বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
ইউরোপের রাস্তায় এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে শ’খানেক মানুষ মেরে অগাস্টিন ঘরে ফিরেছে।তার মুখে বিষণ্ণতার ছাপ নেই।বরং সে খুব বেশী খুশী,কিন্তু কেন যে খুশী তা সে বোধহয় নিজেও জানে না।ঘরে আসতেই ছোট মেয়েটা তার বুকের ওপর “ড্যাডি” বলে ঝাপিয়ে পড়ল।সেও খুশী ভরে তাকে বুকে জড়িয়ে নিয়ে ব্যাগ থেকে একটা ক্যাডবেরি বের করে হাতে ধরিয়ে দিল।মেয়েটি খুব খুশী হয়ে তাকে গালে চুমু দিয়ে মাকে দেখাতে গেল যে বাবা তাকে কি দিয়েছে।তার স্ত্রী এলিনা কাছে এল,সে জানেও না তার প্রিয় স্বামী কি নরকের পাপ ঘেঁটে আজ এসেছে।সবাই বেশ খুশী।অগাস্টিনের চোখে যেন খুশীর বাঁধ ধরছে না আর,আলো পড়ে তার চোখ চিকচিক করছে।আর এদিকে,ইউরোপের রাস্তায় ভিন্ন চিত্র।আলফারেজ তার মেয়ে ও স্ত্রীয়ের জন্য উপহার কিনে নিয়ে যাচ্ছিল,আজ তার মেয়ে জোহানার পাঁচ বছরে পা দিল।কত উপহার,কেক কিনে নিয়ে যাচ্ছিল আলফারেজ।কিন্তু ঘরে ফেরা হল না তার আর।অগাস্টিনের গুলি তার মাথা বিদ্ধ করে দিয়েছে।মুহূর্তে মেয়েটার অস্পষ্ট মুখ মনে করতে করতেই সে মারা যায়।হাত থেকে সব উপহার মাটিতে পড়ে তার রক্তে মেখে গেছে।পাঁচ বছরের জোহানা জানতেও পারল না যে সে তার বাবাকে আর আদর করতে পারবে না,স্ত্রী অ্যানি আর কখনো তার স্বামীকে চুমু খেতে পারবে না,তার বুকে মাথা রাখতে পারবে না।পৃথিবীর এক কোণে আজ শয়তানের হাসি ভরপুর হয়ে গেছে এবং সে জানতেও চাইল না ঐ পাঁচ বছরের জোহানা কি দোষ করেছিল।সে নিজের এলিনার কথা ভাবল অথচ একজন বাবা হারানোর কথাটা মুহূর্তেও মনে পড়লে ধূলোমাখা রাস্তা হয়তো রক্তাক্ত কাদায় পরিণত হত না।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now