বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
★কবিতার অভিমান★
"মজার গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান =_= (০ পয়েন্ট)
X
কবিতার অভিমান
---------------------
লেখাঃ- রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন।
উৎসর্গঃ স্বপ্নকন্যা কবিতা।
####
কবিতা আমাকে কালকে ফুচকা আনতে বলেছিলো। আজকে রাতেও আনিনি। তাহলে দেখুন আমি কতটা মন-ভোলা।
বাসায় গেলাম... হাতে আমার চকলেট আর কেক ইত্যাদি। সেগুলো আবার বাবুর জন্য আই মিন কবিতার বেবিটার জন্য ।
ঘরে ঢুকে বললাম এই নাউ বউ ছোট কাব্যের জন্য।
বউ আমার ব্যাগ খুলে দেখে ব্যাগটা আমার হাতেই ধরিয়ে দিলো। আর বলল, টেবিলে রেখে দাও। আমি ক্লান্ত ওতো অভিমান বুঝিনা।
তাই বউয়ের কথা মতো রেখে দিলাম।
এরপর মধুর ডাক দিলাম.... বউউউ এই বউউউউ....
কবিতাঃ- চিল্লাও ক্যান?
আমিঃ- এতো সুন্দর করে ডাকলাম আর তুমি বলছো চিল্লাও ক্যান? শরীর টরীর খারাপ নাকি?
কবিতাঃ- তোমার মাথা।
আমিঃ- আমার মাথা? মাথা তো ঠিকই আছে ।
****কবিতা তো তেলে বেগুনে ******
আমার পাশ কাটিয়ে বিছানায় গিয়ে শুয়ে পড়লো।
আমিঃ- খাবার দিয়ে যাও গো।
কবিতাঃ- খাওয়া বন্ধ।
আমিঃ- তালা-চাবি তো তোমার হাতে।
#
#
#
কবিতা এখন পেত্নীর মতো... দৌড়ে এলো আমার সামনে। চুলগুলো এলোমেলো। কোমরে দুই হাত। বড় বড় চোখ। মুখের ভঙ্গিটা যেনো মানুষ কেকো। আমি কিছু বলার আগেই।
কবিতাঃ- এই তুমি ফাজলামো করো আমার সাথে?
আমিঃ- আরে বাবা! ফাজলামো করলাম কবে?
কবিতাঃ- দেখো আমার মেজাজ খারাপ করিওনা।
আমিঃ- সোনা ময়না কি হয়েছে তোমার?
একটু কাছে গেলাম সাহস করে। কাঁধে হাত দিলাম ৪২০ভোল্টেজে ঝটকানা দিলো। বাবারে মেয়ে তো নয় জেনো আগুনেরই গোলা।
আমিঃ- কি গো চকলেট খাবা?
***কবিতা তো এখন... আপনারাই বলুন তো আমাকে কি করা উচিত?
ওয়েট পরে বইলেন.. আপাতত লাইনে থাকুন। ******
এরপর কবিতা আমার শার্টের কলার ধরে সোজা বিছানায় শুয়িয়ে দিলো...
কবিতঃ- ঐ এখন আমাকে আর ভালো লাগেনা? আমার কেয়ার নিতে মনে থাকেনা তাইতো?
আমিঃ- কেন গো তেল, সাবান সবই তো ঠিকঠাক আছে। বাজারটাও তো একসপ্তাহ স্টক করা।
কবিতাঃ- আগে তো খুব কেয়ার করতা কি খাবা, কি নিয়ে আসবো, এটা সেটা কত কি? আর এখন বললেও মনে থাকেনা।
আমিঃ- কই আজকেও তো বললাম ছোট কাব্যের কি কি লাগবে?
কবিতাঃ- আমি যে কালকে ফুচকা আনতে বলেছিলাম?
আমিঃ- ওহ এই ব্যাপার। চিন্তা করোনা কালকে গাড়িসহ এনে পড়বো।
কবিতাঃ- তুমিই খেও। আমি আর খাবো না।
আমিঃ- ওলে বাবুনিটা রাগ করেনা। মাথায় হাত বুলাতেই ৪২০ভোল্টেজ।
★ধুর মনে ছিলনা, বউটা খুব অভিমান করেছে, কি করবো এখন।?
একটু বিছানায় গড়াগড়ি করতেছি..., ভাবলাম কবিতা চলে আসবে শুয়ে পড়বো। কিন্তু ও দাড়িয়ে আছে জানালার পাশে , আসছে না। বউ ছাড়া ঘুম আসেনা। তাই ভাবলাম বাবুটাকে একটু নড়িয়ে দিই.. প্যা প্যা করার সাথে সাথে আসবে হয়তো। কিন্তু করলাম না। তার চেয়ে উঠে পড়লাম।
কবিতাকে পেছন থেকে জড়িয়ে ধরলাম... ও ছাড়ানোর বহুত চেষ্টা করলো, আমি শক্ত করে ধরে আছি!
বললাম বউ সরি সরি সরি আর ভূল কইত্যাম নো।
বউ দেখি কাঁদছে ... ভ্যা ভ্যা ভ্যা ভ্যা ....
#এমা ছি ছি.. বাচ্চা মেয়ের মতো কাদছো কেন?
এই তোমাকে না কালকে ঘুরতে নিয়ে যাবো। ফুচকা, আইসক্রিম যা মন চাই খাবে তুমি!
#এতক্ষণে ঠোটের কোণে হাসি দেখা দিলো..
কবিতাঃ- সত্যি বলছো?
আমিঃ- হুমমম তিন সত্যি ।
বউ আমার ৪২০থেকে ৮৪০ভোল্টেজে মুখ ঘুড়িয়ে জড়িয়ে ধরলো।
ভয়ও পেয়েছিলাম, ভেবেছিলাম ৮৪০ভোল্টেজে দুগালে মেরে দিলে কি হতো। গাল হাতালাম.. দেখি সব ঠিক আছে ।
তারপর আর কি...
আপনারা তো মুখস্থ করে ফেলেছেন বাংলা মোভি একটু দেখলেই সম্পূর্ণ বলে দেওয়া যায়।
তারপর বউ আমারে খাইতে দিলো।
দুজনেই খেয়ে শুয়ে পড়লাম।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now