বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
এইতো বছর খানিক হয়ে গেছে এম.এ পাস
করেছি। অনেক খুজাখুজি করার পর একটা
চাকরি
খুজে পাই। ভালোই দিন কাটতেছিল আমার।
প্রতিদিন
শাট পেন্ট লাগিয়ে অফিসে যাবো ছোট
বেলা
থেকে স্বপ্ন ছিলো। সেই আশা পূরন হয়েছে
আমার।। কিন্তু একটা স্বপ্ন পূরন এখনো
হয়নি।
সেটা হলো আমার বিয়ে।। সেই ৮ম শ্রেনী
থাকা কালিন থেকেই বিয়ে করার স্বপ্ন
দেখতাম।
প্রেম করার জন্য কতো চেষ্টা করেছি কিন্তু
একটাও করতে পারি নাই। বন্ধুরা,বড় ভাইরা
বলতো
আরে বেটা চিন্তা করিস না কলেজ উঠলে
দেখবি এমনিতেই অনেক মেয়ে পেয়ে যাবি
প্রেম করার জন্য গেরান্টি। কিন্তু কলেজ
কি
ভার্সিটিতে যেয়েও কনো কাজ হলো না।।
যখন
দেখতাম বন্ধুরা তাদের জি.এম এর সাথে
রসালো
আলাপ পাড়তো। তখন সেই রকমের খারাপ
লাগতো। মনে মনে ভাবতাম আল্লায় জানে
আমার
বউটা আমাকে রেখে কোন ছেলের সাথে
যেনো টাংকি মারতাছে।
গ্রামের কিছু চাচা ছিলো আমার, খুব ফ্রি
মাইন্ডে
কথা বলতাম, বছর খানিক আগে তাদের
দিয়ে
বাবাকে বলিয়েছিলাম যে আমার বিয়েটা
দেয়ার
কথা,কিন্তু আমার বাবা বলে আগে আমার
ছেলে
নিজে টাকা পয়সা উপার্জন করুক তারপর।
এইতো চার
মাস ধরে একটা চাকরি পায়েছি আশায়
আছি কখন বাবা
মা বিয়ে করার কথা বলে।
সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিসের জন্য রওনা
দিবো ঠিক তখনি দেখি মোবাইলটা বেজে
উঠলো। মোবাইলে তাকিয়ে দেখি মা ফোন
করেছে,
আমি: হ্যালো মা!
মা: হুম বাবা কেমন আছিস।
আমি: ভালো, তোমরা কেমন আছো?
মা: ভালো.। একটা কথা বলার জন্য তোকে
ফোন দিয়েছিলাম।
আমি: হুম বলে দিবা এইটা আবার জিজ্ঞাস
করা লাগে
নাকি।
মা: না তোর বাবা তোর বিয়ে দেওয়ার
কথা
বলতেছে। এখন তুই কি বলিস?
আমিতো পুরাই টাসকি! এই কি শুনাইলো
আমারে।
আরে ৯ বছর ধরে এই জিনিসটার আশায়
ছিলাম।
আমিতো চার হাত পায়ে রাজি। কিছুটা
স্বাভাবিক হয়ে
বল্লাম,
যদি ভালো মেয়ে পাও তাহলে দেইখো।
মা: মেয়ে তিনটা আমরা দেখে রেখেছি।
এখন
তুই দুই দিনের জন্য ছুটি নিয়ে আয় দেখ তোর
কোন মেয়েটা পছন্দ হয়। তারপর আমরা কথা
বার্তা বলে সব কিছু ফাইনাল করবো।
আমি: আচ্ছা আমি বসের থেকে ছুটি নিয়ে
আসছি।
কথাটা বলেই ফোনটা কেটে দিলাম। সেই
রকম
খুশি একটা মুড নিয়ে অফিসে গেলাম।।
অফিস যেয়ে কিছুখন কাজ করে বসের রুমে
ঢুকে বেপারটা বল্লাম। বস ও আমাদের মতো
ইয়াং জেনারেশন এর ছেলে তাই সে বুঝতে
পেরে আমাকে হাসি মুখেই ছুটি দিয়ে
দিলো।
আমি বাসায় এসে ব্যাগ গুছাতে লাগলাম,
কারন আমি
ঢাকায় চাকরী করি,তো এখানেই একটা রুম
ভাড়া
করে থাকি।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now