বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কমিল্লার নয়াপারা গ্রামে করিম নেওয়াজের ছোট পুএের বিয়ে। এই সেই বিয়ে না। বিশাল অনুষ্টান করে বিয়ে হচ্ছে। কীজন্যই বা হবে না? বাবার যক্ষের ধন গুলো ছিলো না। সেটা দিয়ে চালিয়ে দিলো। বাবার এত ধন সম্পদের পেছনে এক বিরাট কাহিনী রয়েছে। আমি সেই কাহিনী এখন তোমাদের জন্য লিখব।
কমিল্লার কুদ্দুস নেওয়াজের একটি মাএ ছেলে করিম নেওয়াজের বয়স যখন সাত তখন সে বিদ্যালয়ে যায় নিয়মিত। তাছাড়া এতদিন স্কুলে যাওয়ার জন্য যে রিক্রাভাড়া ভাড়া বাবা দিত তাও জমিয়ে রাখত সে। এখন স্কুলে যাওয়ার একটি কারণ আছে বটে এতদিন বাবা টিফিনে টাকাপয়সা দিত না এখন দেয়। এ থেকে বোঝা য়ায় যে তার টাকার প্রতি কি না লোভ। এই যে টাকা গুলো সে জমিয়ে কি করতো?না,সে কিছুই করতো না। তার একটি মাটির ব্যংকে এগুলো টাকা রাখতো। এইভাবে অনেক বছর কেটে গেলো। সে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করলো। আর দেরি নয় সঙ্গে সঙ্গে সে একটি বিয়ে করলো। তার দুই এক বছর পর সে একটি সন্তান পেলো। জানি না তার বউকে কতই বা মার খেতে হয়েছে যৌতুকের জন্য। তার বাবা মারা যাওয়ার পর সে ধীরে ধীরে ধনী হতে শুরু করলো। অনেক জমিজমাও কিনে ফেলে ছিলো সে। কিন্তু তাকে দেখে কেউ বুঝতে পারতো না সে এত সম্পদশালী। কিছুদিন পর আরকটি সন্তান আসলো তার ঘরে। সে এতই কৃপণ ছিলো যে তার সন্তানের জন্যও কিছু কিনে দিত না। তার কৃপণতা দেখে সবাই অবাক হতো। কিছুদিন পর তার একটা বড় রোগ ধরা পরলো কিন্তু সে একদিনও ডাক্তার দেখায় না। এমনকি ঔষুধও কিনত না। আর কি হবে কিছু দিন পর সে মারা গেলো।
কি লাভ হলো? তার সবকিছু রেখে বিদায় নিলো দুনিয়া থেকে। টাকার জন্য জীবনে সে কিছুই উপভোগ করে নি। তার জীবনই বৃথা গেলো। তোমরা কি বিশ্বাস করতে পার বে তার ছোটবেলায় টাকা জমানোর ব্যাংকে এখনো কেউ হাত দেই নি।
★★★এটি আমার দ্বিতীয় গল্প। ★★★★
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now