বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ
ইমাম বুখারি (র) এর জীবন কাহিনী
"ইসলামিক" বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান sunto (০ পয়েন্ট)
X
ইমাম বুখারি (র.) এর নাম মুহাম্মদ।উপনাম আবু আবদুল্লাহ।পিতার নাম ইসমাঈল।দাদার নাম ইব্রাহিম।উপাধি আমিরুল মুমিনুন ফিল হাদিস(হাদিস বর্ণনায় মুমিনদের নেতা)।তিনি বুখারা নগরীতে ১৯৪ হিজরি ১৩ শাওয়াল,৮১০ খ্রিষ্টাব্দের ২১ জুলাই,শুক্রবার জন্মগ্রহণ করেন।বাল্যকালেই তার পিতা মারা যান।মায়ের স্নেহ ও ভালোবাসায় তিনি বড় হন।বাল্যকাল হতেই শিক্ষা লাভের জন্য তার প্রবল আগ্রহ।তিনি খুব তীক্ষ্ণ মেখার অধিকারী ছিলেন।ফলে ছয় বছর বয়সেই তিনি পবিত্র কুরআন হিফয করে ফেলেন।দশ বছর বয়সেই তিনি হাদিস মুখস্থ করা আরম্ভ করেন।ষোল বছর বয়সেই তিনি হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মুবারক ও আল্লামা ওয়াকি এর লেখা হাদিস গ্রন্হদ্বয় মুখস্থ করেন।তিনি প্রায় লক্ষাধিক হাদিস সনদসহ মুখস্থ করেন।তবে তিনি স্বাধীনতাচেতনা ব্যক্তি ছিলেন বিধায় কোনো রাজা-বাদশার দরবারে গমনাগমন করতেন না।ইমাম বুখারি দীর্ঘ ১৬ বছর সাধনা করে ৬ লক্ষ হাদিস থেকে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ৭২৭৫টি হাদিস বুখারি শরিফে লিপিবদ্ধ করেন।প্রত্যেক হাদিস লেখার আগে তিনি অযু ও গোসল করে ২ রাকাত নফল নামাজ পড়তেন।ইমাম বুখারি দীর্ঘ সাধনা শেষে বুখারায় এলে বাদশাহ খালিদ ইবনে আহমদের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়।বাদশাহ ইমাম বুখারির ইলমে হাদিসের গভীর ইলমের কথা শুনে তার কাছ থেকে হাদিস শুনার জম্য তাকে রাজদরবারে ডেকে পাঠালেন।ইমাম বুখারি বললেন,আমি হাদিসকে রাজ দরবারে নিয়ে অপমান করতে চাই না।তার প্রয়োজন হলে সে আমার ঘরে বা মসজিদে আসুক।অতঃপর বাদশাহ তাঁকে বুখারা ত্যাগে বাধ্য করলে তিনি সমরকন্দে চলে যান।এভাবে তিনি অমর হয়ে আছেন।
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন
গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now