বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মীর জুমলা সেতু
মীর জুমলা মানুষ হিসেবে কারো কাছেই অপরিচিত নন। তৎকালীন পূর্বাঞ্চলীয় ভারতের বাংলার (বঙ্গ) নামকরা সুবাদার ছিলেন তিনি। পাগলা সেতু তারই অবদান। পাগলা সেতু একটি মূঘল আমলে নির্মিত সেতু। এর ধ্বংসাবশেষ রাজধানী ঢাকার ৪.৫ কিমি পূর্বে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সড়কের পাগলা এলাকায় অবস্থিত। আনুমানিক ১৬৬০ সালে সেতুটি নির্মিত হয়। সুবাদার মীর জুমলার আমলে ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বেশ কিছু মুঘল স্থাপনা যেমন রাস্তা, সেতু, সংযোগ সড়ক নির্মিত হয়। তিনি রাজধানী ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ (তৎকালীন খিজিরপুর)এর সংযোগকারী রাস্তার পাগলা নামক স্থানে সেতুটি নির্মাণ করেন। ধারনা করা হয় এখানে একসময় পাগলা নদী প্রবাহিত ছিল যার উপর সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে ফরাসী পর্যটক টেভারনিয়ার এর বর্ণনায় পাগলা সেতুটির উল্লেখ পাওয়া যায়। এটিকে তিনি ‘ইটের একটি সুন্দর সেতু’ বলে অভিহিত করেন। ১৮২৪ সালে কলকাতার লর্ড বিশপ হেবার পাগলার সেতুটি দেখতে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। তিনি এটিকে স্থাপত্যের একটি চমৎকার নিদর্শন হিসেবে চিহ্নিত করেন। এছাড়াও চার্লস ড’য়লির আঁকা ছবিতে পাগলার সেতুটির ভগ্ন অবস্থার যে চিত্র পাওয়া যায় তাতে সেতুটি যে দৃষ্টিনন্দন ছিল তার প্রমান পাওয়া যায়। বর্তমানে সেতুটির পিলারগুলোর কয়েকটি ধ্বংস হয়ে গেলেও ইতিহাসকে সঙ্গী করে টিকে আছে পাগলা সেতু।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now