বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
তখন বেজেছিল সন্ধা ৭-৭:১৫মতন।হঠাৎ, ফখরুদ্দিন কাকা অনুভব করেন যে তাকে কেউ অনুসরণ করছে। সে যখন পিছে তাকায় সে অবাক হয়ে যায়। তাকে কেউ অনুসরণ করছে না !কিন্তু,একটু আগেই সে স্পষ্ট শুনতে পায়, কারো পায়ের আওয়াজ। একটু পড়ে, "পরেশ পালের" বাগানের মধ্যের রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল।খুব ছিমছাম একটা জায়গা। চারদিকে শুধু বাগান আর বাগান আর বাগানের মধ্যে দিয়ে চলে গেছে সরু একটা রাস্তা। রাস্তাটা আসলে কাঁচা রাস্তা। তার উপর দিয়েই হেটে যাচ্ছিলেন ফখরুদ্দিন কাকা। তার যেমন ছিল সিংহের মতো দাপট আবার সাপের মতো অকুতোভয়। তিনি যে বাগানের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন ,এমন কোনো অনূভুতিই কাজ করছিল না তার মধ্যে।বাগানের শেষ মোড় পাড় হওয়ার সময়,হঠাৎ কে যেন তার মাথায় বাঁশ দিয়ে বারি মারল।সে যখন অচেতন হয়েছিলেন ,তার আগে সে দেখল শরীফের হাতে ধার করা একটা রানদা।তারপর যে কী ঘটলো তা তো আর সে জানে না ।অবশ্য না জানারই কথা।কারণ ,তখন তিনি তার শেষ নিশশাস ত্যাগ করে ফেলেছিলেন।
এখন,শরীফকে পুলিশ ধরে নিয়েছে। আর তার পরের দিন তাকে ট্রান্সফার করে দেওয়া হয় বরিশাল থানায় ।তাকে রিমান্ডে তোলা হয়।আমরা সবাই কামনা করি ,তার হত্যার জন্য দায়ী আসামীদের যেন যথাযথ শাস্তি হয়।
তারপর,আমি আমি দীর্ঘশ্বাস ছাড়লাম আর জানাজার জন্য তৈরি হলাম। সেদিন অনেক মানুষ এসেছিল জানাজায়।দুই জায়গায় জানাজা সম্পন্ন হলো ।একটা হয়েছিল উত্তর বাজার ঈদগাহ মাঠে আর আরেকটা হয়েছিল তাদের বাড়িতে। আমি আজও সেই দিনটার কথা সরণ করি।আজ গল্পটা লেখার সময় মনে হচ্ছিল যে,আজকেই সেই দিনটা যেদিন ফখরুদ্দিন কাকা মারা যান।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now