বাংলা গল্প পড়ার অন্যতম ওয়েবসাইট - গল্প পড়ুন এবং গল্প বলুন
বিশেষ নোটিশঃ সুপ্রিয় গল্পেরঝুরিয়ান - আপনারা যে গল্প সাবমিট করবেন সেই গল্পের প্রথম লাইনে অবশ্যাই গল্পের আসল লেখকের নাম লেখা থাকতে হবে যেমন ~ লেখকের নামঃ আরিফ আজাদ , প্রথম লাইনে রাইটারের নাম না থাকলে গল্প পাবলিশ করা হবেনা
আপনাদের মতামত জানাতে আমাদের সাপোর্টে মেসেজ দিতে পারেন অথবা ফেসবুক পেজে মেসেজ দিতে পারেন , ধন্যবাদ

হরর ক্লাবে লাশ ৩

"ভৌতিক গল্প " বিভাগে গল্পটি দিয়েছেন গল্পের ঝুরিয়ান নাসরুল্লাহ (০ পয়েন্ট)

X আমার জন্য অবাক হওয়ার ঘটনা হলো ঘরের পশ্চিম পাশের রুমটায় কাটা হয় লাশ, এছাড়াও পচা ও গলিত লাশগুলোও দিনের পর দিন রাখা হয় ওই রুমে। আর পূব পাশের রুমেই থাকেন ডোম দুলাল। লাশ কাটার জন্য তৈরি খাটেই ঘুমান তিনি।   তিনি শুধু লাশই কাটেন না, পাশাপাশি তিনি কবিরাজ হিসেবেও বেশ পরিচিত। তার সাথে কথা বলতে বলতে অনেক সাহস করে পূব পাশের রুমে ঢুকলাম। ওই ঘরেও ভয় পাওয়ার মতো অনেক কিছুই তিনি রেখেছেন। রুমের চারপাশে সাজিয়ে রেখেছেন অদ্ভুত সব জিনিসপত্র। কাঁচের বোতলে তেলের মধ্যে ডুবিয়ে রেখেছেন পাঁচ/ছয় মাস বয়সের মৃত শিশুদের দেহ। জানতে চাইলে তিনি বলেন, নারী লাশের পেটে থাকা ওইসব শিশুর দেহ আমি রেখেছি, ওগুলো আমার কবিরাজি কাজে প্রয়োজন হয়। লাশ রাখার পাশের রুমেই আপনি নিজে থাকেন, অদ্ভুত কোন ঘটনার সাক্ষী আপনি হয়েছেন কি না- এমন প্রশ্নের উত্তরে আচমকাই অট্টহাসি দিয়ে ডোম দুলাল বলেন, ‘এ আর নতুন কি, ওসব ঘটনা আমার সামনে প্রতিনিয়তই ঘটে’।   বিশেষ অনুরোধে চেপে ধরলাম তাকে সেসব ঘটনার কিছু বলার জন্য। তেমন গাঁইগুঁই না করেই তিনি বলা শুরু করলেন। সেইসব কাহিনীর একটা আজ বলবো।   ২০০৭ সালের ১৫ই নভেম্বর। ওইদিন পশ্চিম পাশের রুমে একটি লাশ ছিলো। রাতে শুরু হয় ভয়ানক ঘূর্ণিঝড় সিডর।   ডোম দুলাল তার পরিবারের সবাইকে নিয়ে চলে যান ঘূর্ণিঝড় আশ্রয় কেন্দ্রে। পরের দিন ওই লাশ কাটা ঘরে এসে দেখেন ঘরের তালা ঠিকই আগের মতোই আছে। রুমের জানালাতো আগেই নেই। তাই রুমের জিনিসপত্র কিংবা লাশ পানিতে ভেসে যাওয়ার কথা না।   কিন্তু সেদিন ঘটনা ঘটলো উল্টো, ওইদিন রুমের দরজা খুলে দেখা গেলো ঘরে থাকা লাশটি আর নেই। আশপাশে বহু খোঁজাখুঁজির পরেও লাশটি পাওয়া গেলো না। যে ঘরে দরজা ছাড়া শুধু পানি যাওয়ার দুই ইঞ্চি পরিমাণে ফাঁক ছাড়া ভেতরে ঢোকা-বের হওয়ার আর কিছুই নেই, সেই ঘর থেকে কীভাবে একটি আস্ত লাশ উধাও হয়ে গেলো! বাকি অন্যসব জিনিসপত্র যার যার স্থানেই আছে। কেন এমন হলো? এমন প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেও দিতে পারেননি। তবে ওই ঘটনার তিন দিন পরে লাশটি পাওয়া গেছে ঠিকই। কিন্তু লাশ কাটার ঘর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে মানে জেলার পাথরঘাটার কালমেঘা গ্রামের একটি খালের পারে!  এরও জবাব নেই!


এডিট ডিলিট প্রিন্ট করুন  অভিযোগ করুন     

গল্পটি পড়েছেন ২১০৮৭ জন


এ জাতীয় গল্প

→ হরর ক্লাবে লাশ ৩
→ হরর ক্লাবে লাশ ২
→ হরর ক্লাবে লাশ

গল্পটির রেটিং দিনঃ-

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করুন

গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে আপনার একাউন্টে প্রবেশ করুন ... ধন্যবাদ... Login Now