বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

কাকতাড়ুয়া-৭

"উপন্যাস" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান রিয়াদুল ইসলাম রূপচাঁন (০ পয়েন্ট)

X বুঝতে পারে না গায়ের লোকে ওকে পাগল বলে কেন,আসলে ও তো একটি সাহসী বালক হয়েছে । ও মাঠের মাঝখানে দাড়িয়ে দুহাত দুপাশে সোজা করে জামাটা মাথায় বেধে কাকতাড়ুয়ার ভঙ্গিতে দাড়িয়ে থাকে । দেখতে পায় কানের পাশ দিয়ে উড়ে যায় বোলতা । বোঁ করে একটা শব্দের তরঙ্গ উঠে মুহুর্তে মিলিয়ে যায় বাতাসে । ওর মনে হয় ওটা বোলতার ডাক নয়,শব্দটা ওর চাচির কন্ঠ । চাচি ওকে সকালে মরিচ পুড়িয়ে পান্তাভাত খেতে দিয়ে বলছে,রোজ রোজ কেবল ভাত গেলা । ঢ্যাঙা তো কম হসনি । কামাই করতে পারিস না,বাপু? কামাই! ভাত খেতে খেতে ও শব্দটা নিয়ে নাড়াচাড়া করে । শক্ত হয়ে থাকা মগজের গায়ে শব্দটা ডোক্কর খায় । তোর মা বাপ তো মরে খালাস । এখন জালা আমার । পরের ছেলের বোঝা টানতে পারি না,বাপু । *বোঝা! শব্দটা ওর শক্ত হয়ে থাকা বুকের মাটিতে বলের মতো লাফায় । ও ভাবতে থাকে । শোন বুধা,তুই তো দেখতেই পাস যে তোর চাচার রোজগার নেই । তোর আটজন চাচাতো ভাইবোন ,দিন চলে না । ও নীরবে ভাত খায় । পোড়া মরিচ ডলে ডলে ভাত লাল করে ফেলেছে । আশ্চর্য ,ঝালে ওর জিব পুড়েছে না । কেমন অদ্ভুত স্বাদ হয়ে ভাতের লাল দলা গলা দিয়ে নামছে । শুধু ওর চোখে পানি আসতে চায় । কিন্তু সে পানিও বাধা পায় । গড়ায় না ।।।।।।।।


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৯২ জন


এ জাতীয় গল্প

→ কাকতাড়ুয়া-৭

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now