বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমি আঁকতে জানি ,তাই নিজেই সেসব এঁকে নিতে পারব। ” এই বলে মেয়েটি থামল ।
তখন সদাশিব বাবু তাকে সুন্দর দেখে অনেক শাড়ি বের করে দিলেন আর কথার ফাঁকে তার নাম কি, বাড়ি কোথায় আর বাড়ি্তে কে কে আছে জেনে নিলেন মেয়েটির নাম শ্রী।
বেশ ছোট্ট নাম ও সুন্দর। বাড়ি গোপালবাগে।তার বাড়িতে তার বাবা, মা ও ছোট বোন ছাড়া কেউ নেই ।অল্প কয়েক বিঘে জমি আছে যেখানে তার বাবা ছোট্ট ছোট্ট চারাগাছের সৃষ্টি করে । তার পর হাটবারে সেই চারাগাছ বিক্রি করে দেয় ।
সারাদিন গাছেদের যত্ন, নতুন কলম তৈরী , বীজের চারাদের দেখাশুনা করা এতেই সব সময় চলে যায় ।মা অনেক রকম সেলাই-ফোঁড়াই জানে । নানা রকমের সুতোর জালে শাড়ি, চাদর বুনে ফেলে অবসর সময়ে ।
ছোট্ট থেকে শ্রী তার মায়ের কাছে শিখতে শুরু করেছে হাতের কাজ । একটু একটু করে শিখে আজ সে নিজে বাড়িতে আরো অনেক কে শেখায় । এই ভাবেই তাদের সংসার চলে । মেয়েটি সম্পর্কে সদাশিব বাবু খোঁজ় নিয়ে এত কিছু জেনে মনে মনে খুব খুশী হলেন । যদিও দোকা মেয়েটি কে দেখে তিনি মুগ্ধ হয়েছিলেন ।
আজ আরও খুশী হলেন । এরকম মেয়েই তো তিনি খুঁজছিলেন । কিছু দিনের মধ্যেই তিনি মেয়ের বাড়িতে হাজির হলেন ।
মেয়ের বাবা , মা তো সদাশিব বাবুকে ফুল তোলা কার্পেটে বসালেন । ঘরের চারিদিকে চোখ বুলিয়ে সদাশিব বাবু বুঝতে পারলেন ঘরদোর গুছানো । দেওয়ালের কোণায় কোণায় হাতের কাজের নিপুণ ছোঁওয়া ।
এত কিছু দেখা সত্ত্বেও তার মনের মধ্যে ছোট্ট পরীক্ষা নেওয়ার ইচ্ছা জেগে উঠল। তিনি মেয়েটিকে ডেকে ঘি রঙের গরদের শাড়ি ও একটি আকাশী রঙের শাড়ি দিলেন ।
ইচ্ছা করে বললেন “এই শাড়ি দুটি তে কি কাজ করা যায় বলতো মা, আমি কিছুতেই ভেবে পাচ্ছিনা, অথচ কম খরচে সুন্দর কোন কাজ আমাকে করে দিতে বলেছে একজন ।
তুমি বলতে পারো এত কম খরচে কি করে শাড়িটি সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা যায় ?” মেয়েটি এক পলক তাকিয়েই বলল, -“আপনি নিশ্চিন্তে থাকুন , আমি দেখছি কি করা যায় ।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now