ হাজার বছর ধরে পিরামিডটা সবার চোখের আড়ালে থেকে যেত না। তবে,শেইখ সালাহউদ্দিনকে খুব বেশি চিন্তিত দেখাচ্ছে না এ নিয়ে।যেন তিনি জানেন কী খুঁজতে হবে।আসলেই কী তাই? নাকি অন্য কোনো ব্যাপার আছে এর মধ্যে? সাইফের কেন যেন মনে হচ্ছে শেইখ সালাহউদ্দিন ওকে সবটা বলেননি।কিছু একটা গোপন করে যাচ্ছেন।বাজে একটা সন্দেহ যে একেবারে আসেনি তা নয়।বেশ কয়েকবারই এসেছে।কর্নেলকে মেইলটা করার পর নাসের বিন ইউসুফের কি জায়গাটার সঠিক পজিশন মনে পড়ে গিয়েছিল? হয়ত। এবং সেটা সালাহউদ্দিনকে বলেও গিয়েছেন।কিন্তু সযত্নে ব্যাপারটা চেপে যাচ্ছেন সালাহউদ্দিন। সাইফের আই-ওয়াশের জন্য মরুভূমিতে নিয়ে এসেছেন।কয়েকদিন ঘোরাঘুরির পর যখন একসময় ট্রেজারের সন্ধান না পেয়ে সাইফ হতাশ হয়ে ফিরে যাবে ঠিক তখনই...নাহ তাই বা হয় কী করে? নাসের বিন ইউসুফ এত বড় একটা দায়িত্ব নিশ্চয়ই যোগ্য লোকের হাতেই দিয়ে গেছেন। পরক্ষনেই সুমাইয়াকে বলা ওর নিজের সেই কথাটাই মনে পড়ে যাচ্ছে,“আমি যে জিনিসটার জন্য এসেছি সেটার গায়ে মানুষের রক্ত লেগেই যায়।মানুষের আদিম প্রবৃত্তিই কিভাবে কিভাবে যেন টেনে আনে এদিকে।অন্তত ইতিহাস তো তেমনই বলে।“ এখানেও ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হতে যাচ্ছে না তো? আপাতত অবশ্য সাইফের কিছু করারও নেই চুপচাপ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষন করা ছাড়া।দেখা যাক,তিনদিনের অনুসন্ধান শেষে কোনো কূলকিনারা হয় কিনা।এরপর অবস্থা বুঝে সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে। আপাতত যেটা করা যায় সেটাই করছে সাইফ।বাইরে তাকিয়ে প্রকৃতি দেখছে।অবশ্য যদি এটাকে প্রকৃতি বলা যায়। বাঁজা মরুভূমি।উষর,শুষ্ক,রুক্ষ।সবুজ তরুলতার সাথে আজন্ম দুশমনী।নিজের গায়ে স্পর্শও লাগতে দিতে নারাজ।শত্রুতা বৃষ্টির সাথেও।বছরে গড়ে ২০ সে.মি. এর বেশি বৃষ্টি হয় না এখানে।মাঝে মধ্যে অবশ্য কিছু মরুদ্যান দেখা যাচ্ছে,সেগুলোও রুক্ষ।পেছনে রেখে আসা কিছু মরুদ্যান বেদুইনরা দখলে নিয়েছে। যতই সাহারার গভীরে ঢুকে পড়ছে মরুদ্যানের সংখ্যা ও আকার ততই কমছে। ফেলে আসা পথে কিছু পিরামিড চোখে পড়েছিল। কায়রোর উপকন্ঠ গিজায় অবস্থিত সবচাইতে বড় খুফুর পিরামিডও চলন্ত অবস্থায় দেখেছে এক নজরের জন্য। আঁশ মেটেনি।মিটবার কথাও না।মিশরে এসে পিরামিডের গা স্পর্শ না করা রীতিমত অন্যায়। একটাবারের জন্য হলেও ভেতরে না ঢোকা গুরুতর অপরাধ।হাজার হাজার বছর আগে আকাশ ছোঁয়া এই পিরামিডগুলো এতটা নিখুঁতভাবে কি করে তৈরি করা হয়েছিল,ভাবতে গেলেই ধাঁধিয়ে ওঠে মন। আলেকজান্দ্রিয়ার লাইব্রেরীটা অকালে ধ্বংস না হলে হয়ত এতটা মাথা ঘামাতে হত না মানুষকে। উত্তরটা পেয়ে যেত। ‘আমাদের বোধহয় এবার থামা উচিৎ।’ পাশ থেকে মোবারকের কন্ঠস্বর শুনতে পেয়ে চটকা ভাঙ্গল সাইফের। সাইফ মাথা ঝাঁকিয়ে সায় জানাতেই গাড়িটা ঝাঁকি খেয়ে থেমে গেল।মাথায় চওড়া ব্রিমের হ্যাট চাপিয়ে সাইফ বেরিয়ে এল গাড়ি থেকে। রোদের উত্তাপ আরো প্রবল হয়েছে।সারা গা চিড়বিড় করছে। বেলা দুটো পর্যন্ত ওখানে একটা অস্থায়ী তাবু খাটিয়ে বিশ্রাম নিল ওরা।খাবার দাবারও সেরে নিল এই ফাঁকে।রোদের তেজ কিছুটা কমতেই ফের যাত্রা শুরু।একেবারে সন্ধ্যা পর্যন্ত।প্রথম দিনের টার্গেট,চল্লিশ কিলোমিটার এলাকা কাভার হতেই ফিরে চলল কায়রোর উদ্দেশ্যে।কাল আবার আসবে। প্রথমদিনের অনুসন্ধান শেষে ফলাফল শূন্য। হোটেলে ফিরতে বেশ রাত হল সাইফের।সারাদিনের ক্লান্তিতে কোনোমতে খাবার সেরে বিছানায় লম্বা হতেই গভীর ঘুমে তলিয়ে গেল। পরদিন আবার শুরু হল সেই একঘেয়ে,ক্লান্তিকর অনুসন্ধান।নির্জন সাহারা স্নায়ুর উপর প্রচন্ড চাপ ফেলে।মরুভূমিতে পথ হারানো অনেক মানুষই নার্ভাস ব্রেকডাউনের শিকার হয়ে মারা পড়ে।কারণটা বুঝতে পারছে সাইফ বেশ ভাল মতই। দ্বিতীয়দিনটাও কেটে গেলে ঘটনাবিহীন।তারপরের দিনটাও। সেই সাথে অনুসন্ধান শেষ হল ১১৫ বর্গমাইলের সার্চ এরিয়ার।এই তিনদিনের আশাব্যাঞ্জক কিছুই ঘটেনি।তবুও এত সহজে হাল ছাড়তে নারাজ সাইফ।যে পিরামিড হাজার বছর ধরে লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে গেছে সেটা ওরা ক’দিনেই পেয়ে যাবে,এমনটা ভাবার অবকাশ নেই। নাসের বিন ইউসুফের মত ভাগ্য সবার হয় না।ওদের পরিশ্রম করে খুঁজে নিতে হবে। প্রথম দফা অনুসন্ধান শেষে ওরা সবাই খুবই ক্লান্ত। এজন্য শেইখ সালাহউদ্দিনের সাথে পরামর্শ করে একদিনের বিরতি দিয়ে দ্বিতীয় দফা অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সাইফ।শেষেরদিন শেইখ সালাহউদ্দিনের মুখেও দুঃশ্চিন্তার ছাপ দেখতে পেয়েছে সাইফ। অভিনয় কিনা বুঝতে পারেনি।না হলেই ভাল।মানুষটাকে ওর পছন্দ হয়েছে।তার সাথে ঝামেলায় জড়াতে ওর ভাল লাগবে না।অন্তত সুমাইয়ার খাতিরে হলেও! দ্বিতীয় দফা অনুসন্ধানের প্রথম দিনটাও কেটে গেল আশাব্যাঞ্জক কোনো ঘটনা ছাড়াই।দিনশেষে সাইফের প্রত্যাশার পারদ কিছুটা হলেও নেমে গেছে।পরের দুটো দিনে হয়ত শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।এরপর নতুন করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে,তৃতীয় দফার অনুসন্ধান শুরু করবে নাকি দেশে ফিরে যাবে শূন্য হাতে। *** দ্বিতীয় দফা অনুসন্ধানের দ্বিতীয়দিন একটা ঘটনা ঘটল। ওইদিন হঠাৎ করেই মধ্যাহ্নের বিরতির কিছুটা সময় আগে শেইখ সালাহউদ্দিন অসুস্থ হয়ে পড়লেন।সম্ভবত ডিহাইড্রেশন।তাকে দোষ দেয়া যায় না।বয়স হয়েছে তার।সাইফের মত সামরিক অফিসারকেই যেখানে হিমশিম খেতে হয় সেখানে তিনি এই কয়দিন সুস্থ ছিলেন সেটাই বেশি।সাইফ হতাশ হয়ে উপলদ্ধি করতে পারল,শেইখ সালাহউদ্দিনের এই অবস্থায় তৃতীয় দফা অনুসন্ধানের চিন্তা অবান্তর।কালকের মধ্যে যদি কিছু না হয় তবে...বাকিটা আর ভাবতে চাইল না সাইফ। ঘন্টাখানেক বিশ্রাম নিতেই বেশ সুস্থবোধ করলেন শেইখ সালাহউদ্দিন।ভাগ্যক্রমে ওরা আজ যাত্রা বিরতি নিয়েছে একটা মরুদ্যানের পাশেই।খাওয়া দাওয়ার পর শেইখ সালাহউদ্দিন বললেন,মরুদ্যান থেকে একটু হেঁটে আসতে পারলে নাকি তার ভাল লাগবে।সাইফ নিজ থেকেই তাকে ঘুরিয়ে আনার প্রস্তাব করল। মোবারককে তাবুতে রেখে ওরা বেরিয়ে এল। মরুদ্যানের পরিবেশ কিছুটা হলেও শীতল।বাইরের মত বাতাসটা গায়ে জ্বালা না ধরিয়ে আরামই দিচ্ছে। ছোট ছোট শুষ্ক গাছগুলো অবশ্য তেমন ছায়া বিলাবার মত পর্যায়ে পৌঁছতে পারেনি।নিষ্ঠুর সাহারা পৌছতে দেয়নি। মোবারকের শ্রবণসীমা পেরিয়ে এসে হঠাৎ শেইখ সালাহউদ্দিন বলে উঠলেন,‘আচ্ছা,আপনি তো জানেন যে,নাসের মৃত্যুর আগে আমাকে ওই পিরামিডের সম্ভাব্য পজিশন জানিয়ে যায়,তাই না?’ ‘হ্যাঁ।’ মাথা ঝাঁকাল সাইফ।‘তো?’ ‘ভুল জানেন আপনি।’ হঠাৎ করে মাথাটা ঘুরে উঠল সাইফের।এতদিনের অমানুষিক পরিশ্রমের পর শেইখ সালাহউদ্দিন এখন এসব কী বলছেন? --------- ।। একাকি কন্যা ।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৯৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মিশরীয় গুপ্তধন-০৬

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now