বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কিছুটা আমার জীবনের কাহিনী

"রোম্যান্টিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sayemus Suhan (০ পয়েন্ট)

X -অভাব অনটনের কারণে সোহানের পড়াশোনা বেশী দূর আগাতে পারেনি। . -ক্লাস টেন এ পড়া অবস্থায় সোহানের বাবা মারা যায়.বড় ছেলে হওয়ার কারণে সংসারের সব ভার এসে পরে সোহানের উপর। . -চাকুরীর খোঁজে গ্রাম ছেড়ে চলে আসেন ঢাকা, কিছুদিন ঘোরাঘুরি করার পর একটা কাজেরও ব্যবস্থা হয়ে যায়, একটা মার্কেটে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করেন বেতন পান ৩৫০০ টাকা। . -১৫০০ টাকা দিয়ে কোনমতে নিজের খরচটা চালিয়ে নিয়ে প্রতি মাসে ২০০০ টাকা করে বাড়িতে পাঠায়। এভাবেই চলতে থাকে সোহান এবং সোহানের পরিবার।।। . -মাস দুয়েক পরে সোহান যে ম্যাচে থাকে সেই ম্যাচের পাশেই ৫ তলা বিল্ডিং আর সেখানেই ভাড়া থাকেন সরকারি চাকুরীজীবী রহমান সাহেব। রহমান সাহেবের এক ছেলে এক মেয়ে.... . -ছেলেটা উচ্চ শিক্ষার জন্য কানাডা চলে গেছে আর মেয়েটা ক্লাস নাইনে পড়াশোনা করে। স্কুলে আসা যাওয়ার সময় প্রায়ই সোহানের সাথে দেখা হতো সেই মেয়েটার। . -এভাবে কিছুদিন যাওয়ার পরে মেয়েটা একদিন সোহানকে জিজ্ঞেস করে.... >আপনার নামটা কি জানতে পারি? (রিয়া) >সোহান আশে পাশে তাকিয়ে দেখে কেউ নেই। >আমাকে বলছেন? (সোহান) >এখানে আপনি ছাড়া যেহেতু কেউ নেই সেহেতু আপনাকেই বলছি। . >ওহ,আমি সোহান. আপনার নাম কি (সোহান) >আমি রিয়া,আমরা আপনাদের পাশের বাসায় থাকি। (রিয়া) >ওহ, আচ্ছা আপনাকে স্কুল ড্রেসে প্রতিদিন যেতে দেখি আপনি কোন ক্লাসে পড়েন জানতে পারি কি? (সোহান) . >আমি ক্লাস নাইনে পড়ি, আপনাকে প্রতিদিন কোথায় যেনো যেতে দেখি? (রিয়া) >ওহ, আমি একটা মার্কেটে মোবাইল দোকানে সেলসম্যান হিসেবে কাজ করি। (সোহান) . -এভাবেই একদিন দুদিন কথা বলতে বলতে ওদের মাঝে খুব ভালো বন্ধুত্ব হয়ে যায়। স্কুল ফাঁকি দিয়ে মাঝে মাঝে দুজনে মিলে ঘুরতে যাওয়া, রেস্তোরাঁয় বসে খাওয়া, এমনিভাবে চলতে থাকে ওদের বন্ধুত্ব। . -সোহান মনে মনে রিয়াকে অনেক ভালবেসে ফেলে যেটা রিয়াকে বলতে সাহস পায়না। কারণ রিয়া বড়লোকের একমাত্র মেয়ে আর সোহান অতি দরিদ্র ঘরের ছেলে। . -রিয়াও মনে মনে সোহানকে অনেক ভালবাসে কিন্তু বলেনা কারণ রিয়া চায় সোহান ওকে প্রোপোজ করুক। এরি মাঝে চলে আসে ভালবাসা দিবস। . -রিয়া ফোন করে সোহানকে রমনা পার্কে আসতে বলে সোহান দেরী না করে দ্রুত সেখানে চলে যায়। >বলোতো আজকে কি দিবস (রিয়া) >আমি জানিনা,তুমি বলো? (সোহান) >এতো বোকা ছেলে আমি কখনোই দেখিনি, বলদ আজ ভালবাসা দিবস। (সোহান) . -সোহান ভালো করেই জানতো আজ ভালবাসা দিবস কিন্তু রিয়ার মুখে ভালবাসা কথাটা শোনার জন্যই বলেছে জানিনা........ কিছুক্ষণ নীরব থাকার পরে ..... . >আজ তোমাকে একটা কথা বলবো (রিয়া) >হ্যাঁ বলো (সোহান) >তুমি কি কাউকে ভালোবাসো? (রিয়া) >হঠাৎ এই প্রশ্ন কেনো? (সোহান) >আরে বলই না তুমি কাউকে ভালোবাসো কিনা? (রিয়া) . >হ্যাঁ ভালোবাসি, তুমি কি কাউকে ভালোবাসো? (সোহান) >হ্যাঁ আমিও একজনকে ভালোবাসি।আচ্ছা তোমার গার্লফ্রেন্ডের নাম বলো? (রিয়া) >না আগে তোমার বয়ফ্রেন্ডের নাম বলো? কথায় আছে লেডিস ফার্স্ট! (সোহান) . >আমার বয়ফ্রেন্ডের নাম সোহান। (রিয়া) > কি বলছো এসব? (সোহান) >প্লিজ তুমি আমাকে ফিরিয়ে দিওনা সোহান আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি। (রিয়া) >আমিও তোমাকে অনেক ভালোবাসি কিন্তু ....(সোহান) . >কিন্তু কি বলো? (রিয়া) >তুমি ধনীর দুলালী আর. আমি গরীব, তোমার ফ্যামিলি থেকে কখনোই মেনে নিবে না আমাদের এই সম্পর্ক। (সোহান) >তুমি পারবেনা আমাকে তোমার বুকে সারাজীবন আগলে রাখতে? বলো সোহান বলো? (রিয়া) > তুমি কি পারবে আমার ভাঙ্গা ঘরে থাকতে, কাচা মরিচ দিয়ে পান্তা ভাত খেয়ে থাকতে? (সোহান) . > আমি সব পারবো যদি তুমি আমাকে তোমার বুকে একটু স্থান দাও? এই বলেই রিয়া সোহানের বুকে মুখ লুকায়। সোহানও পরম আদরে তার পাগলী রিয়াকে বুকে জরিয়ে নেয়। . -এভাবেই চলতে থাকে ওদের পবিত্র ভালবাসা ....... . -হঠাৎ করেই রিয়ার ফ্যামিলি থেকে সব কিছু জেনে যায়. এবং সোহানকে হুমকি দেয় রিয়ার বাবা রহমান সাহেব। আর এদিকে রিয়ার বিয়ে ঠিক করে। . -আজ রিয়ার বিয়ে সোহান কি করবে ভেবে পাচ্ছেনা, রিয়াকে ছাড়া যেমন সোহান বাঁচবে না ঠিক তেমনি রিয়াও সোহানকে ছাড়া বাঁচবে না। . -রিয়া তার এক বান্ধবীর নাম্বার দিয়ে সোহানকে ফোন দিয়ে একটা স্থানে আসতে বলে আর রিয়াও অনেক কষ্টে সেখানে যায়। . -সোহানকে দেখা মাত্রই দৌড়ে সোহানের বুকে মুখ লুকিয়ে কাঁদতে কাঁদতে বলে আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না জান। সোহানের ও একি কথা আমিও তোমাকে ছাড়া বাঁচবো না। . -দুজনে মিলে সিধান্ত নেয় ওরা পালিয়ে যাবে। ওরা দুজন পালিয়ে চলে যায় সোহানের গ্রামের এবং সেই রাতেই ওদের বিয়ে হয়। . পরদিন সকালে রিয়া ওর আব্বুকে ফোন দিয়ে বলে.. আমি আমার ভালবাসার মানুষের কাছে চলে এসেছি। আমি সোহানকে ছাড়া বাঁচবো না, আমাকে নিয়ে কোনো চিন্তা করোনা আমার আমার সুখের সর্গঃ খুঁজে পেয়েছি এবং সারাজীবন এই সর্গেই থাকবো প্লিজ আব্বু আমাদের কে তুমি আর কষ্ট দিওনা। বি:দ্র:-যদি ভালবাসেন এরকম ভাবেই ভালবাসবেন আর না হলে ভালবাসা নিয়ে কেউ প্রতারণা করবেন না।।।।।।।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৬৮ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কিছুটা আমার জীবনের কাহিনী

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now