বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
আমার কথা শেষ করতে না দিয়ে
মামা বললেন,সেটাও
মুহিব সাহেবের কাছ থেকে
জানলাম।এখন বলতো কি হতে পারে?
আমি বললাম, তার মানে লতিফ
সাহেবের স্ত্রী তার চেয়ে
চার বছরের বড়।ব্যাপারটা আবরার ও
তার মা গোপন করেছিলেন।
আমার কথার উত্তরে মামার
কিছু বলার আগেই মামার ফোনটা
বেজে উঠলো।
মামা লাউডস্পিকারে দিয়ে কল
রিসিভ করলেন।ওপাশ
থেকে কেউ বলে উঠলো,হ্যালো
ইউসুফ সাহেব।আমি রফিক বলছি।
মামার আমার দিকে তাকিয়ে
একটু হাসলেন।বললেন,
"বলুন।"
"আমি সত্যিই আপনার কাছ থেকে
আসলে কিছু কথা লুকিয়ে ছিলাম।খুনী
ঘরের ভেতরে ছিল।"
হঠাৎ তিনি
কথার সুর পাল্টে বললেন,
"সরোয়ার, কি মনে করে এখন?"
তারপর ফ্যাঁত করে একটা শব্দ হলো।
আর ফোনটা কেটে গেলো।মামা
এতক্ষণ কথাগুলো
রেকর্ড করছিলেন তার মোবাইলে।
আমি খেয়ালই করিনি।মামা সাথে
সাথেই ফোন দিলেন ইন্সপেক্টর
সাহেবকে।পরে জানলাম উনার নাম
জাবেদ হোসেন।
মামাকে কিছু বলতে চাইলাম।মামা
কিছু না শুনে শুধু বললেন,রফিক
সাহেবের
বাসায় যাচ্ছি।তাড়াতাড়ি রেডি
হয়ে নে।
রফিক সাহেবের লাশটা
পোস্টমর্টেমের জন্য নিয়ে যাওয়া
হচ্ছে।তাঁ্র বাম কাধে গুলি
লেগেছিল।কাধে গুলি লাগলেও কি
মানুষ মারা যায়?
সরোয়ারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
কারণ রফিক সাহেবের মৃত্যুর সময়
সেখানে কেবল
সে-ই উপস্থিত ছিল।
সরোয়ারকে জাবেদ সাহেবের
সামনে বসানো হয়েছে।পাশে ইউসুফ
মামা।একটা ছোট বেঞ্চের উপর
তাদের চেয়ে কিছুটা দুরে বসে আছি
আমি।
প্রথমে জাবেদ সাহেব বললেন,
সোজা কথায় আয়।বল কেন মেরেছিস
রফিক সাহেবকে?
সরোয়ার বলল,স্যার আমি মারিনি
তাকে। সত্যি বলছি।
..............চলবে.............
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now