বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কে খুনী? ৪র্থ পর্ব

"গোয়েন্দা কাহিনি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান আর.এচ জাহেদ হাসান (০ পয়েন্ট)

X তাকে রফিক চাচা বলে ডাকেন আবরার। ভদ্রলোক উপরের তলার ঐ বাসাতে একাই থাকেন। মামার অনুরোধে তার কাছে আমাদের নিয়ে গেলেন আবরার। পুলিশ দেখে তিনি সাফ জানিয়ে দিলেন যে তিনি কিছুই জানেন না। মামা তাকে বললেন, আপনার এখান থেকে কিন্তু লতিফ সাহেবের রুমটা দেখা যায়। আপনি সেদিন তখনো ঘুমাননি।আমি মিসেস সাজ্জাদের কাছ থেকে জেনেছি উনি তখন আপনাকে বারান্দায় বসে পত্রিকা পড়তে দেখেছিলেন। আপনি নিশ্চয় কিছু দেখেছিলেন। কথাটা শুনে রফিক সাহেব ঘাবড়ে গেলেন বটে।কিন্তু স্বাভাবিকভাবে বললেন, "দেখুন আমি সত্যিই জানিনা কে কখন তার রুমে ঢুকলো।কিংবা কখন গুলি করল।কিছুই না।" মামার মুখে হাসির একটা সূক্ষ্ম রেখা দেখা দিল।মামা বললেন, পুলিশ থেকে শুরু করে সবার ধারণা গুলি করা হয়েছে বাইরে থেকে। আপনি কি করে জানলেন.......। মামাকে কথা শেষ করতে না দিয়ে তিনি বললেন,প্লিজ, আমাকে এরকম করবেননা।আমি কিছুই জানিনা। বলেই লোকটা ধপাস করে বসে পড়লেন খাটে।তার সারা শরীর ঘামতে শুরু করেছে।মামা তাকে বললেন, হার্টের সমস্যা আছে? তিনি আস্তে করে বললেন, হু। তাকে হাতে একটা কার্ড দিয়ে মামা বললেন, আমার কার্ড। প্রয়োজন হলে ফোন দেবেন। ++++++++ রাত প্রায় আটটা।মামা এইমাত্র ফোনে কথা বলে এসেছেন মুহিব সাহেবের সাথে।মামাকে আমি বললাম,মামা, আমার তো মনে হয় রফিক সাহেব অনেক কিছু জানেন।আমাদের সামনে রোগের বাহানা দিয়ে পার পেয়েছে।আর সরোয়ার ছেলেটাও বেশ রহস্যময় আচরণ করল।বাবার জন্য কোনো শোকের চিহ্ন তো দেখলামই না। উলঠো বাড়ির বাইরে গিয়ে ড্রাগ নিয়ে এসেছে। তোমার কি মনে হয়? "রফিক সাহেব যে অনেককিছু জানেন তাতে সন্দেহ নেই।তবে তিনি রোগের বাহানা করছেননা। তিনি সত্যিই হার্টের রোগী।আর সরোয়ার। কিছুটা সন্দেহজনক।" "আচ্ছা তুমি ঐভাবে সবার বয়স জিজ্ঞাসা করছিলে কেন?" "কারণ আছে।আর আমার কি মনে হয় জানিস?" "কি?" "রফিক সাহেব হয়তো আমাকে ফোন করে কিছু জানাতে পারেন।তাই নম্বরটা দিয়ে এসেছি।তুই এক কাজ কর। টেবিলের উপর থেকে ডায়েরীটা আর কলমটা আমাকে দে।" ডায়েরী দেওয়ার পর মামা সেখানে লিখলেন আবরার -২৫ বছর সরোয়ার-১৯ " মুহিব রহমান-৪৪ " লতিফ সাজ্জাদ-৪৪ " মিসেস লতিফ-৪৮ " আমাকে লেখাটা দেখালেন মামা। আমি বললাম,মুহিব সাহেবের বয়স কখন জানলে? "কিছুক্ষণ আগে কল দিয়ে জেনেছি।" "একটা জায়গায় ভুল করলে মামা।" "কি?" "লতিফ সাহেবের.....।" .............চলবে............


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮০ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কে খুনী? ৪র্থ পর্ব

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now