বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
বাপ-মায়ের একমাত্র সন্তান ছিল হামিদুর, দরিদ্র বাপ পড়ালেখার খরচ দিতে পারতো না। নিজের চেষ্টায় বহু কষ্টে ক্লাস সিক্স পর্যন্ত পড়তে পেরেছিল। তারপর বাপের সাথে কাজে যোগ দিল।
বাবা ছেলেকে নিয়ে গর্ব করত, “আমার হামিদুরের মত সৎ পোলা আর নাই, যেকোনো কাজে তার উপরে ভরসা করা যায়। একটাই সমস্যা, পোলা একটু তারছিঁড়া টাইপ, খেপলে সমস্যা হয়া যায়।” ২৫শে মার্চ চট্টগ্রামের ইবিআরসিতে ২৫০০ বাঙ্গালীর ডেডবডি দেইখা হামিদুরের মাথার তার ছিঁড়ে গেল… ১৮ বছরের হামিদুরের চোয়ালবদ্ধ শপথে মিশে থাকলো শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে না দেওয়ার দৃপ্ত প্রতিজ্ঞা…
২৮শে অক্টোবর, ১৯৭১। ভোর রাত। ১২৫ জনের মুক্তিযোদ্ধাদের দলটা লেফটেন্যান্ট কাইয়ুমের নেতৃত্বে নিঃশব্দে এগোচ্ছে। শ্রীমঙ্গলের ধলই বর্ডারের চা বাগানের পূর্ব পাশে এই ঘাঁটিটা ৩০তম ফ্রন্টিয়ার রেজিমেন্ট পাহারা দিচ্ছে। হঠাৎ পায়ের তলায় একটা মাইন বিস্ফোরণ, শহীদ হলেন কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা, টের পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে মেশিনগান থেকে ব্রাশফায়ার শুরু করল পাকি মেশিনগানার। যেভাবেই হোক মেশিনগানটা থামাতে হবে, না হলে সামনে এগোনো যাবে না। কিন্তু এই অবিরাম গুলিবৃষ্টির মধ্যে সামনে যাওয়া অর্থ নিশ্চিত মৃত্যু, মৃত্যুকে আলিঙ্গন করতে যাবে কে?
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now