বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কে আপন কে পর পাট2

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান samia (০ পয়েন্ট)

X আমার মা মারা গেছে,৪বছর তখন থেকে ইসরাত আমাদের এখানে থেকে পড়াশোনা করে। ও এবার ইন্টার পাস করেছে, ও যখন থেকে আমাদের এখানে আসছে তখন থেকে আমি ওকে পছন্দ করি। আমি অফিস থেকে বাড়ি গিয়ে সোজা বাবার কাছে গেলাম, আমার আর ইসরাত এর বিয়ের ব্যাপারে কথা বলতে।বাবা আসবো ,,বাবা. হে আসো। বাবা. কিছু বলবে ছবি দেখে কাকে পছন্দ হলো। আমি সোজাসুজি বলে দিলাম আমি ইসরাতকে বিয়ে করবো,অন্য কাউকে নয়। বাবা..বলে কি বললি ইসরাতকে বিয়ে করবি মানে ও তোর বোন হয় আমি কখনো এই বিয়ে মেনে নিতে পারবো না। আমি জেদি কম না আমি বাবাকে বললাম আমি ওকে ভালোবাসি আর ও আমাকে তাই বিয়ে আমি ওকেই করবো। বাবা,বললো এই বাড়ি থেকে বের হয়ে গিয়ে বিয়ে কর।আমি তোর মুখ দেখতে চাই না,বাবা ইসরাত কে ডাকে এবং ওর মুখ থেকে ওই একি কথা শুনে ঠাসসসসসকরে কয়টা থাপ্পড় দেই।আর বলে এখনি বাড়ি থেকে বের হয়ে যা,ইসরাত বড়ো অভিমান ওও তখনি কাপড় গুছিয়ে বের হয়ে যাবে, আমি ওকে বাধা দেই রাতটা কোনোরকম পার করে,কাল সকালে ওকে নিয়ে চলে যাবো। এটা শুনে ও রাত থাকতে চাই।রাতে আর খাওয়া হলো না,ঘুমিয়ে পড়লাম। ভোর ইসরাতকে নিয়ে বের হয়ে গেলাম পরে রনি ও মফিজুল কে ফোন দিয়ে ডেকে নিলাম,আমরা ওদের জন্য ওয়েট করতে লাগি,ওরা আমাদের বিষয়টি জানে।ওরা এলে ওদের সাথে নিয়ে কাজি অফিসে গিয়ে বিয়ে করি ওরা আর ওদের আরো বন্ধুরা মিলে সাখি থেকে আমাদের বিয়ে দেয়।বিয়ে তো হলো কিন্তু খাবো কি থাকবো কীই এই নিয়ে চিন্তা পড়ে গেলাম, কারন ওদের বাড়িতে থাকার মতো জায়গা নেই ,যখন বাড়ি থেকে বের হয়ে এলাম তখন পকেটে মাএ৪০০০,ছিলো আমার একাউন্ট্ থেকে যে টাকা তুলবো তাও বাবা সব বন্ধ করে দিছে। আমি ইসরাত রনি ও মফিজুল মিলে ভাড়া বাড়ি খুঁজতে লাগলাম, চারজনের শুধু হাঁটতে লাগলাম, পেটে কিছুই পরেনি।তাই চারটা রুটি আর কলা কিনে চারজনের খেতে খেতে একটা ঘর খুঁজতে লাগলাম,অনেক খোঁজা খুঁজি করে একটা ঘর পেলাম,তাও আবার ১৫০০টাকা ভাড়া কি আর করা ওখানেই থাকতে শুরু করলাম টাকা ও শেষ হতে চললো,কোনো বেলা খেয়ে কোনো বেলা,না খেয়ে দিন চলে যেতো,রনি মফিজুল ও মাঝে মাঝে খাবার আনতো,ওরাও আমার অবস্থা দেখে টাকা পয়সা দিয়ে দিলো পাওনা টাকা, ১ পরে,আমরা বাড়ি ছেড়ে দেই বাড়িওয়ালা কিছু টা রাগ করলো ১মাসের জন্য কেউ বাড়ি ভাড়া দেই না,,কি করবো পকেটে যে ফুট নেই।তারপরে কোথায় যাবো কি করবো বন্ধু দের নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ায়। সন্ধ্যা হয়ে এলে,হঠাং করে মামুনের সাথে দেখা হয়, মামুন আমার বন্ধু, ও ছোট একটা চাকরি করে,মামুন বিয়ে করেছে ওর একটা ছেলেও হয়েছে।মামুন সবটা শোনার পর বলে আমরা চাইলে ১৫দিনের জন্য ওর বাড়িতে থাকতে পারি কোনো সমস্যা হবে না। আপনাদের বলি কেনো মামুন ১৫দিন থাকতে বললো।বিষয়টি একটু গোপনে,বলি মামুন খুব ভিতু ওর বউ কে জমের মতো ভয় পাই বউ যা বলে তাই করে ওর বউ যদি একবার জানতে পারে আমরা ওর বাড়িতে আছে,তাহলে তার রক্ষে নেই ১৫দিন পরে ওর বউ চলে আসবে।তাই আমাদের ওই কয়দিন ওর বাড়িতে থাকতে বললো,আমরাও রাজি হলাম এবং ওর বাড়িতে গেলাম.............................................................................চলবে


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১৫১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কে আপন কে পর পাট2

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now