বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
কিশোর সাহাবী হযরত যায়েদ বিন হারেসা মুসলমানদের হাতে বন্দী হয়ে গোলামরূপে আসার তার পিতা কেঁদে কেঁদে তাকে খুঁজে ফিরছিল। এক সন্ধান পেয়ে তার পিতা ও চাচা মদিনায় গিয়ে সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দরবারে হ হলো। তারা বিনীত সুরে আরজ করল, হে হা বংশধর! আপনি হারামের অধিবাসী এবং আল্ ঘরের প্রতিবেশী। আপনি বন্দী মুক্ত ক ক্ষুধার্তদের আহার দান করেন, আমাদের অনুগ্রহ করুন। মুক্তিপণ নিয়ে আমাদের পুত্রকে করে দিন।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যায় পিতাকে বললেন, আপনি ওকে জিজ্ঞেস করুন, ও যেতে চায় তাহলে আপনারা ওকে নিয়ে মুক্তিপণের কোন প্রয়োজন নেই। আর যদি না চায় তাহলে আমরা ওর ওপর কোন চাপ প্র করতে পারব না। এরপর যায়েদ রা. উপস্থিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগ দু’জনের দিকে ইশারা করে তাকে জিজ্ঞেস কর তুমি এদের চেন? যায়েদ রা. বললেন হ্যাঁ, ইনি পিতা আর ইনি আমার চাচা। রাসূল সাল্লা আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার পরি তোমার জানা আছে, সুতরাং এখন তোমার ইচ্ছে চাইলে আমার কাছে থাকতে পার, আর ইচ্ছে তাদের সাথেও যেতে পার। বালক যায়েদ জবাব দ আমি আপনার পরিবর্তে আর কাকেই বা পছন্দ ক পারি আপনিই তো আমার বাবা-চাচার মতো। যায়েদের এ জবাব শুনে পিতা ও চাচা আবেগ বি কণ্ঠে বলে ওঠলেন, যায়েদ! তুমি আজাদির গোলামীকে প্রাধান্য দিচ্ছো?
হযরত যায়েদ রা. বললেন, আমি নবীজির মাঝে সৌন্দর্য দেখেছি, যার বিপরীতে কোন কিছুই প করতে পারি না। একথা শুনে নবীজি সাল্লা আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে কোলে টেনে নিলেন বললেন, একে আমি আমার পুত্র বানিয়ে নিলাম। কিশোর সাহাবীরও কি গভীর ভালোবাসা ছিল প্রতি। পিতা-মাতা, ভাই-বোন ও আত্মীয়-স্ব ভালোবাসাও সেখানে ম্লান হয়ে যায়।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now