বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কালির সিংহাসন: সংবাদ, ক্ষমতা ও নীরব সত্যের ব্যঙ্গাত্মক উপাখ্যান

"বুক রিভিউ " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান মোহাম্মদ শাহজামান শুভ (০ পয়েন্ট)

X Mohammad Shahzaman Shuvoh বাংলা সাহিত্যে সাংবাদিকতা, সংবাদপত্র কিংবা গণমাধ্যমকে কেন্দ্র করে রচিত উপন্যাসের সংখ্যা খুব বেশি নয়। যে কটি উল্লেখযোগ্য রচনা রয়েছে, সেগুলোর অধিকাংশই সাংবাদিকের ব্যক্তিগত সংগ্রাম, রাজনৈতিক অস্থিরতা বা কোনো নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। কিন্তু মোহাম্মদ শাহজামান শুভের “কালির সিংহাসন” সেই পরিচিত গণ্ডি অতিক্রম করে সংবাদমাধ্যমকে একটি পূর্ণাঙ্গ ক্ষমতাকাঠামো হিসেবে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা করেছে। এটি কেবল একটি পত্রিকা অফিসের গল্প নয়; এটি এমন এক সমাজের প্রতিচ্ছবি, যেখানে সংবাদ তৈরি হয়, কিন্তু সত্য অনুপস্থিত থাকে; যেখানে শিরোনাম প্রকাশিত হয়, কিন্তু বাস্তবতা আড়ালে থেকে যায়; যেখানে কলম স্বাধীনতার প্রতীক হলেও তা কখনো কখনো ক্ষমতার সবচেয়ে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত হয়। উপন্যাসটির ভূমিকাই পাঠককে একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দেয়। লেখক স্পষ্ট করে দেন যে নহরপুর কোনো নির্দিষ্ট শহরের নাম নয়, আর “দৈনিক শুভ সকাল”ও কোনো একক সংবাদপত্রের প্রতিরূপ নয়। বরং এগুলো একটি বৃহত্তর বাস্তবতার রূপক। ফলে উপন্যাসের চরিত্র, ঘটনা এবং সংকটগুলোকে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ করে দেখা যায় না। বরং এগুলো এমন এক সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতার প্রতিফলন, যেখানে সংবাদপত্র কখনো রাষ্ট্রের সমালোচক, কখনো ক্ষমতার অংশীদার, কখনো ব্যবসার মাধ্যম, আবার কখনো জনমতের নিয়ন্ত্রক শক্তি। “কালির সিংহাসন” উপন্যাসের সবচেয়ে বড় শক্তি এর বিষয় নির্বাচন। আমাদের সময়ে সংবাদমাধ্যমকে ঘিরে যে বহুমাত্রিক সংকট তৈরি হয়েছে—সত্য ও প্রচারণার বিভ্রান্তি, করপোরেট প্রভাব, রাজনৈতিক মেরুকরণ, সাংবাদিকতার নৈতিক অবক্ষয় এবং জনস্মৃতির দ্রুত ক্ষয়—সেসব প্রশ্নকে লেখক সাহিত্যের পরিসরে নিয়ে এসেছেন। তিনি কোনো রাজনৈতিক ভাষ্যকারের মতো বক্তব্য দেননি; বরং একটি রূপকধর্মী আখ্যান নির্মাণের মাধ্যমে পাঠককে সেই বাস্তবতার ভেতরে প্রবেশ করিয়েছেন। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র শুভ রহমান। তিনি “দৈনিক শুভ সকাল”-এর সম্পাদক। কিন্তু তাঁকে কেবল একজন সম্পাদক হিসেবে দেখলে ভুল হবে। তিনি এমন এক ক্ষমতাকেন্দ্রের প্রতীক, যা তথ্যকে নিয়ন্ত্রণ করে সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। শুভ রহমান প্রচলিত অর্থে দুর্বৃত্ত নন। তিনি আইন ভাঙার চেয়ে বেশি দক্ষ আইনকে ব্যবহার করতে। তিনি মিথ্যা বলার চেয়ে বেশি পারদর্শী সত্যের একটি অংশকে আড়াল করতে। তাঁর শক্তি অস্ত্রে নয়, ভাষায়; সহিংসতায় নয়, সম্পাদনায়। এই চরিত্রের মাধ্যমে লেখক দেখিয়েছেন যে আধুনিক যুগে ক্ষমতা অনেক সময় দৃশ্যমান নয়, বরং বয়ান নির্মাণের মধ্যেই তার প্রকৃত অবস্থান। উপন্যাসের প্রথম অধ্যায় “কালির গন্ধ” থেকেই পাঠক একটি প্রতীকী জগতে প্রবেশ করেন। এখানে কালি কেবল সংবাদপত্রের ছাপার উপাদান নয়; এটি ক্ষমতার গন্ধ, প্রভাবের গন্ধ এবং কখনো কখনো বিবেকের ক্ষয়ের গন্ধ। এই প্রতীকটি পুরো উপন্যাসজুড়ে নানা মাত্রায় ফিরে আসে। লেখক কৌশলে দেখিয়েছেন, যে কালি সত্য প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হওয়ার কথা, সেই কালিই কখনো কখনো সত্যকে ঢেকে দেওয়ার অস্ত্রে পরিণত হয়। “সম্পাদকীয় দরবার” অধ্যায়টি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এখানে সংবাদপত্র অফিসকে একটি ক্ষুদ্র রাজদরবারের মতো উপস্থাপন করা হয়েছে। সম্পাদক যেন এক প্রকার রাজা, আর তাঁর চারপাশে ঘুরে বেড়ায় প্রশাসন, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা এবং সুবিধাভোগীদের একটি বৃত্ত। সংবাদ নির্বাচন এখানে পেশাগত সিদ্ধান্ত নয়; বরং ক্ষমতার দরকষাকষির অংশ। এই ব্যঙ্গাত্মক নির্মাণের মাধ্যমে লেখক সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রশ্নকে অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে সামনে নিয়ে এসেছেন। উপন্যাসটির সবচেয়ে অভিনব এবং শক্তিশালী প্রতীক নিঃসন্দেহে কালো বিড়াল। বাংলা সাহিত্যে প্রাণী প্রতীক ব্যবহারের দীর্ঘ ঐতিহ্য রয়েছে, কিন্তু “কালির সিংহাসন”-এ কালো বিড়ালের ব্যবহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। এটি কোনো অতিপ্রাকৃত সত্তা নয়; বরং একটি নীরব পর্যবেক্ষক। সে দেখে, কিন্তু বলে না। সে উপস্থিত থাকে, কিন্তু হস্তক্ষেপ করে না। ফলে কালো বিড়াল ধীরে ধীরে উপন্যাসের নৈতিক বিবেক হয়ে ওঠে। সংবাদমাধ্যম যখন নিজের বিবেক হারাতে শুরু করে, তখন এই কালো বিড়ালই পাঠককে মনে করিয়ে দেয় যে কোনো না কোনো চোখ সবসময় দেখছে। “গুম হওয়া সংবাদ”, “লাল কালি ও সাদা মিথ্যা” এবং “টেলিভিশনের নীরবতা” অধ্যায়গুলো সমসাময়িক গণমাধ্যম বাস্তবতার সবচেয়ে তীক্ষ্ণ সাহিত্যিক উপস্থাপনাগুলোর মধ্যে পড়তে পারে। এখানে লেখক দেখিয়েছেন, সংবাদ দমন সবসময় সরাসরি নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে ঘটে না। অনেক সময় সংবাদকে প্রকাশ করেও তার অর্থ নষ্ট করে দেওয়া যায়। আবার কখনো সংবাদকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যাতে মূল সত্য আড়াল হয়ে যায়। এই সূক্ষ্ম প্রক্রিয়াগুলোকে লেখক অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে আখ্যানের অংশ করেছেন। “বিজ্ঞাপনের বদলে বিবেক” অধ্যায়টি আধুনিক সংবাদপত্রের অর্থনৈতিক বাস্তবতার একটি গভীর রূপক। আজকের পৃথিবীতে সংবাদপত্র কেবল জনস্বার্থের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একই সঙ্গে একটি ব্যবসায়িক কাঠামো। বিজ্ঞাপনদাতা, করপোরেট প্রতিষ্ঠান এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের চাপ সাংবাদিকতার ওপর কীভাবে প্রভাব ফেলে, লেখক তা ব্যঙ্গাত্মক অথচ বেদনাময় ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। এই অধ্যায় পাঠককে একটি অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি দাঁড় করায়—সংবাদ কি জনগণের জন্য প্রকাশিত হয়, নাকি বিজ্ঞাপনদাতার স্বার্থ রক্ষার জন্য? উপন্যাসের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর চরিত্র বৈচিত্র্য। ওসি, ডিসি, কবি, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী, প্রেসক্লাব নেতা—সবাই মিলে একটি জটিল সামাজিক জাল তৈরি করেছে। বিশেষ করে “ওসির কাঁপা হাত” এবং “ওসির কান্না” অধ্যায় দুটি ক্ষমতা ও বিবেকের দ্বন্দ্বকে মানবিক মাত্রা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন কর্মকর্তা যখন সত্য জানেন কিন্তু তা প্রকাশ করতে পারেন না, তখন তাঁর অবস্থানও সংবাদকর্মীর মতোই ট্র্যাজিক হয়ে ওঠে। “কবির নির্বাসন” অধ্যায়টি বিশেষ সাহিত্যিক গুরুত্ব বহন করে। কারণ এখানে লেখক সংবাদমাধ্যম ও সংস্কৃতির সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সত্য বলার দায় শুধু সাংবাদিকের নয়; কবি, সাহিত্যিক, শিল্পী—সবার। কিন্তু যখন ক্ষমতা শব্দকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তখন সবার আগে নির্বাসিত হয় স্বাধীন কণ্ঠস্বর। এই অধ্যায় পুরো উপন্যাসকে একটি বৃহত্তর সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপটে নিয়ে যায়। উপন্যাসের ভাষাশৈলী উল্লেখযোগ্যভাবে সংযত এবং ব্যঙ্গাত্মক। লেখক অলঙ্কারের চেয়ে পর্যবেক্ষণকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর ভাষা সাংবাদিকতার বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। কিন্তু এই সরলতার আড়ালে রয়েছে গভীর বিদ্রূপ। “বিবেক বিক্রির দরপত্র”, “প্রেসকার্ডের ফেরিওয়ালা”, “জনগণের স্মৃতিভ্রংশ” কিংবা “অদৃশ্য সেন্সর বোর্ড”—এসব শিরোনামই লেখকের ব্যঙ্গবোধের পরিচয় বহন করে। বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয় “জনগণের স্মৃতিভ্রংশ” অধ্যায়টিকে। আধুনিক মিডিয়া সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় সংকটগুলোর একটি হলো মানুষের মনোযোগের স্বল্পতা। প্রতিদিন নতুন খবর আসে, নতুন বিতর্ক তৈরি হয়, নতুন সংকট দেখা দেয়। ফলে পুরোনো অন্যায় দ্রুত বিস্মৃত হয়ে যায়। লেখক এই ঘটনাকে শুধু সামাজিক সমস্যা হিসেবে দেখেননি; বরং ক্ষমতার অন্যতম কৌশল হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। জনগণ যদি ভুলে যায়, তাহলে জবাবদিহিতার প্রয়োজনও শেষ হয়ে যায়। “সংবাদ ও সিন্ডিকেট” এবং “গুজবের কারখানা” অধ্যায়গুলো ডিজিটাল যুগের তথ্য-রাজনীতির একটি তীক্ষ্ণ সমালোচনা। তথ্যের প্রাচুর্যের যুগে সত্যের সংকট আরও গভীর হয়েছে—এই বাস্তবতাকে লেখক রূপকধর্মী ভঙ্গিতে তুলে ধরেছেন। গুজব এখানে কেবল মিথ্যা নয়; এটি একটি সংগঠিত উৎপাদন ব্যবস্থা। আর সেই ব্যবস্থার সঙ্গে সংবাদমাধ্যমের জটিল সম্পর্ক পাঠককে ভাবতে বাধ্য করে। রুবেলের চরিত্র উপন্যাসে প্রতিরোধের প্রতিনিধিত্ব করে। “রুবেলের প্রতিবাদ” অধ্যায়টি দেখায় যে কোনো ব্যবস্থাই পুরোপুরি একমুখী নয়। ক্ষমতার বিরুদ্ধে সবসময় কিছু কণ্ঠস্বর থাকে। যদিও তারা সংখ্যায় কম, তবুও তারাই পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করে। রুবেল কোনো আদর্শ নায়ক নয়; বরং বাস্তবতার ভেতরে দাঁড়িয়ে সত্যের পক্ষে থাকা এক সাধারণ মানুষ। উপন্যাসের শেষাংশ ক্রমশ ট্র্যাজিক এবং প্রতীকী হয়ে ওঠে। “শেষ সম্পাদকীয়” এবং “কালির সিংহাসনের পতন” অধ্যায় দুটি কেবল একজন সম্পাদকের পতনের গল্প নয়। এটি এমন এক ক্ষমতাব্যবস্থার পতনের রূপক, যা দীর্ঘদিন ধরে ভাষা, তথ্য এবং জনমতকে নিয়ন্ত্রণ করে এসেছে। কিন্তু লেখক এখানে কোনো সরল বিজয়ের গল্প বলেননি। কারণ একটি সিংহাসনের পতন মানেই সত্যের বিজয় নয়। বরং সেই পতনের পর নতুন প্রশ্নের জন্ম হয়—এবার সত্যকে কে রক্ষা করবে? সাহিত্যতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে “কালির সিংহাসন”কে রাজনৈতিক-রূপকধর্মী ব্যঙ্গ উপন্যাস বলা যেতে পারে। এতে সংবাদমাধ্যম, প্রশাসন, ব্যবসা এবং জনমতের আন্তঃসম্পর্ককে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা একদিকে বাস্তবসম্মত, অন্যদিকে প্রতীকী। এই দ্বৈত বৈশিষ্ট্য উপন্যাসটিকে কেবল সমসাময়িক দলিল নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী সাহিত্যিক গুরুত্বও দিয়েছে। মোহাম্মদ শাহজামান শুভ তাঁর পূর্ববর্তী সামাজিক-প্রাতিষ্ঠানিক আখ্যানধারার অভিজ্ঞতাকে এখানে আরও বিস্তৃত পরিসরে প্রয়োগ করেছেন। “নৈতিকতার লাল কালি”-তে যেখানে বিদ্যালয় ছিল ক্ষমতা ও নৈতিকতার পরীক্ষাগার, সেখানে “কালির সিংহাসন”-এ সংবাদমাধ্যম হয়ে উঠেছে সত্য ও ক্ষমতার সংঘাতের প্রধান ক্ষেত্র। ফলে এই উপন্যাসকে কেবল সাংবাদিকতার গল্প হিসেবে পড়লে এর গভীরতা ধরা যাবে না। এটি মূলত বয়ান-নিয়ন্ত্রণের রাজনীতি নিয়ে লেখা একটি সাহিত্যিক অনুসন্ধান। সবশেষে বলা যায়, “কালির সিংহাসন” আমাদের সময়ের সংবাদমাধ্যম, জনমত এবং ক্ষমতার সম্পর্ক নিয়ে রচিত একটি সাহসী, ব্যঙ্গাত্মক ও চিন্তাপ্রবণ উপন্যাস। এটি পাঠককে শুধু গল্প শোনায় না; বরং সংবাদ পড়ার অভ্যাস, সত্য সম্পর্কে ধারণা এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করে। উপন্যাসটি শেষ হওয়ার পরও পাঠকের মনে একটি প্রশ্ন দীর্ঘসময় ধরে প্রতিধ্বনিত হতে থাকে—আমরা প্রতিদিন যে সংবাদ পড়ি, তা কি সত্যিই বাস্তবতার প্রতিবেদন, নাকি বাস্তবতাকে পুনর্গঠনের আরেকটি কৌশল? এই প্রশ্নের উত্তর লেখক দেননি। কারণ উত্তর দেওয়ার চেয়ে প্রশ্ন জাগানোই এই উপন্যাসের প্রধান সাফল্য। আর সেই কারণেই “কালির সিংহাসন” সমকালীন বাংলা সাহিত্যে সংবাদমাধ্যমভিত্তিক রূপক-উপন্যাসের একটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হওয়ার যোগ্য। এটি শুধু কালির গল্প নয়; এটি ক্ষমতার গল্প, স্মৃতির গল্প, বিবেকের গল্প এবং শেষ পর্যন্ত সত্যকে খুঁজে ফেরার এক অস্বস্তিকর কিন্তু প্রয়োজনীয় সাহিত্যিক যাত্রা।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ১ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কালির সিংহাসন: সংবাদ, ক্ষমতা ও নীরব সত্যের ব্যঙ্গাত্মক উপাখ্যান

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now