বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
হারু নামের লোকটি একটা অদ্ভুত শব্দ করে উঠল সেটা যে কি ধরনের শব্দ ছিল বুঝাতে পারব না । আমরা দেখলাম পাশের ক্ষেতের ভেতর থেকে একটা মাঝারি আকারের লোক চাদর মুড়িয়ে বের হয়ে আসলেন।
বাবা দেখলেন সারারাত এখানে বসে থাকার চেয়ে এটা একটা ভালো বুদ্ধি কোনমতে বাজার প্রর্যন্ত যেতে পারলে একটা গতি করা যাবে আর তা ছাড়া দাশুড়িয়ায় আমার ফুপুর বাসা ছিল সেখানে উঠা যাবে পরে সকাল হলে একটা ব্যাবস্থা করা যাবে।তো সামনের দুই জানালা ধরে বাবা আর চাচা আর পেছনে তারা দুইজন ধাক্কা দিচ্ছেন আর আমি বাবার পেছন পেছন হাটছি আবার একটু দৌড়াচ্ছি এভাবে চলছি।বাবা হঠাৎ একটা সিগারেট ধরাতে চাইলে হারু কর্কশ স্বরে বলল সিগারেট না ! আগুন না ! আগুন না !
তো বাবা আর সিগারেট ধরালেন না এভাবে যে কতক্ষন আমরা চলেছি মনে নেই শেষ প্রর্যন্ত আমরা দাশুড়িয়া বাজারে যেয়ে পৌছালাম বাবা মনে করলেন এত কষ্ট করে তারা দুইজন গাড়িতে ধাক্কা দিয়ে এতদুর নিয়ে আসল ওদের কিছু টাকা দিবে তো পেছনে তাকিয়ে দেখেন কেউ নেই কিন্তু মিনিট দুয়েক আগেও তাদের উপস্থিতি বুঝা যাচ্ছিল দুইজনেই হাপাচ্ছিল।আমরা এদিক ওদিক তাকিয়ে খুঁজছি এমন সময় এক বৃদ্ধ বয়সের এক লোককে লাঠিতে ভর দিয়ে আসতে দেখা গেল।লোকটার অদ্ভুত চেহারা কাছে এসে কাশতে কাশতে বলল , তোমরা কে ? এত রাতে এখানে কিভাবে এলে ?
বাবা মনে করলেন ইনি মনে হয় পাহারাদার হবে যাই হোক বাবা সম্মান দিয়ে বললেন বাবা আমরা বিপদে পড়েছিলাম । আমাদের গাড়ি নষ্ট হয়ে গেছিল , যাবো রুপপুর তো দুইজন আমাদের গাড়ি ঠেলে এতদুর নিয়ে আসল কিন্তু তাদেরকে আর খুঁজে পাচ্ছি না।
কি বল ঐ রাস্তায় মানুষ কোথায় পাবা ? এত রাতে কি কেঊ ওখানে থাকে ?
না ছিলতো হারু আর আরেকজনার যেন কি নাম
কি নাম বললে হারু ! তাকে কোথায় পাবা সেতো মারা গেছে আজ থেকে দুই বছর আগে সেতো অনেক কাহিনী হারু ছিল এই এলাকার নাম করা চোর আর তার সাগরিদ ছিল নিশুত ।
বাবা মনে করলেন লোকটা মনে হয় পাগোল তাগোল হবে তাই হাসতে হাসতে যেই লোকটার দিকে তাকালেন আর সেই লোকটা একটা আগুনের কুন্ডলি হয়ে স্যাৎ ! করে মিলিয়ে গেল।
আমরা এই ঘটনা দেখে যা ভয় পেলাম সে কথা আর বলে বুঝাতে পারব না । তাকিয়ে দেখি পুরো বাজার শন শান করছে সাধারানত রাতের বেলায় এমন বাজারে দুই একটা কুকুর দেখা যায় কিন্তু সেখানে তাও ছিল না ।তা আমরা সেই রাতে কোনরকম গাড়িটা লক করে ফুপুর বাসায় চলে গেলাম পরের দিন সকালে গাড়ি ঠিক করে নানীজানের বাড়িতে যেয়ে পৌছালাম।সেখান থেকে জানতে পারি ঐ বৃদ্ধ লোকটার নাম ছিল আব্দুর রহিম । তার তিন ছেলের কেউ তাকে দেখত না , তাই এলাকার লোকজন তাকে বাজারের পাহারাদার হিসাবে রাখে যাতে করে খেয়ে পড়ে চলতে পারে।তো একদিন সকালে সবাই দেখে রহিম খুন হয়েছে আর বিভিন্ন দোকানে চুরি হয়েছে।
এরপর থেকে প্রায়ই তাকে গভির রাতে বাজারে দেখা যায়।
এখানে বেশ কিছু প্রশ্ন আছে , রহিমকে কে খুন করেছিল ?
দোকানেই বা চুরি হলো কিভাবে ?
হারু এবং তার সাগরিদ নিশুত কিভাবে মারা গেল ?
সময়ে অসময়ে আমি এই প্রশ্নগুলোর একটা উত্তর দাড় করালেও যুক্তিযুক্ত কোন উত্তর পাই নি এটাও আমার একটা অন্যতম রহস্য যা আজো আমাকে ভাবায়।
Please 5 star,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now