বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
মেয়েটা দেখতে বেশ সুন্দরী।
সবে মাএ ইন্টার পাস করেছে।
মেয়েটির বাবা অনেকটাই গরীব।
চিটাগাং শহরে (সিএনজি) চালিয়ে
মেয়েটির পড়ার খরচ যোগায়। হতভাগা
বাবার
একটি মাত্র মেয়ে খুব আদরের। সংসারটা
গরিব
হলে ও পরিবারটা অনেক সুখি। মেয়েটি
s.s.c
পাস করার পর থেকে ফোন ইউজ করে।
ফেসবুকে একটা ছেলের সাথে প্রেম হয়।
দুজন
দুজনকে খুব ভালোবেসে। সুন্দর জীবনের
একটা স্বপ্ন সাজাতে থাকে তারা দুজন।
প্রেমের বয়স যখন এক বছরের মত হলো,
হঠাৎ
ছেলেটার আইডি ডিএক্টিভ। সাথে সাথে
মেয়েটি তাকে ফোন করলো। নাম্বারটাও
বন্ধ। মেয়েটি ছেলেটিকে খুব ভালোবাসে।
আজ আর কোন কিছুই তার ভালো
লাগেনা।
লাগার কথাও না। তবুও মেয়েটি তার ফিরে
আসার পথ চেয়ে বসে থাকে। সারাটা দিন
কাজের ফাঁকে ফাঁকে ফেসবুক চেক করে
দেখে, ছেলেটা তাকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
দিল কিনা। সেই সিমটা চালু রাখে , যে
সিমটাতে তার মায়াবী কন্ঠ জড়িয়ে আছে।
রিংটোন ভলিউম সাউন্ড বাড়িয়ে দিয়ে
রাখে, যদি সে
ফোন করে সাথে সাথে যেন শব্দটা
মেয়েটির
কানে পৌঁছায়। একটি বছর কেটে
গেল,ফেসবুকে অনেক ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট
আসলো কিন্তু যার জন্য পথ চেয়ে থাকা
তার
রিকুয়েস্ট আজও এলোনা। যার জন্য আজ
ও
সিমটা চালু রাখা আছে, কতো জনে ফোন
করলো, কিন্তু তার ফোন আর এলোনা।
বড়ই আপসোস!
কাঁদতে কাঁদতে চোখের জল শুকিয়ে
গেছে মেয়েটির। গরিবের মেয়ে বসে
থাকলেও
চলবেনা লোকে অপবাদ দিবে। তাই বাবার
দেখা ছেলের সাথে বিয়েটা মেনে নিল।
বিয়ের বয়স আজ দুই বচ্ছর পূরণ হলো।
স্বামীর
সংসার নিয়ে অনেক সুখেই আছে। তার
স্বামী
তাকে অনেক ভালোবাসে। এর থেকে
বেশি
আর কি আসা করা যায়।
________
কিছুদিন পর মেয়েটির এক পুরনো
বান্ধবীর সাথেদেখা হলো মেয়েটার ।
তখন সে তার বান্ধবীকে তার
জীবনের গল্পটা শোনালো। মেয়েটি
কেঁদে
কেঁদে বান্ধবীকে বললো, আমার স্বামী
অনেক ভালো মানুষ। তবু ও সে যখন
ঘুমিয়ে
পড়ে
আমি তখন সেই ছেলেটাকে ভেবে ভেবে
দু-চোখের জলে বালিশ ভেজাই। প্রত্যেকটি
গভীর রাতে সে আমায় নিরবে কাঁদিয়ে
যায়। ও আমার সাথে বিয়ের আগে ঠিক রাত
বারটার পরে ফোন করতো, আর দুইটা
থেকে
আড়াই টা পর্যন্ত কথা বলতাম। আজো
আমার
ঘুম ভেংগে যায় রাত যখন 120am. মনে
হয় এই
বুঝি ওর আমাকে ফোন করার সময়
হলো। এই
ভেবে ভেবে আজোও চোখের জলে
বালিশটা
ভেজাই। বড্ড জানতে ইচ্ছে করে, কেন সে
আমাকে এভাবে স্বপ্ন দেখিয়ে চলে গেল?
খুব জানতে ইচ্ছে করে, আমাকে কাঁদিয়ে
সে
কতটা সুখি?
..
আমার কাছে এর উওর আজ ও জানা নেই,
[[বিঃদ্রঃ]] সবার কাছে আমার একটাই
অনুরোধ জীবনে কোন দিন কাউকে
মিথ্যা
স্বপ্ন দেখাবেন না। মনে রাখবেন, কেউ
কেউ
আপনার হাসির মাঝের স্বপ্নটাকে ও
বাস্তবে
ভেবে নিতে পারে। আমার কথাই যদি কেউ
দুঃখ পেয়ে থাকেন, তার জন্য আমি ক্ষমা
প্রাপ্তি..........।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now