বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
X
সকালে মোবাইলে মেসেজ এর শব্দে ঘুম ভাঙ্গে দীপুর। ঘুমেে মোরানো আধা বোঝা চোখেই মোবাইল খুজে মেসেজ পড়তে থাকে দীপু। অজানা নাম্বার থেকে মেসেজ যেখানে লেখা "ইনকমপ্লিট"। একটু চমকে ওঠে দীপু। চোখ ভালো করে মুছে আবারও মেসেজ টা পড়ে সে। দীপু কৃষি ডিপ্লোমাতে ৩য় সেমিস্টার এ পড়ে। খুব ভালো ছাত্র সে নয় তবে খারাপ ও নয়। রেডি হয়ে কলেজ এর দিকে পা বাড়ায় সে। ক্লাস শেষ করে বের হওয়ার পর আর একটি মেসেজ আসে তার মোবাইলে, সেই একি নাম্বার থেকে।মেসেজটা ছিল এরকম" আজকে শার্ট এ তোমাকে একদম মানায়নি। ইনকমপ্লিট"। সকালের মেসেজ এর কথা মনেই ছিলনা দীপুর। অনেকটা অবাক হয়ে আশেপাশে তাকায় সে। অনেকটা পাত্তা না দিয়ে চলে যায়। এরপর থেকে প্রতিদন সকালে দীপুর মোবাইলে মেসেজ আসে "ইনকমপ্লিট"। একদিন রাতে কল দেয় সেই নাম্বার এ। হ্যালো কে?(দীপু)
-আমি ইনকমপ্লিট।(পরি)
-আপনার নাম জানতে পারি?(দীপু)
-বল্লামতো ইনকমপ্লিট।(পরি)
বলেই ফোন কেটে দেয় পরি। পরি দীপুর ক্লাসমেট কিন্তু ওদের কখনও কথা হয়নি। ক্লাস এর প্রথম দিনই পরি প্রেমে পড়ে যায় দীপুর। অনেক কষ্টে ওর বন্ধুদের থেকে নাম্বার যোগার করে পরি। দীপুর মোবাইলে প্রতিদিন মেসেজ আসতেই থাকে। দীপু আবারও কল দেয়। এবার ওদের অনেক কথা হয়। আস্তে আস্তে দুজনার প্রতি দুজন মায়ায় পরে যায় কিন্তি তখনও সামনা-সামনি কথা হয়নি ওদের। একপর্যায়......
তোমাকে বড় দেখতে ইচ্ছে করছে।(দীপু)
-ওকে তাহলে চলো দেখা করি।(পরি)
-কাল সাফারি পার্কে। বিকাল 4 টা।
দীপু একটা রক্তিম গোলাপ হাতে আগেভাগে এসে বসে আছে।
একটা মেয়ে আসছে দীপুর দিকে,দীপু ভাবে এইকি সেই মেয়ে? নীল সারি পরেছে কপালে দিয়েছে লাল টিপ। তাকে শুধু নামেই পরি নয় দেখতেও পরির মতই লাগছে। দীপুর কাছাকাছি আসার পরে দীপু জিগাস করে তুমি ইনকমপ্লিট?
মেয়েটি কান্না ভেজা চোখে জানায়, সে পরির বান্ধবী। এখানে দীপুর সাথে দেখা করতে আসার সময় পরি এক্সিডেন্ট এ মারা যায়।
দীপুর বুক হাহাকার করে ওঠে। চোখের সামনে যেন সব কুয়াসাময় হয়ে উটতে লাগল।
দীপু বসে পরে, ভাবতে থাকে আর কখনও ওর মোবাইলে মেসেজ আসবেনা "ইনকমপ্লিট".।
ক্ষত রিদয় নিয়ে বসে থাকে দীপু, সন্ধে ঘনিয়ে আসলেও আর বাড়ী যায় না দীপু। যাবে কেমন করে? দীপুর প্রান পাখিটা যে শুন্য খাচা ছেড়ে পারি দিয়েছে পরির সাথে দেখা করতে। জীবন ঘরির কাটা যে আর চলছে না। আর এভাবেই রয়ে গেলো দীপু-পরির ইনকমপ্লিট ভালোবাসা।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now