বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

মেয়েদের প্রেম

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়েন সরকার (০ পয়েন্ট)

X নাইন কিংবা টেইনে পড়া একটা মেয়ে যতই ম্যাচিউর হোক সম্পর্কের হিসেবগুলো এরা ঠিকঠাক বুঝে না।তখন এরা সম্পর্কে জড়ায় ভবিষ্যৎ কিংবা ম্যাচিং বিষয়টা মাথায় না রেখেই! . এই বয়সটায় এদের চারপাশটা থাকে রঙ্গিন।নিজেকে ভালো পোশাকে জড়ালে ভালো লাগবে কিংবা কোন পোষাকটার সাথে কোন কালার টিপ পরলে ভালো লাগবে এই হিসেবগুলোয় পাকাপোক্ত হলেও কখনো মাথায় আসেনা ঠিক কোন ছেলেটার সাথে সম্পর্কে যাওয়া যায়! . বেশির ভাগ মেয়েই সম্পর্কে জড়ায় কেবল একটা বয়ফ্রেন্ড দরকার এই জন্য।কারন ওর সবগুলো বান্ধবীর একটা করে বয়ফ্রেন্ড আছে।এদের দুর্বলতা থাকে টাইমলাইনে থাকা ছেলেগুলোর প্রতি।হোক ছেলেটা বখাটে কিংবা ভবঘুরে! . আর তাই বেশির ভাগ স্কুল জীবনে গড়ে উঠা সম্পর্কগুলো কলেজ পর্যন্ত গড়ালে ইতি ঘটে যায়।কারন তখন মাথায় আসে সহপাঠী একটা ছেলে হলে খুব ভালো হয়।সবকিছু বুঝতো সহজেই।তাইতো সার্কেল কিংবা সার্কেলের বাইরে মেয়েলী স্বভাবের কোন ছেলেকে খুঁজতে থাকে। . অপ্রিয় হলেও সত্য মেয়েলী স্বভাবের একটা ছেলেকেও আমি সিঙ্গেল দেখিনি!এদের প্রতি মেয়েদের ইন্টারেষ্ট বেশি থাকে। . জমিয়ে প্রেম করে কলেজ লাইফ থেকে ভার্সিটি লাইফে এলে কোন ভাবেই একটা সহপাঠীকে স্বাভাবিক ভাবে ভালো লাগেনা আর।কিংবা ভবিষ্যতের চিন্তা করে হলেও সম্পর্কটা আর টিকে না। . অনার্সে ভর্তি হওয়া একটা মেয়ের ম্যাচিউরিটির কাছে সহপাঠী একটা ছেলের ম্যাচিউটির তুলনা হাস্যকরই!যখন মেয়েটা ভাবে মনের মানুষটাকে কিভাবে আপন করে পাওয়া যায় ঠিক তখন ছেলেটা ভাবে পার্কে গিয়ে দুজন বসে বসে বাদাম চিবানোর কথা! . তাইতো যখন মেয়েটাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য পরিবার চাপ দেয় মেয়েটা না করতে পারে না।বিশ্বাস রাখতে পারেনা অনিশ্চিত একটা সম্পর্কের প্রতি। . আর তখন ভালোবাসাগুলো কেবল স্মৃতি হয়েই রয়ে যায়,পায়না পূর্নতা!দুপ্রান্তে দুটি মানুষ সারাজীবন ভেবেই যায় নিয়তিটা কেন এমন হলো। . আমি বলছিনা সহপাঠী মানেই সম্পর্কের পরিনতি এমন হবে।পূর্নতাও পায়,তবে সেটা হয়তো কয়েক হাজারে একটা কি দুইটা। . এবার সুন্দর একটা বাস্তব ঘটনা বলি।আমার রুমম্যাটের এক বড় ভাই গ্রামে ক্লাশ সিক্সে পড়া সহপাঠী একটা মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়েছিল।মেয়েটা সেভেনে উঠতেই বিয়ে দিয়ে দেয় পরিবার। . ছেলেটা এখন অনার্স মাষ্টার্স কমপ্লিট করেও বিয়ে করেনি।শুনলাম কিছুদিন আগে তার পুরনো সেই গার্লফ্রেন্ডের মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। . তার পরের ঘটনাটা থেকেই যাক।সেটা না হয় নাই বললাম।শুধু শুনেছি সেভেনের সেই গার্লফ্রেন্ড বলেছিল "বুইড়া ব্যাটা তোর লজ্জা করে নাই আমার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিতে"! [] Mostafa Kamal Riad []


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ মেয়েদের প্রেম
→ মেয়েদের প্রেম

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now