বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
যে সময়ের ঘটনা, তখন আমি ধর্মীয় অনুসাশন গুলো নিয়মিত পালন করতাম।
ফলে আধ্যাত্মিকতার কিছু কিছু নিদর্শন আমার দৃষ্টিগোচর হতো।
যদিও এখন আর পুর্বের মত হালত নেই।
সাংসারিক ঝামেলা, স্ত্রী -সন্তানদের প্রতি দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে নিয়মিত ধর্মীয় রীতিনীতি পালন করতে পারিনা।
একদিন আমি মসজিদে এশার নামাজ অন্তে
৫০০ বার দরুদ শরীফ পড়ে বাড়ি ফিরে আসলাম।
বাড়ি এসে রাতের খাবার খেয়ে সকাল সকাল ঘুমিয়ে পড়লাম।
শেষ রাতে আমি স্বপ্নে দেখলাম,
আমি যেন একটা অপরিচিত এলাকা দিয়ে গমন করছি।
ঘর-বাড়ি, রাস্তাঘাট সব কিছুই অন্যরকম এবং অচেনা।
এরুপ অচেনা এলাকা দিয়ে যেতে যেতে একসময় মনে হলো, আমি যেন জিনদের এলাকা দিয়ে গমন করছি।
দেখলাম কয়েকটি শিশু জিন একটি বাগানে খেলা করছে।
তার মধ্যে একজন একটু বয়সে বড় এবং সে জাদু- মন্ত্র বিদ্যায় পারদর্শী।
আমাকে দেখে সে মাটির ঢিলাতে মন্ত্র পাঠ করে,আমাকে ছুড়ে মারছে।
তখন আমি অমঙ্গলের আশংকায় আত্মরক্ষার জন্য 'আয়াতুল কুরসি' বিশেষ কায়দায় পাঠ করে মাটির ঢিলায় দম করে ছুড়ে মারছি।
এভাবে তৃতীয় বারের মাথায় ছুড়ে মারা একটি ঢিল ঐ দুষ্টু জিনের হাতে গিয়ে আঘাত করলো।
সঙ্গে - সঙ্গে জিনটির সমস্ত শরীরে আগুন ধরে গেল এবং পুড়ে ভষ্ম হয়ে গেল।
আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল।
পরদিন সন্ধ্যায় আমি অন্ধকারেই মাগরীবের নামায পড়তে বাড়ি থেকে বের হচ্ছি।
দরজার সামনে দড়ির মত একটা কিছু আবছামত দেখে সন্দেহ হলো।
টর্চলাইট জ্বেলে দেখি একটা সাপ।
পাশেই ছিল লাঠি, সেটা দিয়ে আঘাত করছি আর সাপটিও লাফ দিচ্ছে।
এভাবে তৃতীয় আঘাতে সাপটি মারা পড়লো।
হঠাৎ রাতের স্বপ্নের কথা মনে পড়লো যে, তৃতীয় আঘাতের সময়ই জিনটি পুড়ে ভষ্ম হয়েছিল!
তাহলে এ সাপটি কি জিন ছিল!
কারন হাদিসে গৃহে বাসকরা সাপ মারতে নিষেধ করা হয়েছে।
যেহেতু সাপের আকৃতি নিয়ে সাপ গৃহে বাস করে,তাই এ নিষেধাজ্ঞা।
সেদিন আমি আসলে সাপ হত্যা করেছিলাম! নাকি জিন হত্যা করেছিলাম সে রহস্যের কোন সমাধান পাইনি।
তবে একটা কথা বলে রাখি, যা অনেকের কাজে আসবে।
তাহলো, বিশেষ কায়দায় 'আয়াতুল কুরছি' খ্যাত সুরা বাকারার ২৫৫ নং আয়াত পাঠ করলে জিন-পরি,ভুত- প্রেত ও সয়তান পাঠকের কাছে ৭০ গজের মধ্যে আসতে পারেনা।
যদি ৭০ গজরে মধ্যে আসার দুঃসাহস দেখায়,তবে আল্লাহর নুরের তাজাল্লিতে জ্বলে পুড়ে ছাই- ভষ্ম হয়ে যাবে।
বিশেষ কায়দা আর কিছুই নয়; শুধু এক স্থানে ওয়াকফ করতে হবে অর্থাৎ নিঃশ্বাস ছাড়তে হবে এবং একটি বাক্যাংশ ৩ বার বলতে হবে।
তাহলে এটি জিন- সয়তানের জন্য একটি সাংঘাতিক মারনাস্ত্রে পরিনত হবে।
এ আয়াতে কারীমা আমল হিসেবে নিয়মিত পাঠ করলে, পাঠক খোদায়ী নিরাপত্তা লাভ করবে,তাতে কোন সন্দেহ নাই।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now