বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
খাদেমের সাথে ব্যবহার
আনাস বিন মালিক মহানবীর ফায়-ফরমাশ শোনে।
মহানবী (সা) হিজরত করে মদীনা আসার পর পরই
আনাসের মা উম্মে সুলাইম ১০ বছরের আনাসকে
মহানবীর কাছে পেশ করে বলেন, আমার এ কলিজার
টুকরা আপনার খেদমতে হাজির থাকবে, আপনার
ফায়-ফরমাশ শুনবে। আপনি তাকে গ্রহণ করুন।
তারপর থেকে রাত এবং মধ্যদিনের একটা অংশ
বাড়িতে কাটানো ছাড়া ফজরের পূর্ব থেকে গোটা
সময় আনাস কাটিয়েছেন মহানবীর খেদমতে। অনেক
কথা ও কাহিনীর আকর ছিলেন এই আনাস ইবনে
মালিক (রা)।
একদিনের কথা।
মহানবী (সা) কোন কাজের নির্দেশ দিলেন
আনাসকে। আনাস আদেশ তামিলের জন্যে বেরিয়ে
গেল। পথে একদল ছেলেকে খেলতে দেখে সে দাঁড়িয়ে
গেল এবং খেলা দেখতে লাগল। মহানবীর আদেশের
কথা বেমালুম ভুলে গেল সে।
অনেক দেরী দেখে আনাসের খোঁজে বেরুলেন মহানবী
(সা) নিজে। খেলা দেখায় মশগুল আনাসকে দেখতে
পেলেন তিনি।
আল্লাহর রাসূলকে দেখে আনাসের মনে পড়ে গেল
আল্লাহর রাসূলের আদেশের কথা। কিন্তু ভয় পেয়ে
পালানোর মত বেয়াদবী করল না আনাস। লজ্জিত
হয়ে আদবের সাথে দাঁড়িয়ে থাকল।
মহানবী (সা) এসে স্নেহের সাথে আনাসের হাত হাতে
নিলেন এবং স্মরণ করিয়ে দিলেন তাঁর আদেশের
কথা। আনাস ছুটল তার কাজ নিয়ে। মহানবী (সা)
যতক্ষণ আনাস না ফিরল, ততক্ষণ কাছেই একটা
দেয়ালের ছায়ায় দাঁড়িয়ে থাকলেন।
আনাস (রা) বলেন, "আমি দশ বছর তাঁর খেদমত
করেছি। কিন্তু নবী (সা) আমার উপর কোন সময়
অসন্তুষ্ট হননি এবং আমার উপর কোন দাপটও
দেখাননি। এমনকি কোন সময় এমন কথাও বলেননি
যে, অমুক কাজ কেন করেছ বা অমুক কাজ কেন
করনি।"
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now