বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
নোলক বুয়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে । তার মোটাসুটা শরিরটা নড়ে না । প্রবল বিস্ময়ে বলে,এখন কি জিজ্ঞেস করার সময়? প্রশ্ন করছিস যে? দেখলি না কত কী ঘটে গেল । ওরা তো আবার আসবে । তখন যাকে পাবে তাকে মারবে । আমরা কেউ বাচব না ।
*সবাই গেলে গায়ে কে থাকবে?
*শোনো ছেলের কথা! এখন কি এত কথা বলার সময় আছে? তোর হয়েছে কী বল তো? বাপ মা,ভাইবোন সব তো গেছে । এখন কি তোর নিজের যাওয়ার শখ হয়েছে?
ও নোলক বুয়ার সঙ্গে কথা বলে না । নোলক বুয়া ওর কথার উত্তর দেয়নি । নোলক বুয়া কাজে ব্যস্ত হয়ে যায় । ও নিঃশব্দে বেরিয়ে আসে । ও তো জানে,কেউ না থাকলে ও একাই থাকবে । কেন পালাবে? যে পালায় সে ভীতু । বোকা । সবার তো উচিত গায়ে থেকে লড়াই করা । লড়াই লড়াই বলতে বলতে ও হাটতে শুরু করে । অনেকে তখন পথে নেমেছে । ও সবার সঙ্গে কথা বলতে পারে না । কারণ,তারা ওর দিকে তাকানোর সময় পায় না । ওরা নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত । ভয়ে ,আতঙ্কে ওরা পালাচ্ছে । বড় জামগাছটার নিচে দেখা হয় হরিকাকুর সঙ্গে।বেচারা লটবহরের বোঝায় কাহিল । হরিকাকুর জন্য ভীষণ মায়া হয়।কত দিন ধরে কাকিমা অসুস্থ । ঠিকমতো হাটতেই পারছে না ।কাকিমা ওকে দেখে হাউমাউ করে কেদে ফেলে ।
দেখ তো মানিকরতন,এই বয়সে কেউ কি বাড়িঘর ছেড়ে বেরোতে পারে?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now