বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
কোনো এক সজিবের কথা (পর্বের নাম : এতিমখানার ব্যতিচার)
X
পরবর্তি অংশ... :তো তুই তো ওর বাবা মার হাতে ওকে দিয়ে আসতে পারি। এভাবে নিয়ে এলি ক্যানো। _আরে করেছিলাম খোজ। এভাবে কি কাউকে আনা যায় না কি। আমাকে তো ছেলেধরা ভাববে। :হা হা। তা যা বলেছিস। _কিন্তু দুঃখের বিষয় ওর বাবা মা কেউ নেই। :তো তুই তো ওকে এতিমখানায় দিতে পারতি। আর সেটাই তোর উচিৎ ছিলো। _আমি ওকে নিয়ে এতিমখানায় গিয়েছিলাম। :ওহ। তারপর। _আমাকে দেখে এতিমখানার ম্যানেজার বললো আপনি কি ওর গার্ডিয়ান। :এতিমের গার্ডিয়ান? _হ্যা রে। তাই দিলাম ১টা কষে থাপ্পর। :ঠিক ই আছে। শালা এতিমের গার্ডিয়ান খোজে। _হুম। শুধু তাই নয়। রীতিমত ব্যবসা। :বলিস কি? _হুম তাই ওকে সোজা বাড়িতে নিয়ে এলাম। :আরেকটা এতিমখানায় খোজ নিতে পারতি _সেটা যে এমন হবে না তার কি গ্যারান্টি আছে। আর আমার বাড়ির সবাই ওকে অনেক আদর করে। এতিমখানার থেকে ভালোই আছে আমার বাসায়।:সত্যি ওকে দেখে কেউ বলবে না যে ও এ বাড়ির কেউ না। _আর শিশুশ্রম কোথায় হচ্ছে তা না খোজে পুলিশ যদি এসব সরকারি এতিমখানায় খোজ নিতো তবেই বুঝতো কাদের দ্বারা এতিমখানা পরিচালিত হচ্ছে। :হুম। ঠিকই বলেছিস।*** দুই বন্ধুর কথোপকথনের মধ্য দিয়ে গল্পটা ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।ভুল ত্রুটি ধরিয়ে দিলে পরবর্তিতে এমন ভুল করবো না।***
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now