বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জিজেসদের সাথে সাক্ষাৎ ও আড্ডাবাজি!! শেষাংশ♥

"ফ্যান্টাসি" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান তানিইইইইইম (০ পয়েন্ট)

X Writer::TaNeem Rabby♠ গত পর্বের পর!............!!! রনি ভাই--চুপচাপ খাও হ্নদয়! হ্নদয়-যথা আজ্ঞা,স্যার! প্রভা--রনি ভাই, দেখেন তো!ওইখানে কি লেখা আছে? রনি-ওওই খানে লেখা আছেহ,বি অনেস্ট, মেইক অনেস্টি! রনি ভাই পড়ার জন্য ঘাড় ঘুরাতেই,প্রভা শব্দহীন থাবা দিয়ে রোস্ট টা লুফে নিলো,তারপর শান্ত গলায় বল্লো, প্রভা--থাক ভাই,আপনি খান!পড়া লাগবো নাহ! রনি--একি.. আমার প্লেটের মুরগীর রোস্ট গেলো কই,আয়হায়,মুহুর্তে হাওয়া হয়ে গেলো নাকি! প্রভা--( মাংস চিবুতে চিবুতে বলে) কি হয়েছে ভাই, হ্নদয়-কি হলো আবার! রনি- আমার প্লেটের রোস্ট এই ছিলো,মুহুর্তের মধ্যে আবার হাওয়া হয়ে গেলো! প্রভা--(মিটিমিটি হাসছে) ওই মিয়া,বিটলামি করেন!রোস্ট আবার হাওয়া বাতাসে রূপান্তর হয় কেমনে!! হ্নদয়--এই হাওয়া মানে হাওয়া বাতাস নাহ,এই হাওয়া মানে নিরুদ্দেশ হওয়া!হারিয়ে গেছে আর কিহ! প্রভা--কি জানি বাপু,আমি এগুলা বুঝি নাহ! রনি--আহা দুঃখ,,,আমার স্বাদের রোস্ট,যেই ইদুরে নিয়েছিস, সেই ইদুরের পেটে ট্রাবল হবে, তোর বউ অন্য ব্যাটার সাথে ভেগে যাবে,পরকীয়া করবে!উউউউ, প্রভা--এই সেরেছে,যেই অভিশাপ দিলো,পরে তো আমার পেটের ১২ টা বাজবে,সাথে আবার বউ ও চলে যাবে,তাইলে তো আমি বিধবা হয়ে যাবো!!তার চেয়ে বরং ফেরত দিয়ে দেই!!! প্রভা তখন নিজেকে সামলে নিয়ে বলে, প্রভা--থাক ভাই,কাইন্দেন নাহ,নেন, আপনি আমার রোস্ট টা খান! রনি-- না ভাই,এই হতে পারে নাহ,আমি কেন তোমার রোস্ট খাবো,উউউউ প্রভা-- না ভাই,আপনেরে খাইতেই হবে,নইলে আমার পেটের ১২ টা বাজবে,ভাভাগো ভাভা কি মারাত্নক অভিশাপ! রনি-- কি সাপ! প্রভা- কিছু না,খাও ভাই খাও, হ্নদয় শুভ্র, শুভ দা এসব কাহিনী দেখে হাসছে......... অদূরের টেবিল থেকে সিয়াম আর মফি, ফাহাদ বিষয়টা বোঝার চেষ্টা করছে,কিন্তু ব্যার্থ!! মেয়েদের টেবিলে বসে মিঃ ফাইটোপ্লাংকটন ও মেয়েরা মিলে হাল্কা খাবার খাচ্ছিলেন সাথে আড্ডা ও দিচ্ছেন,, সাথে কয়েকজন ছেলে ও আছে!!! এদিকে সিয়াম, সামির,সাবিরা,মফি,পুস্পিতা, স্যুপ খাওয়া নিয়ে প্রতিযোগিতা শুরু করলো!! কে আগে স্যুপ খেয়ে শেষ করতে পারবে,,,, দ্রুত খেতে গিয়ে,স্যুপ নাকের তালুতে উঠে যায় সাবিরার আর সিয়ামের! দুজনে কাশি দিতে শুরু করে,,,তারা কাশি দেয় এইভাবে, সিয়াম--হুক্কুর হুক্কুর টুক্কার বাপ! সাবিরা--হুচু হুফু বাপ্রে বাপ! বাকিরা চামচ,বাটি গ্লাস, রুমাল দিয়ে তাদের মাথায় আঘাত করে কাশির দূর করার চেষ্টা চালায়!! যাইহোক,অনেক সময় নিয়ে খাওয়া দাওয়ার পর্ব শেষ হয়!!! কেউবা এদিকে ওদিকে একটা হাটাহাটি করে, কেউবা সোফায় গা এলিয়ে দেয়,কেউবা দুষ্টুমিতে মেতে আছে এখনো,, আমি চলে গেলাম রুফটপে!আমার প্রিয় একটা জায়গা!অদৃশ্য এক মায়া কাজ করে আমার রুফটপ এর উপরে,দিনে সময় পেলে চলে যাই ছাদে,আর রাতের বেলা হলে তো কথাই নাই! বাহ,চারদিকে চাঁদের চিকচিকে আলো বিরাজমান! কিন্তু,শহুরে ফ্লাড লাইট,সোডিয়াম লাইট,দালান কোঠার উচ্চ আলোর বাতির দরুন, চাঁদের রূপালি আলো বিলুপ্তপ্রায়!!! বাহ,আজকের চাঁদ টা অনেক সুন্দর!! [{( চাঁদটা কবেই বা অসুন্দর ছিলো রে তানিম??যত্তসব ন্যাকামি!!!)}] দেখতে অনেকটা ঘাস কাটার কাঁচির মতো,চিকন তবে বাকানো!!!! তাকিয়ে আছি মুগ্ধ নয়নে,চাঁদের রূপালি আলোয় আমার নিজের ছায়াটা আরো সুন্দর দেখাচ্ছে, একবার তাকাচ্ছি চাঁদের দিকে আরেকবার তাকাচ্ছি আমার ছায়ার দিকে!......... কিন্তু,কিছু একটার অভাব বোধ করছি,ভীষন ভাবে! মুচকি হেসে মনকে প্রশ্ন করলাম 'আরেকটা লজ্জাবতী ছায়া পাশে থাকলে কেমন হতো!সুন্দর হতো নাহ??'' পথিমধ্যে কানে ভেসে এলো, জিজেসদের দুষ্টুমির কলকাকলি!! আমিও চাঁদের দিকে তাকিয়ে,তাদের দুষ্টুমির দর্শক হয়ে গেলাম!আর মিস করছি,ছোট বেলায় পড়া ' চাঁদ মামা''' কবিতাটি!!!!! হ্নদয়,ফারহান,সিয়াম, ফাহাদ,সামির এরাও ছাদে এলো!! এরাও আসতো নাহ,হ্নদয়ের পীড়া পীড়িতে আসতে বাধ্য হলো! ফারহান-- বার বার ছাদে আসা??নিশ্চয়ই কোন কিন্তু আছে,আমাকে এটা খুজে বের করতেই হবে,ইয়ে আমার ম্যাগনিফাইং গ্লাস কইরে!!! সিয়াম--তোপসে,এখানে এসেও ডিটেকটিভ গিরি!!!??? ফারহান--ইটস মাই ডিউটি, নেশা এন্ড পেশা! ফাহাদ--রাখো তোমার বিউটি!!! ফারহান--হোয়াট? ইটস ডিউটি! নট বিউটি!!! হ্নদয়-- হেই কিডস,থামবা!!! সিয়াম--ওক্কে, সাইলেন্ট!! এরপর হ্নদয় আমাকে উদ্দেশ্য করে বল্লো! হ্নদয়-- রোমান্টিকতার সাগরে হাবুডুবু খাচ্ছেন নাকি ভাই! আমি--কোথায় আর রোমান্টিকতা!! হ্নদয়-চাঁদের দিকে যেইভাবে তাকিয়ে আছেন,আমিতো ভাবলাম,রোমান্টিকতার চুড়ায় উঠে গেছেন!! আমি--তূমি বলছো রোমান্টিকতার কথা!!দীর্ঘ সাড়ে তিন মিনিট ধরে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছি,কোন রোমান্টিকতার আঁচ ই পেলাম নাহ!আবার হাবুডুবু খাবো! হা হা!!! সিয়াম-- সাড়ে তিন মিনিট! তাও আবার দীর্ঘ সাড়ে তিন মিনিট!!! ফারহান-- বিদায় পৃথিবী! এরপর,সামির একটা কাগজ বের করে,সেখানে লিখলো, দুঃখ ছ্যাকা বায় বায়! রোমান্টিকতা ফিরে আয়! কুইক,কুইক,কুইক, এটা লিখে,কাগজ টাকে দুমড়ে মুচড়ে আমার হাতে দিলো এবংং বল্লো!! সামির-- এই নেন ভাইয়া,এই বড়ি টা খান,স্পেশাল রোমান্টিকতার বড়ি,সেবনের সাথে সাথে ফলাফল, কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই,বিফলে মূল্য ফেরত।শুধুমাত্র কোম্পানির প্রচারে জন্য! কলিকাতা হারাবাল লিঃ.............হা হা হা! ফারহান-- ওরে ভাইরে ভাই,এ কেমন লীলাখেলা!মেডিসিন কাজ করবে তো? সামির--২০০% কার্যকরী!!! আমি--থেংক্স ফর রেডিমেড বাঁশ!! সিয়াম--(কিছুক্ষন ভেবে) থ্যাঙ্কিউ ভেরি মাচের জায়গায় থেংক্স ফর রেডিমেড বাঁশ!!! হাউ ফানি! ফাহাদ--ভাইয়া,কোথায় পানি! সিয়াম-- পানি নয় ফানি-Funny!!!!!! তারপর৷ আমরা হাসতে হাসতে রুফটপ থেকে চলে আসলাম! এসেই বিদায় লগ্নের প্রস্তুতি অনুভব করলাম! হা,যেই ভাবা সেই কাজ!! সবাই রেডি হতে লাগলো,বিদায় নেবার পালা!!! মেয়েরা যাবে, সাবিরাদের বাসায় নারায়নগঞ্জ।আজ রাত থেকে! কালকে সবাই যে যার গন্তব্য চলে যাবে!আর আমরা ছেলেরা যাবো VVIP প্রভার বাসায়!!! বিদায় বেলায় এক বেদনাদায়ক দৃশ্যর অবতারণা হয়!!সবাই নিজের ভিতর একটা চাপা কষ্ট অনুভব করে!কেউবা হাঁটুর লিগামেন্ট ছিড়ে যাবার মতো কষ্ট অনুভব করে,কেউবা ব্লেডে কাটা হাতের মতো কষ্ট অনুভব করে,কারন,একে অপরকে বিদায় দিচ্ছে!!! মিঃ ফাইটোপ্লাংকটন সবাইর হাতে চকলেট এর বক্স গুলো তুলে দেয়,আর অশ্রসজল চোখে আর আনন্দের মায়া ভরা মুখে, আর ভালোবাসার হাসি হেসে সবাইকে বিদায় জানায়!! মেয়েরা সবাই মাইক্রাবাসে উঠেছে,গন্তব্য শীতলক্ষ্যর পাড়!!!ছেলেরা হাত নাড়িয়ে বিদায় জানাচ্ছে। ছেলেদের দলের মধ্যেখান থেকে কেউ একজন কবির ভাষায় বলে উঠে, যেতে নাহি দিবো হায়! তবু চলে যেতে দিতে হয়! তবু চলে যায়! শার্টের হাতা ভিজে যায় চোখের নোনা জলে,কারন,শার্টের হাতা দিয়ে চোখের জল আটকে রাখার নিদারুণ প্রচেষ্টা!! বিদায় জিনিসটা বড়ই কষ্টদায়ক!!! এদিকে আমাদের মাইক্রোবাস ও এসে হাজির!! আমরাও চল্লাম প্রভাদের বাসার উদ্দেশ্য!! ৪০ মিনিটের জার্নি শেষে প্রভাদের বাসায় এসে উপস্থিত আমরা!!! কলিংবেল চাপতেই দরজা খুলে গেলো!!!দরজা খুল্লেন প্রভার আম্মু!হয়তো তিনি আমাদের অপেক্ষায় ছিলেন,দরজার পাশে ঘুরঘুর করছেন আর আমাদের আগমনের প্রহর গুনছেন!যাইহোক,দরজা খোলার সাথে সাথে ''আসসালামু আলাইকুম ''ধ্বনিতে প্রকম্পিত হলো পুরো দালান!! প্রভার আম্মু--ওয়ালাইকুম আসসালাম! -কেমন আছেন আন্টি? -ভালো আছেন আন্টি! - মন ভালো তো? -শরীর ভালো তো? -খেয়েছেন আন্টি? -আমরা এসে গেছি আন্টি!! -আন্টি, কেমন আছেন!! জিজেসদের এসব প্রশ্নবাণে প্রভার আম্মু কিছুটা জর্জরিত! কিছুটা দম নিয়ে বল্লেন,কার প্রশ্নের উত্তর আগে দিবো,ভেবেই কুল পাচ্ছি নাহ! প্রভার আম্মু--তো কেমন আছো তোমরা? "আমরা ভালো আছি আন্টি" ধ্বনিতে আরেকবার প্রকম্পিত হলো দালানটি!! -আচ্ছা,ভালো থাকলে তো ভালোই!আসো ভিতরে আসো!!! সবাই লাগেজ ব্যাগ নিয়ে বাসায় ঢুকতে লাগলো!!! প্রভার আম্মু--আব্বাহুজুর, আমার ছেলেদের নিয়ে এসেছেন,কিন্তু মেয়েরা কই!! প্রভা--না আম্মু,ওরা এখানে আসি নি,ওরা অন্য একজনের বাসায় চলে গেছে,!! প্রভার আম্মু--আহা,ওদের ও আমাদের বাসায় নিয়ে আসতি!! প্রভা--না মা,ওরা আসেনি, হয়তো এমনি বা অন্যকিছু!! প্রভার আম্মু-- আহা,আজ যদি তোর বাবা বেচে থাকতোহ!!!!!! প্রভা-- এইযে, শুরু হয়ে গেছে!!!! এদিকে ফারহান ডাইনিং এ জগ থেকে গ্লাসে পানি ঢেলে ঢক ঢক করে নিমিষেই শেষ করে দিলো!! ফারহান-ভাভারে,গলাটা শুকিয়ে কাঠ হয়ে গেছে! সিয়াম--শুরু হয়ে গেছে?পানির উপর স্টিমরোলার চালানো!!! ফাহাদ- আমিতো ভাবলাম,আশেপাশের এলাকা নিয়ে মনে হয় ট্রেন গেলো!!!ঝক ঝক ঝক করে!!! যাইহোক,জিজেসরা পালাক্রমে ফ্রেশ হয়ে নিলো!! প্রভার ছোট বোনটা এই রুম থেকে ওই রুমে ছোটাছুটি করছে!করবেই তো,এতোদিন দেখেছে ফাকা ঘর!আর আজ ঘরভর্তি মানুষ, আনন্দে সে লাফালাফি করছে,।সে কি দৌড়াবে নাকি লাফাবে, সে নিজেই ঠিক করতে পারছে নাহ!! আসলেই,অল্প পানির মাছ যখন বেশি পানিতে যায়,তখন সেই মাছটি কি সাতার কাটবে নাকি দৌড়াবে ভেবেই পায় নাহ!!! সবাই ড্রইং রুমে বসে আড্ডা দিচ্ছে,কেউ কেউ কৌতুহলের চোখে বাসাটাকে খুটিয়ে খুটিয়ে দেখছে কেউবা টিভিতে চোখ রেখে আছে,কেউবা ব্যালকনিতে গিয়ে ঠান্ডা বাতাস এর আলিঙ্গন নিচ্ছে!!! সোফায় কয়েকজন ঘিরে ক্যামেরাতে আজকের ফটো গুলো দেখছে!!!কেউবা জামা চেঞ্জ করতে ব্যাতিব্যাস্ত!!! যাইহোক,রাত অনেক হলো,,ডিনার আর করা হলো নাহ,সব আগেই হোটেলে সেরে এসেছে,,,সো বিন্দাস!!!!!!!!!! সবাই ড্রইং রুমে ঘুমাতে যাবে,তখন প্রভার আম্মু এসে বল্লেন! -কি ব্যাপার, তোমাদের জন্য তো আরো ৩ টা রুম রেডি করেছি,সবাই সেই রুমে গিয়ে বা ভাগ হয়ে ঘুমাও, এতে আরামে ঘুমাতে পারবা! কিন্তু,জিজেসরা সবাই একসাথেই ঘুমাবে,,ওক্কে অ্যাজ ইউর খায়েশ!!!! কে কীভাবে শুয়েছে,কীভাবে ঘুমিয়েছে আমি জানি নাহ,,,সবাই র‍্যান্ডম ভাবে ঘুমুচ্ছে!!আহা আহা আহা আহা!!!! অতপর.............. ঘুম...............শান্তির ঘুম........... ডাকে পাখি!! খোলো আখি! দেখো সোনালি প্রভাত.......শুভ সকাল!!! অদূরে অ্যাম্বুলেন্স এর " ওমা গো গেছিগো কিউ কিউ কু কু"" সাইরেনে আমার ঘুম ভাঙে!!!! ঘুম ভাঙতেই আমার চক্ষু চড়কগাছ!!! আমি বিছানাতেই শুয়ে আছি! কিন্তু, আমার উপর আড়াআড়ি ভাবে শুয়ে আছে ফারহান! পাশে হ্নদয়, চিত পটাং হয়ে শুয়ে আছে!মফি হলো বামপাশে,তার দুই পা আকাশের দিকে,অর্থাৎ দেয়াল বেয়ে আর কিহ,ফাহাদ হচ্ছে বিছানার একদম কিনারে,তার এক পা আমার নাকের উপরে,আরেক পা ফারহানের গলার মধ্যে!! রনি ভাই,সোফায় শুয়ে আছে, কিন্তু তার এক পা সোফায় আরেক পা মেঝেতে,অর্থাৎ কোলাব্যাঙ এর মতো! মেঝেতে শুয়ে আছে শুভ দা,তাকে কোলবালিশ বানিয়ে জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে সিয়াম আর সামির!!! এমন আজিব আজিব স্টাইলে অনেক এ ঘুমাচ্ছে!!!! আর প্রভা হচ্ছে খাটে আর মেঝেতে! তার শরীরের উপরাংশ খাটে, নিম্নাংশ মেঝেতে,আর পরনের লুঙি ইয়ে অবস্থায় আছে আর কিহ,মানে আর্কিমিডিস স্টাইলে!! থাক ভাই বুঝে নেন!!মেহা ভাই শান্তির ঘুম দিচ্ছেন রুমের কোনায়!!! আমি আবার ঘুমে ডুব দিলাম........... ঘুম থেকে উঠে পরের পর্ব লিখবো!!! আজ এই পর্যন্তই। দেখা হচ্ছে শীঘ্রই,পরের পর্বে!!!!! ততক্ষণ পর্যন্ত ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন!!!!! দেশকে ভালোবাসুন!!!! আল্লাহ হাফেজ!!! #TANEEM RABBY


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১১২৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জিজেসদের সাথে সাক্ষাৎ ও আড্ডাবাজি!! শেষাংশ♥

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now