বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

জীবনের কষ্ট

"জীবনের গল্প" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান Sumaiya Akter (০ পয়েন্ট)

X কেবল স্কুল এ গিয়ে ব্যাগ টা রাখবো এমন সময় মোহনার দিকে চোখটা গেল......দেখি সবাই মিলে তাকে কিছু একটা বুঝাচ্ছে....আর ওর মন খারাপ....... . ........তো আমি গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম কি হয়েছে........বলল যে এবার সবাই ঈদের সপিং করছে......কিন্তু তার বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে যাওয়ায় তার এবার সপিং করা হবে না।....তাই তার মন খারাপ......তারপর আমরা তাকে বোঝালাম মন না খারাপ করতে......একটু পর খবর এল যে সেফা নাকি তার বি এফ এর সাথে ঝগড়া করে 10 টা ঘুমের ঔষধ খেয়েছে.......শুনেতো মেজাজটা খারাপ হয়ে গেল.........ভাগ্য ভাল সে বেঁচে গেছে.......হসপিটাল এ গিয়ে দিলাম সেই ঝাড়..........বলেকি যে তার নাকি এই জীবন সহ্য হচ্ছেনা....যাকে সে ভালবাসলো সে তাকে কষ্ট দিছে....আর সেই দুঃখে সে এই কাজ করছে....ইচ্ছে করছিল টেনে একটা চড় লাগায়.......কিন্তু পারলামনা..........সামান্য একটা কারনে এত বড় একটা পদক্ষেপ নিয়ে নিল......একবারও এর পরিনতির কথা ভাবলোনা।.ওকে রেখে আমরা সবাই বাড়ি ফিরছিলাম......মোহনাও ছিল সাথে.............হসপিটাল থেকে বের হতেই একটা ছেলে আসলো টাকা চাইতে.......তাকিয়ে দেখি ওর একটা দুটো পা কাটা..... ছিঁচড়ে হাটছে.........দেখে খুব কষ্ট লাগলো..........জিজ্ঞেস করলাম এই অবস্থায় সে ভিক্ষে কেন করছে..........শুনে ও চুপ করে রইল.........অনেক জোর করার পর বলল যে একটা আক্সিডেন্ট এ ওর পা দুটো নষ্ট হয়ে গেছে............ওর মা মানুষের বাড়িতে কাজ করে......গত কয়েকদিন হল ওর মা অসুস্থ....ঘরে খাবার কিছু নেই......তাই বাধ্য হয়ে সে ভিক্ষে করতে বের হয়েছে.......নিজের জন্য না....অসুস্থ মায়ের মুখে একটু খাবার তুলে দিতে..............gj কথাগুলো বলার সময় ওর চোখ দিয়ে পানি ঝরছিল..................আমার চোখ দিয়েও কখন পানি ঝড়ে পরেছে তা খেয়াল করিনি....চোখ মুছে তাকিয়ে দেখি মোহনাও কাদছে.......এরপর আমরা সবাই তাকে আমাদের টিফিনের টাকাটা দিয়ে দিই...........ওই সামান্য টাকায় ও এতটা খুশি হয়েছে যা আমাদোর কল্পনার বাহিরে...........। আর আমরা সামান্য জিনিস নিয়ে কষ্ট পাই.........অথচ ওই ছেলেটা নিজের দুটো পা না থাকা সত্বেও জীবনের আনন্দ খুজে নিচ্ছে.....আর আমাদের আল্লাহ এত কিছু দান করা সত্ত্বেও আমরা সুখি নই...............সামান্য কষ্টে দিশেহারা হয়ে পরি..............একবার ভাবুনতো ওই ছেলেটার চেয়ে আমরা কত সুখে আছি....পা না থাকার যে কি কষ্ট তা যাদের পা নেই তারাই শুধু বোঝে.............তাই জীবনের সামান্য কষ্টে দুঃখ না পেয়ে সবুর করুন......মহান আল্লাহ যা করেন ভালোর জন্যেই করেন.....তার ওপর আস্থা রাখুন.....দেখবেন তিনি আপনার জন্য উত্তম কিছু রেখেছেন...........gj gj gj


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৭৯ জন


এ জাতীয় গল্প

→ জীবনের কষ্ট

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now